নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ৩০ পৌষ ১৪২৪, ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৯
দ্বিতীয় মেয়াদে ৪ বছর পূর্ণ
সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় আ'লীগের
সফিকুল ইসলাম
৪ বছর পূর্ণ হলো টানা দ্বিতীয় মেয়াদে (তৃতীয়) ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহাজোট সরকারের। সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের পঞ্চম বছরের শুরু হয়েছে। ধারাবাহিক দ্বিতীয় মেয়াদে গতকাল শুক্রবার পঞ্চম ও শেষ বছরে পদার্পণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের চরম বিরোধিতার মুখে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর ১২ জানুয়ারি সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল।

আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতারা বলছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় এবং মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি 'জয় বাংলা'

সেস্নাগানে আগামী দিনগুলোতে দেশকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।

সূত্রমতে, প্রতিপক্ষের শত ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে আর্থ-সামাজিক প্রতিটি সূচক আজ ইতিবাচকভাবে অগ্রগতির দিকে ধাবমান। সরকার শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করছে, এটাই সরকারের বড় সাফল্য বলে মনে করেন দলটির নেতারা। একইসাথে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনা করছে বলে জানান তারা।

আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করছেন, বিএনপির আন্দোলন মানেই ধ্বংসাত্মক আন্দোলন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিএনপি নির্যাতন করেছে। মসজিদ-মন্দিরে আগুন দিয়েছ। বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়েছে। তাদের অপকর্মের ফলেই জনগণ আমাদের আবার ক্ষমতায় আনবে। তাদের মতে, যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য তারা জামায়াতের হয়ে কাজ কাজ করেছে। হরতাল দিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করতে চাইলেও আমরা অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছি। এ কারণে একাদশ নির্বাচনে দেশের জনগণ তাদের ভোট দেবে না। ১/১১ এর পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার যে অপকর্ম করেছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল এই দেশের জনগণ। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এদেশের সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছিল। এই কারণে নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছিল তারা। একইসাথে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় বসিয়েছে জনগণ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি। এই রণধ্বনিকে যারা অস্বীকার করে, যারা ধারণ করে না, যারা উচ্চারণ করে না তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। আগামী নির্বাচনে দেশের উন্নয়নে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। জয় বাংলাবিরোধী মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী সামপ্রদায়িক শক্তি বিএনপির সাথে লড়াইয়ে মুক্তিযুদ্ধের শক্তি বিজয়ী শক্তি বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হবো।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, উন্নয়নের চাকা যেভাবে ঘুরছে, তাতে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন করে যাচ্ছে বলেই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে, তারা শান্তিতে আছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের উন্নয়নের সাথে জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে হবে। আগামী দিনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান শিল্পমন্ত্রী।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সরকার শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করছে, এটাই সরকারের বড় সাফল্য। তিনি বলেন, অত্যন্ত দক্ষতার সাথে আমরা সরকার পরিচালনা করেছি। তিনি বলেন, অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এই ৫ বছরে একটি সময় বাদ দিলে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল অবস্থার মধ্য দিয়ে সরকার পরিচালনা করা হয়েছে। এ ৪ বছরে দেখবেন হরতাল কিন্তু অকার্যকর হয়ে গেছে। বরং গত দুই-তিন বছরে আপনারা দেখছেন শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল পরিবেশ দেশে আছে। এটা আমাদের সরকারের প্রথম সফলতা। আমাদের নেত্রীর দৃঢ় পদক্ষেপের কারণে রাজনীতি স্থিতিশীল হয়েছে। এখন মানুষ মনে করে, শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প মানুষের সামনে নেই। একই বিষয়ে মত দিয়েছেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। তিনি বলেন, সরকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রাখতে সক্ষম হয়েছে। সেইসাথে তার প্রত্যাশা উন্নয়নের সাথে গণতন্ত্র ও মানবতার সমন্বয় করে দেশ এগিয়ে যাবে সামনের দিকে। তার মতে, টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে সরকার এগিয়ে নিচ্ছে উন্নয়ন কাজ। বিশেষ করে বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেলের মতো বড় প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। উন্নয়ন লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই পথে এগিয়ে চলাকে সরকারের বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ১৬
ফজর৩:৫৫
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:২০সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯২৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.