নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২ জানুয়ারি ২০১৭, ২৯ পৌষ ১৪২৩, ১৩ রবিউস সানি ১৪৩৮
৩ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এগিয়ে যাচ্ছে আ'লীগ
সফিকুল ইসলাম
বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে সব সূচকে অগ্রগতি, সাফল্যে আর উন্নয়নের পতাকা উড়িয়েই আজ ১২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার টানা দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতার তিন বছর পূর্ণ করল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। টানা হরতাল ও দীর্ঘ হিংসাত্মক অবরোধের মতো বৈরী বাস্তবতায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর আজকেই এই দিনে টানা দ্বিতীয় দফায় দেশ পরিচালনায় কঠিন দায়িত্ব হাতে নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই একের পর এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে থাকে সরকার। আওয়ামী লীগের তিন বছরের শাসনামলে সাফল্যের পাল্লা ভারী হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থতাও তুচ্ছ করে দেখার মতো নয়।

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলা, গাইবান্ধায় দলীয় এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা, দেশব্যাপী জঙ্গি তৎপরতা, আগুন সন্ত্রাস, নিরীহ মানুষ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বিদেশি নাগরিক হত্যা ও বস্নগার হত্যার মতো পরিস্থিতি সত্ত্বেও দেশকে নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে সামনে এগিয়ে নিতে বিশাল উন্নয়ন কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। আছে বাধা, আছে বিঘ্ন, আছে নাশকতা, তবুও বিশ্বসভায় বাংলাদেশকে গত তিন বছরে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন শেখ হাসিনা। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়নে হাজার হাজার মানুষ অহর্নিশ ব্যস্ত। বিশাল কর্মযজ্ঞে স্বপ্নের সোপান তৈরি হচ্ছে এখন। রাজধানীর রূপকল্প দ্রুত বদলে যাচ্ছে। রাজধানীকে বাসযোগ্য করার সংগঠিত উদ্যোগ অতীতে কখনোই ছিল না। মধ্যম আয়ের দেশের গৌরবটিকা আমাদের জন্মভূমির ললাটে। বর্তমান সরকারের গত তিন বছরের কর্মকা- জাতির সামনে তুলে ধরতে আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারের তৃতীয় বর্ষের সরকার পরিচালনার সফলতা-ব্যর্থতার খেরোখাতায় যে লাইনটি সর্বাগ্রে উঠে এসেছে তা হচ্ছে_ সরকার গঠনের শুরু থেকেই তৃতীয় বছরেও দেশের রাজনীতিসহ সবকিছুর নিয়ন্ত্রণই ছিল আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে। নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সামনের দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে শেখ হাসিনার সরকার। সাফল্যে-ব্যর্থতার বিচারে টানা দ্বিতীয় মেয়াদের এই তিন বছর বেশি সময় না হলেও পার্থক্য হচ্ছে অতীত কোনো সরকারকে ক্ষমতা গ্রহণের পর এমন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করতে হয়নি। তবে এই তিন বছরে সাফল্য-ব্যর্থতার পরিমাপে সরকারের ঝুলিতে সাফল্যের পরিমাণ যে কয়েকগুণ বেশি, তা চরম সমালোচকও মানতে বাধ্য হচ্ছেন। এসময়ে বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে স্থাপিত করেছে শেখ হাসিনার সরকার।

গত তিন বছরে সরকারের উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলোর মধ্যে ছিল নিজ অর্থায়নে মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু, বিদ্যুতের লোডশেডিং প্রায় শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ, খাদ্যশস্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত হওয়া ছাড়াও কৃষিক্ষেত্রে অভাবনীয় অগ্রগতি, জিডিপি প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাংকের তালিকা অনুযায়ী নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া, শিক্ষার উন্নতিতে নানামুখী পদক্ষেপ, শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধি ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহী করতে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়নে পদক্ষেপ ইত্যাদি। এদিকে রাজনীতিতেও একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে আওয়ামী লীগ। এই প্রথম বারের মতো প্রত্যেকটি জেলা সম্মেলন শেষ করে কেন্দ্রীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আনা হয়েছে কেন্দ্রে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের একক অধিপত্ত। সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জ সিটি ও জেলা পরিষদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। তবে রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় দলের ভেতরে স্বস্তি থাকলেও অস্বস্তিতে ছিল কিছু অতিকথনপ্রিয় এমপি-মন্ত্রীদের নিয়ে। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু এলাকায় এমপি-মন্ত্রী ও প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় ছিল দখলদারিত। সরকারি দলের অঙ্গসংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর কিছু নেতাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। তাই সরকারকে দুর্নামের দায় নিতে হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন। কেউ কেউ ফেতার হয়েছেন, দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন। অপকর্মে লিপ্ত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নামধারী কয়েকজন নেতা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। শিক্ষা ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বিগত বছরে আরো বেড়েছে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে সময়মতো বই পৌঁছে দেয়া সরকারের একটি বড় অর্জন। তবে প্রাথমিকের বই ভুল ও অসঙ্গতি নিয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়াদের তৃতীয় বছরেও রাজপথের বিরোধী দল বিএনপিকে মোকাবিলা, সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে নিয়ন্ত্রণ ও ১৪ দলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারা এবং দলের দ্বন্দ্ব-কোন্দল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারা সরকারের বড় সাফল্য। সরকার উৎখাতের মিশন থেকে সরে এসে এখন পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে বিএনপির আলোচনার প্রস্তাব, দলীয় প্রতীকে ইউপি, পৌরসভা ও সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ সরকারের জন্য ইতিবাচক। যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দ-িত জামায়াতকে এখনো নিষিদ্ধ করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে সুধী মহলে। দ্বিতীয় মেয়াদের শাসন ক্ষমতায় বসা আওয়ামী লীগের প্রথম বছরটিতে অঙ্গসংগঠনগুলো নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ থাকলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় বছরে তা প্রায় নিয়ন্ত্রণে ছিল। যে সব প্রকল্প ২০১৪ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল তার বেশকিছু শেষ হয়নি। বাংলামোটর-মগবাজার-মালিবাগ-মৌচাক ফ্লাইওভারের কাজের ধীরগতি নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলেছে।

জঙ্গি দমনে সফলতা ও হলি আর্টিজান ট্র্যাজেডি : গত বছরের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ঢুকে পড়ল। সারারাত উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যে কাটল সারাদেশের মানুষের। বিশ্ব সংবাদের শিরোনাম হলো গুলশান। দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করা ৬ জঙ্গি পরে সেনাবাহিনীর 'অপারেশন থান্ডার বোল্টে' নিহত হয়। তবে অভিযানের আগেই জঙ্গিরা ২০ জিম্মিকে হত্যা করে। এ ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। এর কয়েকদিন পর কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদগাহ ময়দানে জঙ্গি হামলা চালানো হয়। এখানেও এক পুলিশ সদস্য মারা যান। ১ জুলাই হলি আর্টিজানে হামলার পর ২৬ জুলাই কল্যাণপুরের জাহাজ বিল্ডিংয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। এই প্রথম পুলিশি এ্যাকশনে নিহত হয় নতুন জেএমবির নেতারা। তারপর ২ সেপ্টেম্বর মিরপুরের রূপনগরে মেজর জাহিদ নামের আরেক জঙ্গি পুলিশের সাথে গোলাগুলিতে নিহত হয়। ২৭ আগস্ট আবার জঙ্গিদের ধরে ফেলে পুলিশ। নারায়ণগঞ্জে নিহত হয় তামিম চৌধুরীসহ তিনজন। গাজীপুরে ৮ অক্টোবর এবং আশকোনায় ২৪ ডিসেম্বর আবারও নিহত হয় জঙ্গিরা। এ বছরেই রাজধানীতে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড জঙ্গি মারজান ও তার সহযোগী সাদ্দাম। এছাড়াও তিন বছরে অনেক জঙ্গি পরিকল্পনা ভু-ুল করে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতির কারণে এসব সম্ভব হয়েছে। তবে বিগত বছরগুলোতে ইতালির নাগরিক সিজার তাভেলা ও জাপানি নাগরিক হোশি কোনিও হত্যার ঘটনা বড় অস্বস্তির ছিল।

নতুন মাইলফলকে শেখ হাসিনা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কূটনৈতিক তৎপরতায় পরে একে একে ঢাকা সফর করেছেন হেভিওয়েট বিদেশি রাষ্ট্র-নেতারা। গত বছর ঐতিহাসিক সফরে এসেছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। ঢাকায় গুরুত্বপূর্ণ সফর এসে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে গেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। এর আগে ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর ছিল সবিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। নরেন্দ্র মোদির সফরের মধ্য দিয়ে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ভারতের সাথে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান এক নতুন মাইলফলক তৈরি করেছে।

মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ : কয়েকজন এমপির দখল-বাণিজ্যসহ কয়েকটি ঘটনা বিতর্কের জন্ম দেয়। এ ক্ষেত্রে একাধিক মন্ত্রীর নামও আসে। গাইবান্ধার এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের গুলিতে শিশু আহত হয়। ওই এমপি গ্রেফতার হলেও সমালোচনা থামেনি। ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় তার অফিসের একজন কর্মকর্তার কক্ষ ভাঙচুর করে আলোচনার শিরোনাম হয়েছেন। এমপি পিনু খানের ছেলে রনির বিরুদ্ধে দু'জনকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য দ্রুততম সময়ে ওই জোড়া খুনের চার্জশিট দিয়ে প্রশংসিত হয়েছে সরকার। টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যায় জেলে যেতে সরকার দলীয় এমপি আমানুর রহমান রানাকে। অবৈধ সম্পদ অর্জনের জন্য গত বছর জেলে যেতে হয়েছিল সরকার দলীয় এমপি আবদুর রহমান বদিকে। এছাড়াও বিচার বিভাগ নিয়ে বির্তকিত বক্তব্য আদালতের কাছে জরিমানা গুনতে হয়েছে সরকারের দুই মন্ত্রীকে।

শক্তিশালী সংগঠন : রাজপথে বিরোধী দলবিহীন পরিস্থিতিতে অতীতের যে কোনো সময়ে চেয়ে স্বস্তিতে ছিল সরকারি দল আওয়ামী লীগ। রাজপথে মোকাবিলা করতে হয়নি সরকারবিরোধী দলগুলোকে। ফলে সংগঠনমুখী ছিল কর্মকা-। বিগত তিন বছরে বিদায়ী বছরে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বড় কৃতিত্ব জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে দলে নতুন প্রাণের সঞ্চারণ। এবারের সম্মেলন করতে দুই দফা তারিখ পরিবর্তন করতে হয়েছে। প্রথমে ২৮ মার্চ দলটির সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। পরে তা বাতিল করে ১০-১১ জুলাই করা হয়। কিন্তু সেই তারিখও বাতিল করে ২২-২৩ অক্টোবর সম্মেলনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়। এবারের সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটির আকার ৭৩ থেকে বৃদ্ধি করে ৮১ সদস্যের করা হয়। সাধারণ সম্পাদক পদসহ বেশ কিছু পদে এসেছে নতুন মুখ। তৃণমূল আওয়ামী লীগও এখন অনেক বেশি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, সরকারের তিন বছরে গণতন্ত্র শক্তিশালী ও সুসংহত হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় ও শাস্তি কার্যকর হচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বস্তরে উন্নয়নমূলক কর্মকা- চলছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হচ্ছে। এসব কিছুই দেশ ও জাতির জন্য অসাধারণ অর্জন। এ বিষয়ে বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, গত তিন বছরে উন্নয়নমূলক কর্মকা-ের বহু ক্ষেত্রেই সরকার সাফল্য দেখিয়েছে। বিশেষ করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজসহ আরো অনেক অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কর্মকা-ে সফলতা এসেছে। তবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মসূচি যতটা প্রসারিত হয়েছে, ততটা গভীরতা পায়নি।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ২১
ফজর৪:৫৮
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩১২৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.