নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ৩০ পৌষ ১৪২৪, ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৯
বইমেলা শুরুর আগেই বাংলা একাডেমির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ প্রকাশকদের
জনতা ডেস্ক
আগামী মাসের প্রথম দিন থেকে শুরু হচ্ছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। তবে মেলা শুরুর আগে প্রস্তুতি পর্বের শুরুতেই বাংলা একাডেমির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রকাশকরা। দ্বিতীয়বারের মতো মেলার ইভেন্ট ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আসা নিরাপদ ইভেন্টসের অব্যবস্থাপনা, বাংলা একাডেমির অসম স্টল বরাদ্দ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে প্রকাশকদের। এদিকে প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ ও তার আয়তন ও সীমানা নির্ধারণ নিয়ে প্রকাশকরা দুই পক্ষে বিভক্ত হয়েছেন। এদের কেউ অভিযোগ করেছেন, বাংলা একাডেমি নিজেই গ্রন্থমেলার নীতিমালার 'ব্যত্যয়' ঘটিয়ে প্রকাশকদের এক পক্ষের দাবি মেনে নিতে যাচ্ছে। তবে মেলার আয়োজক কমিটির পক্ষে বাংলা একাডেমির পরিচালক (বিক্রয় ও প্রকাশনা) ও গ্রন্থমেলা কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ বলেছেন, নীতিমালার বাইরে এসে কোনো সিদ্ধান্তই নেবে না বাংলা একাডেমি। এবার মেলায় সব মিলিয়ে বাংলা একাডেমির দুটি এবং ২৩টি প্রকাশনা সংস্থাকে প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, সেই সঙ্গে বাড়ছে মেলার পরিসর। এবারের মেলায় নতুন ১২টি প্রকাশনা সংস্থাকে প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে গতবার বরাদ্দ পাওয়া সংস্থার মধ্যে এবারও ১১টিকে প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ পেয়েছে। প্রথমবারের মতো প্যাভিলিয়ন পাওয়া নালন্দা, তাম্রলিপি, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ, সময়, বাংলাপ্রকাশের প্রকাশকরা অভিযোগ করছেন, এর আগে যারা মেলায় প্যাভিলিয়ন পেয়েছেন, তাদের 'ষড়যন্ত্রের' শিকার হচ্ছেন তারা। গ্রন্থমেলার নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি প্যাভিলিয়নের জন্য বরাদ্দ ২০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২০ ফুটের প্রস্থের স্টল।

গত বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমি চত্বরে কথা হয় নালন্দার প্রকাশক রেদোয়ান জুয়েল, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশের আদিত্য অন্তর, তাম্রলিপির তারিকুল ইসলাম রণি, সময়ের ফরিদ আহমেদের সঙ্গে; তারা অভিযোগ করছেন, প্রকাশকদের একপক্ষের কারণে তারা এসব 'অসম বণ্টন নীতির শিকার' হতে চলেছেন। নতুন প্যাভিলিয়ন পাওয়া প্রকাশকরা অভিযোগ করেছেন, আগে থেকে প্যাভিলিয়ন পেয়ে আসা প্রকাশকরা নতুনদের বইমেলার এক কোণে ঠেলে দিয়ে নিজেরা সামনের অংশে থাকতে চাইছে। পুরনোরা ২০ ফুটের জায়গা বাড়িয়ে ২৪ ফুট করার প্রস্তাব দিলেও নতুনদের জন্য ২০ ফুট জায়গা বরাদ্দের জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষকে 'চাপ দিচ্ছে' বলেও অভিযোগ করেন তারা। গত বৃহস্পতিবার একাধিক দফায় বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও গ্রন্থমেলা কমিটির সদস্য সচিবের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তারা। শেষে সন্ধ্যায় তারিকুল ইসলাম রণি বলেন, বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, মেলায় কেউ বৈষম্যের শিকার হবেন না। শনিবার (আজ) নাগাদ তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। আমরা আশা করব, প্যাভিলিয়নের আয়তন বাড়লে তা সকলের জন্যই সমানভাবে বাড়বে। পুরনো, নতুনের বৈষম্য থাকবে না। আদিত্য অন্তর বলেন, আমরা শনিবারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করছি। দেখি কী হয়। অন্যদিকে নীতিমালা অনুযায়ী 'মানসম্মত' সৃজনশীল বই প্রকাশ করা হয়েছে, এমন দাবি জানিয়ে প্রকাশনা সংস্থা বেহুলা বাংলা, খড়িমাটি ও টাপুর টুপুর অভিযোগ করেছে, তারা 'অসম বণ্টন নীতির শিকার'।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ১৬
ফজর৩:৫৫
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:২০সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯৩১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.