নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ৩০ পৌষ ১৪২৪, ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৯
নড়াইলে সিজারিয়ান রোগীর পেটে গজ ব্যান্ডেজ ও কাচি রেখে সেলাই ২ চিকিৎসকের নামে মামলা
নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
নড়াইলে পেটে গজ, ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করে দেয়ার অভিযোগে দুই চিকিৎসকের নামে থানায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী শারমিন আক্তারের পিতা মো. মনি মোল্যা বাদী হয়ে সদর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন-সদর হাসপাতালের জুনিয়র সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. নুরুজ্জামান ও বেসরকারি ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতালের (ক্লিনিক) পরিচালক ডাক্তার মুকুল হোসেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার শাহাবদ ইউনিয়নের ধোন্দা গ্রামের মো. মনি মোল্যার কন্যা ও মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার খাটোর গ্রামের মাসুদ মিয়ার স্ত্রী ২০১৭ সালের ২৯ জুলাই নড়াইল শহরের ফ্যামিলি কেয়ার ক্লিনিকে ৮ হাজার টাকার চুক্তিতে সিজারিয়ান অপারেশন করে এক পুত্রসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। ক্লিনিক পরিচালক ডাক্তার মুকুল হোসেন এবং ডাক্তার নুরুজ্জামান এ অপারেশন সম্পন্ন করেন। অপারেশনের দশ দিন যেতে না যেতেই অস্ত্রোপচারের জায়গায় ইনফেকশন হয় এবং ফুলতে শুরু করে। পরে ফ্যামিলি কেয়ারে বেশ কয়েকবার গিয়ে কোনো উপকার হয়নি বরং অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি যশোরের কুইন্স হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখানে কর্তব্যরত গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রীনা বোসের পরামর্শ অনুযায়ী আলট্রাসনোগ্রাম করেন। এ সময় ডা. হামিদা আক্তার রিপোর্টে উল্লেখ করেন যে পেটের মধ্যে ফরেনবডি পরিলক্ষিত হচ্ছে। পরে যশোর সদর হাসপাতালের গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. রীনা বোসসহ তিনজন চিকিৎসক ৩ দফা অপারেশন করে পেট থেকে গজ, ব্যান্ডেজ ও ছোট কাইচি বের করে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। মামলার বাদী আরও জানান, চিকিৎসকদের অবহেলা এবং ভুলের কারণে তার মেয়ের জীবন সংকটাপন্ন। এছাড়া এ পর্যন্ত মেয়ের চিকিৎসা করাতে ২ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। শারমিন আক্তার এখনও যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার মুকুল হোসেনের মোবাইল নাম্বারে ফোন করলে রিসিভ করে জানানো হয় যে,''এটা ডাক্তারের নম্বর নয়। আপনি তার সাথে সরাসরি কথা বলেন''। এই কথা বলে ফোন কেটে দেয়। নড়াইল সদর হাসপাতালের জুনিয়র গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নুরুজ্জামান বলেন, 'এ বিষয়ে আমিও ভালো জানি না। ভালো করে জেনে তারপর জানাবো।

এ ব্যাপারে নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন মামলার কথা স্বীকার করে জানান, বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২৩
ফজর৩:৫৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১০
সূর্যোদয় - ৫:২৪সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫০২৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.