নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ২৮ পৌষ ১৪২৫, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
শ্রীনগরে পুকুর খনন করে কৃষিজমির সর্বনাশ
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার তিন ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটা মালিকেরা। এতে জমির সর্বনাশ হচ্ছে। আর ফসল উৎপাদন কম হওয়ায় ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটছে পরিবেশের। উৎপাদিু ফসল ধান, পাট, রসুনের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় আবাদি জমিতে পুকুর খনন করছেন কৃষকেরা। এ সুযোগে ভাটা মালিকেরা আরেক দফা মাটি কেটে নিচ্ছে। আর কৃষকেরা ফ্রিতে পুকুর উপহার পাচ্ছে। ফলে এলাকায় কমছে আবাদি জমির পরিমাণ। কৃষিজমির মাটি ইটভাটায় ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও কার্যকরী ব্যবস্থা না নেয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে দায়ী করেছেন এলাকার ভুক্তভোগী সচেতন লোকজন।

তিনদশক ধরে ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ভাটায় নেয়ার ফলে আবাদি জমির পরিমাণ কমে শ্রীনগর এলাকায় এখন পুকুরের সংখ্যা বেড়েছে। তা ছাড়া মাছ চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকেরা মাছ চাষেই ঝুঁকছে বেশি। অধিকাংশ ইটভাটা সিরাজদিখান উপজেলায় এলাকায় অবস্থিত। পাওয়ার র্টিলার ও ট্রাক্টরে করে ইটভাটায় মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার ফলে কোটি কোটি টাকায় নির্মিত পাকা সড়কগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। একটু বৃষ্টি হলেই কাঁদা পানিতে সড়কগুলো পিচ্ছিল হয়ে যায়। দুর্ঘটনায় পতিত হয় অনেক যানবাহন। শিশুসহ আহত নিহতের ঘটনাও ঘটেছে অনেক। জমির মাটি কেটে ট্রাক্টরে করে পরিবহনের কারণে পাকা সড়কগুলোতে কার্পেটিং ওঠে গেছে, নানা খানাখন্দক, ছোটবড় গর্ণ হয়ে এবং ভেঙে পাশ ধসে গেছে। ইটভাটায় ব্যবহৃত যানবাহনগুলোর উপর্যুপরি চলাচলে আশপাশের বাড়িঘরগুলো নোংরা ধুলাবালিতে আচ্ছাদিু হয়ে যেন ভূতের এলাকায় পরিণত হয়। এতে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। কমছে না ভোগান্তি। বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং লোভ দেখিয়ে কৃষকদের বোকা বানিয়ে কৃষিজমি মাটি কেটে পুকুর খননে প্ররোচিত করা হচ্ছে। ইটভাটা মালিক ও এক শ্রেণীর দালালচক্র কৃষকদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এসব করছে। ইটভাটার কারণে এলাকার আম, লিচু, নারকেলসহ বিভিন্ন গাছে ফল ধরছে না, ধরলেও তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ইটভাটাগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উদ্যোগ নেই। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শান্তনা রানী জানান, ২০১৮ সাল পর্যন্ত শ্রীনগরে ১৫ হাজার ২৮৫ হেক্টর কৃষিজমি রয়েছে। অথচ পাঁচ বছর আগেও ১৭ হাজার ২৪ হেক্টরের বেশি কৃষিজমি ছিল। এলাকায় কৃষিজমিতে মাটি কাটা ও পুকুর খনন অব্যাহত থাকলে কৃষি জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের বিপর্যয় ঠেকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আযাদ জানান, শ্রীনগর উপজেলায় সরকারি ১২ হাজার ৭২টি পুকুর রয়েছে। তবে বেসরকারি হিসেবে পুকুরের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার হবে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি খাল আর পুকুর এক করে কৃষিজমিতে মাটিকাটা ও পুকুর খনন করা চলবে না। তারপরেও যদি কেউ এ অন্যায় করে তাহলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগণ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ১৭
ফজর৩:৫৫
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৩
সূর্যোদয় - ৫:২১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩৪৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.