নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ৩০ পৌষ ১৪২৪, ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৯
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা ২০১৮
ফ্যান্টাসি পার্ক ও মিনি সুন্দরবনে চমক
মো. কামরুল হাসান
বছরের শুরুতে বাণিজ্যমেলা কেনাকাটা করার অন্যতম আলোচিত স্থান। তবে কেবল কেনাকাটা করলেই মেলায় আসা সার্থক হবে এমনটি মনে করেন না অধিকাংশ ক্রেতা ও দর্শনার্থী। আর এ বিষয়টি বোধগম্য বলেই মেলা কর্তৃপক্ষও মেলায় চমক নিয়ে আসেন প্রতিবছর। গত কয়েক বছর ধরেই তাই মেলায় চমকের বড় নাম ফ্যান্টাসি পার্ক ও মিনি সুন্দরবন। ক্রেতাদেরও এই দুটি বিষয়ে আগ্রহ যথেষ্ট। যে কারণে শীতের উপদ্রবে মেলায় কেনাকাটা করা কিংবা ঘুরে বেড়ানোতে কিছুটা ছন্দপতন হলেও এই দুটি পার্কে দর্শনার্থীর সংখ্যা বরাবরই বাড়ছে।

গতকাল শুক্রবার ছিল এবারের ২৩তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার ১২তম দিন। প্রতিবার ছুটির দিনগুলোতে বিক্রেতারা অধিক হারে বেচাবিক্রির প্ল্যান করে থাকেন। পণ্যের গুণাগুণের সঙ্গে ছাড়ের মাত্রাও এদিন বেশি দিয়ে থাকেন তারা। তবে গত কয়েকদিনে শীতের প্রকোপে মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা অর্ধেকে নেমে আসলে পুঁজি হারানোর শঙ্কায় পড়েন অনেকে। তাদের এ শঙ্কার মাত্রা আরো বাড়াতেই তাই যেন গতকাল শুক্রবার ঢল নামে ফ্যান্টাসি পার্ক ও মিনি সুন্দরবনে। ঘোরাঘুরি আর পণ্য দেখে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া ক্রেতা-দর্শনার্থীর পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ভিড়ে এই দুটি স্থান লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে।

এবারের ফ্যান্টাসি পার্কের নাম দেয়া হয়েছে 'শারিকা ফ্যান্টাসি পার্ক'। বেশ কয়েকটি রাইড দিয়ে সাজানো এ পার্কটি মেলা শুরুর প্রথম দিন থেকেই বেশ জমকালো। বিশেষ করে নারী ও শিশু এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে যেন পার্কটি। তবে পার্কটির রাইডগুলোর দরদাম নিয়ে দর্শনার্থীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকে যেমন বলেছেন রাইডের মূল্য অত্যধিক আবার তেমনি কারো কারো মতে বছরে একবার হয় বলে তা চলনসই। পার্কটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, অল্প পরিসরে বেশ সাজানো গোছানো পার্কটিতে রয়েছে ৬টি রাইড। এগুলো হলো- ম্যাজিক বোর্ড যার রাইড মূল্য ৪০ টাকা, ওয়ান্ডার হুইল ৫০ টাকা, হানি সুইং ৩০ টাকা, ট্রেন ৪০ টাকা, কিড্স রাইড্স ৩০ টাকা এবং নাইন ডি মুভি ১০০ টাকা। এর মধ্যে ম্যাজিক বোর্ডের প্রতি দর্শনার্থীদের আগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে স্বজনসহ মেলায় আসা সংবাদপত্র কর্মী মাকসুদা আক্তার বিথী দৈনিক জনতাকে বলেন, বাণিজ্যমেলা বছরে একবার হয় বলে এর প্রতি আগ্রহ থাকে অতিরিক্ত। ফলে এখানে এসে কেনাকাটা যেমন হয় বাঁধভাঙা তেমনি ঘোরাঘুরিও হয় বেশ। আর ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হতেই বিশ্রাম নিতে ছুটে যায় খাবারের স্টলে কিংবা পার্কে। এবারের পার্কটি বেশ নজরকাড়া। গতবারও মেলায় এসে ফ্যান্টাসি পার্কে এসে দুটি রাইডে উঠেছিলাম। এবারও সেই দুটিতেই উঠেছি। ভয়ের সঙ্গে আনন্দ পেয়েছি। মেলা মাত্র ১২ দিন হলো, ইচ্ছে আছে আরো কয়েকবার আসার। তখন হয়তো আবারও কোনো রাইডে উঠবো।

এদিকে যাদের কখনো সুন্দরবনে যাওয়া হয়নি, তারা বাণিজ্যমেলায় এসে চোখ জুড়িয়ে নিতে পারছেন কৃত্রিম সুন্দরবন দেখে। মেলার ভিআইপি গেটের পাশ দিয়ে একটু এগোতেই এই সুন্দরবন। উত্তর-পূর্ব কোণে চার দেয়ালের মধ্যে গড়ে তোলা হয়েছে ইকোপার্কটি। কেনাকাটা ও বিনোদনের খোঁজে মেলায় আসা মানুষ নিখাঁদ বিনোদন পেতেই ঘুরে দেখার পাশাপাশি আড্ডা জমাচ্ছেন পার্কের চারদিক ঘিরে। তবে কৃত্রিম এ সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ নেই। ভেতরে কৃত্রিমভাবে বানিয়ে রাখা হয়েছে বাঘ, সাপ, বক, হরিণসহ নানা প্রজাতির পশু-পাখি। বনের ভেতরে গাছের ডালে ডালে ঝুলছে বানরসহ নানা প্রজাতির পাখি। পার্কের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে ছোট ছোট লেক।

১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সুন্দরবনকে। কম-বেশি সবাই সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান। কিন্তু সবার পক্ষে তা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এ চিন্তা থেকে ২০১৩ সাল থেকে ডিজাইনার জামিউর রহমান লেমন বাণিজ্যমেলায় আগত দর্শনার্থীদের সুন্দরবন দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন।

জামিউর রহমান বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সাইন্সের ছাত্র। বিদেশে বিভিন্ন মেলায় দেখেছি তারা সেই দেশের হেরিটেজ তুলে ধরে। আমারও মনে হলো সুন্দরবন আমাদের বিশ্ব ঐতিহ্য। এটা তুলে ধরা যায় বাণিজ্যমেলায়। সেই চিন্তা থেকে ২০১২ সালে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সঙ্গে কথা বলি। তারা আমাকে সুযোগ দেয়।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২৩
ফজর৩:৫৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১০
সূর্যোদয় - ৫:২৪সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫০৫৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.