নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ৩০ পৌষ ১৪২৪, ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৯
নবাবপুর পুলিশ ফাঁড়ির দারোগা জাহাঙ্গীরের চাঁদাবাজিতে ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ
স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর বংশাল থানাধীন নবাবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জাহাঙ্গীর ও এএসআই গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে এলাকার ফুটপাত ও আবাসিক হোটেল থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগে এআইজি সিকিউরিটি সেল, বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

বংশাল থানার ৪১ নবাবপুর রোডের ব্যবসায়ী মো. মোসলেউদ্দিন এ অভিযোগ করেন। মোসলেউদ্দিন তার অভিযোগে জানিয়েছেন, নবাবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর ও এএসআই গোলাম মোস্তফা তার নবাবপুরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে মাসোহারা নেয়। এছাড়া সপ্তাহের শেষের দিকে তাদের নিয়োগকৃত লাইনম্যান সেলিমকে নিয়মিত টাকা দিতে হয়। এছাড়া নবাবপুর থেকে সুন্দরবন স্কোয়ার মার্কেট পর্যন্ত যতগুলো ফুটপাতের

দোকান আছে সবগুলো থেকে নিয়মিত ৩শ টাকা থেকে ৫শ টাকা চাঁদা আদায় করে ঐ দুই পুলিশ কর্মকর্তা। নিয়মিত চাঁদা না দিলে ফুটপাতের দোকান মালিকদের ফাঁড়িতে নিয়ে মারধর করে। নবাবপুরের শ্যামা হোটেল ও মনি মুক্তা হোটেল থেকে মাসিক ৩০ হাজার টাকা মাসোহারা নেয় এসআই জাহাঙ্গীর। সুরিটোলা মাদকপট্টি থেকে সাপ্তাহিক মোটা অংকের টাকা আদায় করে তারা। ফেন্সি জাহাঙ্গীর এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী। তার সাথে ঐ পুলিশ কর্মকর্তার রয়েছে গভীর সম্পর্ক। আর সেই কারণেই ফেন্সি জাহাঙ্গীর প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে ঘুরে মাদক বিক্রি করে থাকে।

এলাকা থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, নবাবপুর পুলিশ ফাঁড়ি না যেন মধুরহাঁড়ি। যত ধরনের নকল জিনিসপত্র এখানে পাওয়া যায়। বংশাল থানা ও নবাবপুর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় এসব অবৈধ পণ্য বিক্রি হচ্ছে। আর এর বিনিময়ে পুলিশ পাচ্ছে মোটা অংকের টাকা। নবাবপুর ও বংশাল এলাকায় কয়েকশত নকল ফ্যান ফ্যাক্টরি ও তারের দোকান রয়েছে। প্রতিটি দোকান থেকেই পুলিশ নিয়মিত চাঁদা আদায় করে। নবাবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তার চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ীরা। সাধারণ ব্যবসায়ীদের ধরে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজানুয়ারী - ২৪
ফজর৫:২৩
যোহর১২:১১
আসর৪:০৪
মাগরিব৫:৪৩
এশা৬:৫৮
সূর্যোদয় - ৬:৪১সূর্যাস্ত - ০৫:৩৮
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৯৮৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.