নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২ জানুয়ারি ২০১৭, ২৯ পৌষ ১৪২৩, ১৩ রবিউস সানি ১৪৩৮
তিতাস গ্যাসের ইলেক্ট্রিশিয়ান কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক
অনুসন্ধানে দুদক
স্টাফ রিপর্োটার
তিতাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির ইলেক্ট্রিশিয়ান আসাদুজ্জামান বাবুলের কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিতাস গ্যাস এ চাকরি করলেও বর্তমানে তিনি একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মালিক। যদিও কোম্পানিটি নিবন্ধিত না হলেও ইতোমধ্যে ২টি ভবন ১৭ তলা এবং ১৪তলা নির্মাণ করছেন। আর এই ভবনের ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে রয়েছে নানা কিচ্ছা কাহিনী। ডেমরার ডগাইর মৌজার মুসলিম নগরে মডান টাওয়ার নামে রিয়েল এ্যাস্টেট কোম্পানির ব্যানারে ১৭তলা এবং ১৪তলা ভবন নির্মাণ করেছেন তিনি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্যাস রিডিং টেম্পারিং ও অবৈধভাবে গ্যাস সাপ্লাই এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অর্জন করেন তিনি। এসব অবৈধ অর্জন থেকে রূপগঞ্জে ১১৮.৭৫ শতাংশ জমি এবং ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুরে ২ দলিলে ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। ইলেক্ট্রিশিয়ান আসদুজ্জামান বাবুল, ডেমরা বালু নদী ব্রিজ থেকে রূপগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন হাজার আবাসিক সংযোগ দিয়ে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করেছেন। তিতাস গ্যাস অফিসে বিদ্যুৎ এর যে কোনো কাজ এবং টেন্ডার হওয়া কাজ ডিজিএম এবং ম্যানেজারের সাথে মিলে ঠিকাদারের প্যাড ব্যবহার করে আসাদুজ্জামান বাবুল করেন।

বর্তমানে দুটি নোহা গাড়ি সাড়ুলিয়া রেন্ট-এ-কার অফিসে চলে। গাড়ি দুটি নাম্বার যথাক্রমে ঢাকা-মেট্রো চ ১৪-২০৭১ এবং ঢাকা-মেট্রো চ ১৩-০০৬৪। এ গাড়ি দুটি জামাল হোটেল এর মালিক জামাল মিয়ার কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা দিয়ে কিনলেও এখন পর্যন্ত গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করেননি। শ্বশুরবাড়ির এলাকায় ৫টি সিএনজি স্কুটার ভাড়ায় চলে। যার দেখবাল করে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। আসাদুজ্জামান বাবুলের বাড়ি রূপগঞ্জের মুড়াপাড়ায়। জন্মের পর মামা বাড়ি কায়েত পাড়ায় বড় হন। তার যে মামা বাড়ি সেই বাড়ির অর্ধেক তার নামে দলিল নিয়েছেন দানপত্র বলে। এলাকার সবাই জানে সেই জমি ৫০ লাখ টাকা দিয়ে কিনেছেন। তার বসবাস ডেমরার তিতাস গ্যাস স্টাফ কোয়ার্টারে। যদিও সম্প্রতি বদলি হয়ে বি-বাড়িয়ায় চলে যান।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালের তিতাস গ্যাসের ডেমরা শাখায় চাকরিতে যোগদান করেন। এর পর থেকেই তিনি অবৈধ পন্থায় কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যান। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৩ সালে তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দেয়া হলেও অবৈধ সুযোগ সুবিধা দিয়ে তদন্ত কাজ বিলম্বিত করার পাঁয়তারা করছেন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ২১
ফজর৪:৫৮
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩১২২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.