নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ২৮ পৌষ ১৪২৫, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
নির্বাচন নয় রাজচালাকি হয়েছে : ড. কামাল
স্টাফ রিপোর্টার
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে রাজচালাকি উল্লেখ করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, মানসিকভাবে কোনো সুস্থ মানুষ এ ধরনের কাজ করতে পারে না। আসুন জাতীয় সংলাপের মাধ্যমে সংবিধান অনুযায়ী একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত সরকার গঠন করি। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে গণফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, আমার খুব দুঃখ লাগে ৩০ ডিসেম্বর যে ঘটনা ঘটলো স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও এটা দেখতে হচ্ছে, সেটা আমি বিশ্বাস করতে পারি না। এটা হওয়ার কথা না। ৪৮ বছর পরে এটা কেন এভাবে হবে? আমিতো সরলভাবে বলেছি, ভাই সকালে সকালে গিয়ে ভোট দেবেন। কিন্তু টেলিভিশনে বলেছেন কামাল হোসেন তো বুঝতেই পারছেন না, ঘটনাতো রাতেই ঘটে গেছে। তিনি বলেন, আমি আজকে প্রশ্ন রাখতে চাই, এইসব অস্বাভাবিক কাজ কেন হচ্ছে? তৃতীয়বারের মতো একজন প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেছেন। ৩০০ লোক সংসদ সদস্য হয়ে গেছে। আর বিরোধীদলে সাত জন, আমাদের দুজন। এটার অর্থটা কি? এটা একটা খেলা নাকি? ১৭ কোটি মানুষকে নিয়ে কি খেলা করা যায়? সারাদেশের মানুষের মুখে মুখে উচ্চারণ হচ্ছে যে, নাটক করেছে। আমি মনে করি মানসিকভাবে ভারসাম্য না হারালে এগুলো হয় না।

ড. কামাল বলেন, চুপি চুপি রাতে কি হলো, সকালে জানিয়ে দিল যে ভোট শেষ। রাষ্ট্রকে নিয়ে এভাবে খেলা করা তো চলে না। আমি মনে করি যারা এগুলো করছে হয় তারা না বুঝে করছে। তাদেরকে যারা উপদেশ দিচ্ছে, তারা সঠিক উপদেশ দিচ্ছে না। এই ধরনের তথাকথিত নির্বাচন এটা কোনো সুস্থ মানুষের করার কথা না। মানসিকভাবে সুস্থ থাকলে এটা করতে পারে না। এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আইনানুগভাবে এটা হয় না। সংবিধান অনুযায়ী এটা হয় না। সংবিধান মানতে সবাই বাধ্য। সংবিধানের উর্দ্ধে কেউ না। কিন্তু এসব সংকট কেন সৃষ্টি করা হচ্ছে?

বাংলাদেশর জনগণ ক্ষমতার মালিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে নির্বাচন হয়েছিল। ২০১৪ সালে কেউ নির্বাচনে গেল না। তারা বললো, সাময়িকভাবে নির্বাচন করা হচ্ছে। কিন্তু তারা নির্বাচন না দিয়ে পাঁচ বছর থাকলো। পাঁচ বছর পরে যখন নির্বাচন আসলো, এখনও এই প্রহসন দেখতে হচ্ছে। এটাকে বঙ্গবন্ধু বলতেন রাজচালাকি। আমরা রাজনীতি থেকে সরে রাজচালাকিতে চলে যাচ্ছি। ৩০ ডিসেম্বর যেটা হয়েছে, সেটা রাজচালাকির একটা সুন্দর উদাহরণ।

কামাল হোসেন বলেন, আমি বলবো, এই রাজ চালাকি থেকে বিরত থাকেন। সংবিধান অনুযায়ী আলাপ আলোচনার মধ্যে দিয়ে যা করার করেন। এছাড়া কোনো বিকল্প হতে পারে না। কারও জন্য এটা মঙ্গল হবে না। যারা করবে তাদের জন্যও না, যাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হবে তাদের তো একদমই হবে না। তিনি আরো বলেন, এখানে সংকট বা বিরোধ সৃষ্টি করার কোনো প্রয়োজন নাই। কেন সংকট সৃষ্টি করছেন। এটা কোনো সুস্থ মানুষের করার কথা না। আমি আবার বলছি। সুস্থ মানুষ জেনেশুনে বিরোধ সৃষ্টি করবে কেন? আজকে শতকরা একশভাগ মানুষই বলবে, সরকার গঠন করতে হলে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। ৩০ ডিসেম্বর যেটা হয়েছে সেটাকি কেউ অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন কেউ বলবে। আসুন বছরের প্রথম দিকে সংকট সৃষ্টি না করে সবার সঙ্গে জাতীয় সংলাপে বসি, জাতীয় সংলাপ সবচেয়ে ভাল পথ। সংলাপের মধ্যে দিয়ে সিদ্ধান্তগুলো নেয়া হোক কিভাবে আমরা সংবিধানকে মেনে, নির্বাচন করে, নির্বাচিত সরকার গঠন করবো। আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- জেএসডি সভাপতি আসম আব্দুর রব, গণফোরাম নেতা সুব্রত চৌধুরী, অধ্যাপক আবু সায়িদ, মোস্তফা মহসিন মন্টু, মেজর জেনারেল (অব.) আমসা আমিন, মফিজুল ইসলাম কামাল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানে বন্দি বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। সেসময় তার সঙ্গে দেশে ফিরেন ড. কামাল হোসেন। তিনিও পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ১৬
ফজর৪:৪১
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৫৪
মাগরিব৫:৩৫
এশা৬:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:৩০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫১৮৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.