নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২ জানুয়ারি ২০১৭, ২৯ পৌষ ১৪২৩, ১৩ রবিউস সানি ১৪৩৮
দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত নজরদারি : দুদক চেয়ারম্যান
জনতা ডেস্ক
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি বেশি হয় বলে জনশ্রুতি আছে, সেগুলোতে নজরদারিও বাড়ানো হবে। আর ঘুষের লেনদেন ঠেকাতে এ বছর ফাঁদ মামলা বাড়ানো হবে। গতকাল বুধবার সকালে দুদক কার্যালয়ে ২০১৬ সালে সংস্থাটির কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত বিফ্রিংয়ে এসব কথা জানান ইকবাল মাহমুদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৩৮৮ জনকে। এ ছাড়া কমিশনে পাওয়া অভিযোগ, প্রশাসনিক ব্যবস্থা, মামলাসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয় এ সময়। দুদক চেয়ারম্যান জানান, সংস্থাটির কার্যক্রমে গতি আনতে হালকা আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত একটি আলাদা ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। দুদক কার্যালয়ের কেউ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হলে তাঁর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সংস্থার চেয়ারম্যান। চলতি বছর দুর্নীতিবাজদের জন্য একটি আতঙ্কের বছর হবে বলে জানান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, আগের থেকে এ বছর দুদকের গণশুনানি বাড়ানো হয়েছে। প্রতি মাসে তিনটি করে জেলা-উপজেলায় দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন সম্পর্কে ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুর্নীতির কারণে এসডিজি অর্জনে সরকারকে পিছিয়ে পড়তে হয়। কেননা, ২ দশমিক ৩ শতাংশ দুর্নীতির কারণে জিডিপি চলে যায়। আর কোনো ফৌজদারি মামলার আসামি পার পাবে না। বেসিক ব্যাংকের আত্মসাৎ করা ৩শ' ৫৯ কোটি টাকা ফেরত এসেছে বলে জানিয়েছেন ইকবাল মাহমুদ। ইকবাল মাহমুদ বলেন, মামলার পর বেসিক ব্যাংকের ঋণ পুনঃতফসিল হয়েছে ৩শ' ৪২ কোটি টাকা। এ ছাড়া বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির মামলা একটি বড় বিষয়। এই কেলেঙ্কারির ৫৬টি মামলার তদন্ত করতে হচ্ছে কমিশনকে। এজন্য সঠিক তদন্ত করতে কমিশনের সময় লেগে যাচ্ছে। তার মানে এই নয় যে, মামলা থেকে কেউ রেহাই পাবে। তিনি বলেন, বেসিক ব্যাংকের দুই হাজার ৩৬ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৪১ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ৫৬টি মামলার চার্জশিট দিতে সময় লাগছে সঠিক তদন্তের জন্য। সঠিক তদন্তে নিরপরাধ কোনো ব্যক্তি যেন যুক্ত না হয়, কিংবা কোনো অপরাধী যেন পার না পায় সেদিকেও নজর রেখে তদন্ত করতে হচ্ছে কমিশনকে। বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির মামলাগুলোর ১৫৬ জন আসামির মধ্যে ব্যাংকটির কর্মকর্তা ২৬ জন। বাকি ১৩০ জন আসামি ঋণগ্রহিতা ৫৪ প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী ও সার্ভে প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে ব্যাংকের সাবেক এমডি কাজী ফখরুল ইসলামকে ৪৮টি, ডিএমডি ফজলুস সোবহানকে ৪৭টি, কনক কুমার পুরকায়স্থকে ২৩টি এবং ডিএমডি এ মোনায়েম খানকে ৩৫টি মামলায় আসামি করেছে দুদক। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, চলতি বছর হবে দুর্নীতিকারীদের জন্য একটি আতঙ্কের বছর। এ বছর দুদকের গণশুনানি বাড়ানো হয়েছে। প্রতি মাসে তিনটি করে জেলা ও উপজেলায় দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুধু তাই নয়, গুণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার তিনদিনের মধ্যে ফলোআপ শুনানি করা হবে। যেখানে দুর্নীতিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা চাই দুর্নীতির সব ঘাট বন্ধ করতে। রাজধানীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি বাণিজ্য বিষয়ে নজরদারি করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, দুদকের কাছে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি বাণিজ্য হচ্ছে বলে দুদকের কাছে অভিযোগ রয়েছে। এজন্য সমপ্রতি ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দুদক তলব করেছে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে দুদক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কেননা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদি দুর্নীতি হয় তাহলে দুর্নীতি কোনোভাবেই রোধ করা যাবে না।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমার্চ - ২৯
ফজর৪:৩৮
যোহর১২:০৪
আসর৪:৩০
মাগরিব৬:১৬
এশা৭:২৯
সূর্যোদয় - ৫:৫৪সূর্যাস্ত - ০৬:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৯২৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.