নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ২৮ পৌষ ১৪২৫, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
ট্রাক্টর চলাচলে সাদুল্লাপুরের রাস্তাঘাট ধ্বংস হচ্ছে
সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) থেকে তোফায়েল হোসেন জাকির
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দানব পরিবহন হিসেবে খ্যাত কাকড়ার (ট্রাক্টর) পেটে চলে যাচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা। এই দানবরূপি কাকড়াগুলো হরহামেসাই চলতে গিয়ে রাস্তা-ঘাট ভেঙে গর্তে পরিণত করছে। এছাড়া অদক্ষ চালকরা বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর কারণে ছয়চাকার নিচে পড়ে অকালে নিভে যাচ্ছে মানবজীবনের তাঁজাপ্রাণ।

সম্প্রতি শুকনো মৌসুমে সাদুল্লাপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জে মাটি বহন কাজে এসব কাকড়া নির্বিকারে চলাচলে ধুলা-বালুতে এলাকার হয়ে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। সেই সাথে গ্রামাঞ্চলের রাস্তা-ঘাটের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি অবাধে চলাচল করায় অঘটনের আশঙ্কাবোধ করছেন জনসাধারণ। ফলে মানুষকে সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। কখন যেনো কাকড়া আসে এমন ভীতি বিরাজ করে পথচারীদের মনে।

প্রশাসন কর্তৃক দিনের বেলায় কাকড়া চলাচল নিষিদ্ধ করা হলেও রহস্যজনক কারণে অবাধে চলাচল করতে দেখা গেছে গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায়। দানব পরিবহন হিসেবে খ্যাত এই কাকড়াগুলো বেপরোয়া চলাচল করার ফলে বেড়ে গেছে সড়ক দুর্ঘটনা।

ভুক্তভোগী শাহিন মিয়া ও খলিলুর রহমান জানান, এলাকার প্রভাবশালী মহলের ক্রয়কৃত এসব কাকড়া জমি থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বহন করা হচ্ছে। এতে করে নিচু হচ্ছে জমি, অপরদিকে ভেঙ্গে যাচ্ছে গ্রাম-শহর যোগাযোগের রাস্তাঘাট। নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। অকালে নিভে যাচ্ছে তাজাপ্রাণ।

তাদের অভিযোগ, দানব পরিবহন কাকড়া গাড়ির মালিকরা স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রাস্তার রাজা হিসেবে নির্বিকারে গাড়ি চালিয়ে আসছে। ফলে এসব গাড়ি থেকে রাস্তা-ঘাট রক্ষা কিংবা প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। কাকড়া মালিক মোকছেদুল ইসলাম বলেন, মাটি বহন কাজে গাড়ি চলতে গিয়ে যেসমস্ত রাস্তা খারাপ বা গর্তের সৃষ্টি হয় সেখানে আমরা পুনরায় মাটি ভরাট করে ভাল করে দেই, যাতে করে মানুষের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে এবং রাস্তা খারাপ না থাকে। এ বিষয়ে খেয়াল রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রহিমা খাতুন বলেন, ওইসব কাকড়া রাস্তায় চলাচলে মালিকদের বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া আছে। কোনো রাস্তা যেন নষ্ট না হয় এবং দুর্ঘটনা এড়াতে এবং যানজটের সৃষ্টি না হয় এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করা গাড়ি বা মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ২২
ফজর৪:৫৯
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৮সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৪৮৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.