নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১১ জানুয়ারি ২০১৭, ২৮ পৌষ ১৪২৩, ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮
নড়াইলে বাঁশের সাঁকোর উপর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে হাজার হাজার পথচারী
নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইল নড়াইল সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের সরশপুরে চিত্রা নদীর মরা খালের ওপর সেতু নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। কিন্তু সেতু আর নির্মাণ হয় না। এ কারণে ঐ নদীর ওপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করে স্থানীয় লোকজনসহ শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। এলাকাবাসী ও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শাহাবাদ ইউনিয়নের সরশপুর এলাকায় চিত্রা নদী মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদীর উত্তর দিকে চরবিলা, ইলিন্দি, হৈদেরখোলা, ফালিয়া, আতশপাড়া, আড়ংগাছা ও বলরামপুর গ্রাম। এই সাত গ্রামে আনুমানিক ১৫ হাজার পরিবারের বাস। লোক সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের পাঠানো তথ্য ও ছবির ভিত্তিতে জানা যায় এই গ্রাম সাতটির লোকজনের হাটবাজার, ছেলেমেয়েদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতসহ সব ধরনের কাজ করতে হয় নদীর দক্ষিণ দিকে। এসব মানুষ ও শিক্ষার্থীরা বাঁশের সাঁকো দিয়ে খুব কম সময়ে খাল পার হয়ে ছয় কিলোমিটার দূরে রূপগঞ্জ হাটসহ সদর উপজেলা ও জেলা শহরে যান। আর তা না হলে চার কিলোমিটার পথ ঘুরে মাইজপাড়া সেতুর ওপর দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় যেতে হয়। সরেজমিন দেখা গেছে, এলাকার মানুষের চলাচলের জন্য মরা খালের ওপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। প্রায় দশ ফুট পরপর দুটি করে বাঁশের খুঁটি ১৮টি স্থানে বসানো হয়েছে। বাঁশের ওপর দিয়ে চলাচলের সময় ওপরে ধরার জন্য আড়াআড়ি বাঁশ বাধা হয়েছে। ৫০ বছর ধরে এলাকার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এভাবেই চলাচল করছে। সরশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মানু মিত্র বলেন, বাঁশের ওপর দিয়ে চলতে গিয়ে অনেকেই পা পিছলে খালের মধ্যে পড়ে যায়। বেশির ভাগ সময় স্কুলের কোমলমতি শিশুরা সাঁকো পার হতে খালের পানিতে পড়ে যায়। পরে লোকজন তাদের উদ্ধার করে। সরশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থী শিউলি, ছলেমান, টিপুসহ অনেকেই জানায়, স্কুলে যাওয়ার একমাত্র পথ ঐ সাঁকো। সাঁকো পার হওয়ার সময় নড়ে ওঠে। তখন ভয় করে। অনেকে পার হতে গিয়ে পানিতে পড়ে যায়। বই-খাতা, জামা-কাপড় নষ্ট হয়। ক্লাস না করে বাড়ি ফিরে যেতে হয়।

কলেজ ছাত্রী রোখসানা খাতুন বলেন, কাঁধে ব্যাগ, এক হাতে স্যান্ডেল এবং অন্য হাত দিয়ে বাঁশ ধরে পা টিপে টিপে একটা বাঁশের ওপর দিয়ে প্রতিদিন কলেজে যাওয়া-আসা করি। সরশপুর গ্রামের শিক্ষক রজিবুল ইসলাম বলেন, এর আগে অনেকবার ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে দাবি জানিয়েছি খালের ওপর সেতু তৈরি করার জন্য। কিন্তু শুধু প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। এবার নতুন চেয়ারম্যানকেও একই দাবি জানানো হয়েছে। চরবিলা গ্রামের ব্যবসায়ী শমসের আলী বলেন, মালামাল নিয়ে যাওয়া যায় না। নসিমন ভাড়া করে অনেক দূরের পথ ঘুরে যেতে হয়। শাহাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন পান্না বলেন, নতুন চেয়ারম্যান হয়েছি। সাত গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ২১
ফজর৪:৫৮
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৭২৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.