নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১১ জানুয়ারি ২০১৭, ২৮ পৌষ ১৪২৩, ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮
মাছ চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন কাহালুর পলাশ
কাহালু (বগুড়া) থেকে মুনসুর রহমান তানসেন
কাহালু উপজেলার জয়তুল গ্রামের মো. বায়োজিদ হোসেন পলাশ কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এখন একজন সফল মাছচাষী। অর্থনৈতিকভাবে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়ে তিনি এখন দেশের অর্থনীতিতে ও এলাকার বেকার সমস্যা সমাধানে বড় ধরনের ভূমিকা রাখছেন। পলাশ কাহালু উপজেলার জয়তুল গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের পুত্র। তার মাতার নাম মোছা. বুলবুলি বেগম।

তিনি ১৯৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। কাহালু উপজেলায় যখন মাছচাষের প্রসার ঘটে তখন পলাশের বাবা নুরুল ইসলাম মাছ চাষ শুরু করেন। মাছের জন্য তেমন তহবিলও ছিলোনা তার। যারফলে তাদের সংসারেও ছিলোনা তেমন সচ্ছলতা। পিতা নুরুল ইসলামের মাছ চাষ করা দেখে মাত্র ১০ বছর বয়সেই পলাশ মাছচাষের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ১৯৯৮ সালে পলাশ মাত্র ১০ হাজার টাকা তহবিল নিয়ে ২০ শতক জলাশ্বয়ে পাঙ্গাস মাছের চাষ শুরু করেন।

বছর না ঘুরতেই সেই জলাশ্বয় থেকে মাছ বিক্রি করে খরচ বাদ দিয়ে পলাশ আয় করে প্রায় ৬০ হাজার টাকা। সেই টাকা দিয়ে ৪ বিঘা ও আড়াই বিঘা পরিমাণের ২টি পুকুর লীজ নিয়ে মাছের চাষ করেন। এভাবে ছোট-খাটো পুকুরে মাছ চাষ করতে করতে ২০০৬ সালের মধ্যেই আর্থিকভাবে অনেকটা অগ্রসর হন। তিনি ছোট-বড় মিলে ১৮টি পুকুর লীজ নিয়ে গলদা, পাবদা, পাঙ্গাস, রই, কাতলা, মৃগেল, হাঙ্গরী ও কার্প জাতীয় বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ চাষ পুরোদমে শুরু করেন। অল্পদিনের মধ্যেই তিনি বড় বড় মাছচাষিদের সাথে পাল্লা দেয়ার মতো মাছচাষি হিসেবে নিজেকে দাঁড় করান।

২০০৭ সালে বন্যার কারণে এখানকার অন্যান্য মাছচাষির মতো তিনি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন। সেবার পুকুরের পানি উপচে মাছ ভেসে গিয়ে তার লোকসান হয় প্রায় ২০ লাখ টাকা।

এখানকার বেশ কয়েক জন মাছচাষি সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না পারলেও পলাশ কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বছর না ঘুরতেই সেই ধাক্কা ঠিকই কাটিয়ে উঠে ব্যাপক সফলতার দিকে যান।

২০০৮ সালে মাছচাষের পাশাপাশি তিনি নিজ গ্রামে একটি বড় পোল্টি খামার করেন। মাছের চাষ, নার্সারীতে মাছের পোনা উৎপাদন ও পোল্টি খামারের মুরগি বিক্রি করে তার লাভের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তিনি কঠোর পরিশ্রম করে তার নিজস্ব আয়ের টাকা দিয়ে প্রায় ১২ বিঘা জমি কিনেছেন। কাহালু কলেজ রোডে তিনি জায়গা নিয়ে সেখানে গড়ে তুলেছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মুরগির বাচ্চা উৎপাদনের হ্যাচারী। বর্তমানে কাহালুর বড় ফিড ব্যবসায়ীদের কাতারে রয়েছেন পলাশ।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজানুয়ারী - ২২
ফজর৫:২৩
যোহর১২:১০
আসর৪:০২
মাগরিব৫:৪১
এশা৬:৫৭
সূর্যোদয় - ৬:৪২সূর্যাস্ত - ০৫:৩৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৯৮৪.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.