নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ৩০ পৌষ ১৪২৬, ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১
'মূর্খে রচিল গীত...!'
সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা
'ভুল' অতিমানবীয়! অবশ্য শুধুমাত্র অনিচ্ছাকৃত ভুলগুলোকেই মানবীয় বিবেচনা করা হয়। কিন্তু কোনো ভুল যদি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত বা অবহেলা-উদাসীনতার কারণে হয় তাহলেই দেখা দেয় বিপত্তি। এজন্য চড়া মাশুলও গুণতে হয় সংশ্লিষ্টদের। যেমনটি হয়েছে সর্বসম্প্রতি বহুল আলোচিত-সমালোচিত রাজাকারের তালিকা নিয়ে। তালিকাতে ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ কেউ রাজাকার হিসেবে স্থান পেয়েছেন। এসব অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে আবার চিহ্নিত রাজাকাররা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। অবশ্য ভুলের কথা কবুল করে নিয়েই সংশ্লিষ্টরাই প্রকাশিত তালিকা ইতোমধ্যেই প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এমনকি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয় এই তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশকে মানবীয় ভুল নয় বরং 'বেআক্কেলের কাজ' বলে আত্মস্বীকৃতি দিয়েছেন। ক্ষমাও চেয়েছেন এজন্য।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের রাজাকারের তালিকা প্রকাশ নিয়ে সরকার ও বিরোধী মহলে পরস্পর বিরোধী আশাবাদ-আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়েছিল। সরকার পক্ষ এই ভেবে উল্লসিত ছিল যে, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী এমনকি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যারা হত্যা, ধর্ষণ, লুটতরাজ ও অগি্নসংযোগের সাথে জড়িত ছিলেন এসব রাজাকারের একটি নির্ভুল তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে দেশ ও জাতির সামনে স্বাধীনতাবিরোধীদের স্বরূপ উন্মোচন করা হবে। পক্ষান্তরে বিরোধীরা শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের চরিত্র হননই হবে তালিকা প্রকাশের মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বহুল প্রত্যাশিত এই তালিকা কোনো পক্ষের আশাবাদ-আশঙ্কাকে বাস্তবতা দেয়নি বরং এই তালিকা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকেই সংক্ষুব্ধ ও বিচলিত করেছে। মধ্যখানে কথিত 'গরীরের বৌ' খ্যাত রাজনীতির পাত্র-মিত্ররা নেপথ্যে হেসেছেন। কারণ, তারা শঙ্কায় ছিলেন যে, সম্ভাব্য তালিকার সিংহভাগ দখল করবে তাদের নাম। কিন্তু বাস্তবে হয়েছে তার উল্টোটা। ক্ষমতায় থেকেও ক্ষমতাসীনরা প্রকাশিত তালিকাকে নিজেদের অনুকূলে নিতে পারেননি। বিশ্ব ইতিহাসে এমন 'আত্মঘাতী গোল' শুধু ফুটবল খেলাতে কালেভদ্রে দেখা যায়।

মূলত 'রাজাকার' বা 'রেজাকার' হলো ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক গঠিত আধাসামরিক বাহিনী। বাংলাদেশে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধ করার জন্য ১৯৭১ সালে রাজাকার বাহিনী গঠিত হয়েছিল। টিক্কা খানের সরকার তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে বাধ্যতামূলকভাবে অনেক চোর-ডাকাত ও সমাজবিরোধীকে রাজাকার বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত করেছিল।

আসলে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য রাজাকার বাহিনী গঠিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ১ জুন জেনারেল টিক্কা খান 'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স-১৯৭১' জারি এবং আনসার বাহিনীকে রাজাকার বাহিনীতে রূপান্তরিত করেন এবং তাদের সেনাবাহিনীর সদস্যরূপে স্বীকৃতি দেয়া হয়। পরে রাজাকার বাহিনী একটি স্বতন্ত্র অধিদফতরের মর্যাদায় উন্নীত হয়। অবশ্য স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এই 'রাজাকার' শব্দের ওপর রাজনৈতিক বার্ণিশ লাগানোর অভিযোগও বেশ জোরালো।

প্রকাশিত তালিকায় অনেক মুক্তিযোদ্ধার নাম রাজাকারের তালিকায় স্থান পেয়েছে, এমনকি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভাতাপ্রাপ্তদের নামও এসেছে এই তালিকায়। অতীতের অভিযোগ হচ্ছে, অমুক্তিযোদ্ধাদের নামও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় রয়ে গেছে। যুদ্ধের সময় ৫-৭ বছর বয়স ছিল এমন অনেকের নামও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় থাকার খবরও পত্রিকান্তরে প্রকাশিত হয়েছে। তাই যাদের নাম রাজাকারের তালিকায় আসা নিয়ে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, তাদের অধিকাংশের মুক্তিযোদ্ধা হওয়া নিয়ে সন্দেহ করা না গেলেও অতীতে যাদের নাম মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় স্থান পেয়েছে, সেই তালিকা তাদের রাজাকার না হওয়ার যুক্তি বা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হওয়ার সুযোগ নেই। অন্তত সদ্য স্থগিতকৃত রাজাকারের তালিকা সে বার্তাই দিয়েছে।

অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তালিকা প্রস্তুতে তথ্য, উপাত্ত, প্রামাণ্য দলিল, যুক্তি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কোনো কিছুকেই গুরুত্ব দেয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী মহোদয়ের বক্তব্য হচ্ছে, 'আমরা নিজেরা কোনো তালিকা প্রস্তুত করিনি। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিরা যে তালিকা করেছে, আমরা শুধু তা প্রকাশ করেছি। সেখানে কার নাম আছে, আর কার নাম নেই, সেটা আমরা বলতে পারব না।' এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য হচ্ছে, '...মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রাজাকারের লিস্ট করবে। তারা চিঠি পাঠিয়েছিল, আমাদের কাছে যেসব তথ্য আছে সেগুলো যেন পাঠানো হয়।... আমরা প্রাথমিকভাবে দালাল আইনে যাদের নামে মামলা হয়েছিল, সেই লিস্টটা পাঠিয়েছি।' স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা যদি সত্য হয়, তাহলে দালাল আইনে মামলা তো পাকিস্তানিরা করেনি, করেছে বাংলাদেশ সরকার। তাহলে 'এই তালিকা পাকিস্তানিরা করে গেছে'-মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর এ দাবি তো হালে পানি পায় না।

তালিকায় ৩০ জনের বেশি নারী, প্রায় শতাধিক হিন্দু এবং রাজশাহী, বরগুনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার নাম এসেছে, যারা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে পরিচিত। এসেছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার নামও। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর বক্তব্য হচ্ছে, 'স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যে তালিকা পেয়েছি, হুবহু তা প্রকাশ করেছি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও সে সময়ের সরকারি রেকর্ড দিয়েছে, নতুন তালিকা করেনি।' তার এ মন্তব্যও তার আগের মন্তব্যটাকে যৌক্তিকতা দেয় না। কারণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠিয়েছে দালাল আইনে হওয়া মামলার তালিকা। ফলে রাজাকারের তালিকার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অবহেলার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

জানা গেছে, মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো তালিকার সঙ্গে একটা নোট দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার ভাষায়, 'আমার মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো নোটটি ভালোভাবে আমলে নিলে এমন পরিস্থিতি হতো না। আসলে নোটটি আমলে নেয়া তো দূরের কথা, পড়েও দেখা হয়নি।' স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আসলেই একটা নোট পাঠানো হয়েছিল বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। মূলত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নোট মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় পড়ে দেখার প্রয়োজনই বোধ করেননি। ফলে 'কানাহরি দত্ত' মার্কা একটা তালিকাই প্রস্তুত করে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়। যার মাধ্যমে রাষ্ট্রের সম্মানিত নাগরিকদের চরিত্র হনন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মূলত পাকিস্তানিদের তালিকাভুক্ত অথবা ভাতাপ্রাপ্ত রাজাকারদের তালিকা তুলনামূলকভাবে বেশি বিশ্বাসযোগ্য হতে পারত। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত তালিকা জেলা প্রশাসকের কাছে চাওয়াও হয়েছিল। মন্ত্রীর ভাষায়, 'সেই সময় ১৯টি জেলা ছিল। জেলা প্রশাসকের বলা হয়েছে ওই সময়ে তাদের রেকর্ড রুমের তালিকা দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য। দুঃখজনক হলো সেভাবে আমরা সহযোগিতা পাইনি'। এ তালিকা বিষয়ক ঘটনায় একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, প্রশাসনের মাঝারি পর্যায়ের কর্মকর্তারাও একজন মন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, জনগণের ম্যান্ডেটহীন অবস্থায় ক্ষমতা টিকিয়ে থাকার স্বার্থে সরকার প্রশাসনের ওপর চরমভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। তাই তাদের পক্ষে জনপ্রশাসনের ওপর কোনো প্রভাব খাটানো সম্ভব হচ্ছে না বলেই মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।

এ তালিকা তৈরিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ৬০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছিল এমন একটা খবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পত্রিকায় এসেছিল। পরে অবশ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন তথ্য অস্বীকার করেন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য হচ্ছে, ৬০ কোটি কেন, ৬০ পয়সাও খরচ হয়নি। তবে ৬০ কোটি টাকা খরচের বিষয়টি সরকারি মহলের কাছে অতিশয়োক্তি মনে হলেও ৬০ পয়সাও খরচ হয়নি মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের এমন বক্তব্যকেও কেউই গ্রহণ করতে রাজি হচ্ছেন না।

একথা অস্বীকার করা যাবে না যে, চলমান নানা ইস্যুতে জাতি বহুধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। সেক্টর কমান্ডার এবং বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্তদের রাজাকার বলা হচ্ছে সরকারি দলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। তখন সরকারি ব্যবস্থাপনায় যেকোনো তালিকা নতুন করে জটিলতা তৈরি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার নতুন হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে এমন অভিযোগও কেউই উড়িয়ে দিচ্ছেন না। আর প্রকাশিত প্রথম তালিকা যেভাবে হোঁচট খেয়েছে তাই পরবর্তীতে যেকোনো তালিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রহণযোগ্য করে তোলা খুব একটা সহজসাধ্য হবে বলে মনে হচ্ছে না।

১৯৭১ সালে কারা রাজাকার ছিল তা জানার কৌতূহল রাষ্ট্রের সকল নাগরিকেরই। কিন্তু সদ্য প্রকাশিত ও স্থগিতকৃত তালিকা যেভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কের জন্ম দিয়েছে তা আমাদের জন্য মোটেই সুখস্মৃতি বয়ে আনেনি। মুক্তিযোদ্ধা নন কিংবা রাজাকার ছিলেন এমন কোনো মানুষের নাম মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আসা অন্যায়, কিন্তু এটি বিপর্যয়কর নয়। কিন্তু একজন মানুষ যিনি রাজাকার ছিলেন না, তার নাম রাজাকারের তালিকায় আসা জাতীয় ক্ষেত্রে নতুন করে সঙ্কটের জন্ম দেবে। এতে সন্দেহ করার কোনো সুযোগ নেই।

শুধু দালাল আইনে অভিযুক্ত কিংবা বিভিন্ন এলাকার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের দেয়া তালিকা থেকে নাম নিয়ে প্রকাশ করে দিলেই সেটা একটা সত্যিকারের রাজাকারের তালিকা হয়ে উঠবে-তাও ঠিক নয়। এভাবে যেনতেনভাবে দায়সারা গোছের কোনো তালিকা করা অনৈতিক, বেআইনি ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ব্রিটিশ আইনবিদ উইলিয়াম বস্ন্যাকস্টোন রেশিও'র মন্তব্য বেশ প্রণিধানযোগ্য। তার ভাষায়, 'আইনের দ্বারা একজন নির্দোষ ব্যক্তি ভুক্তভোগী হওয়ার চেয়ে দশজন দোষী ব্যক্তির মুক্তি পাওয়া অনেক ভালো।'

রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো কারো অধিকার হরণ নয় বরং নাগরিকের সকল অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা। তাই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার বিষয়ে রাষ্ট্রকে বারবারই সতর্ক থাকবে হবে। একজন যাতে বৈষম্য বা নিপীড়ন ছাড়া সমাজ ও রাষ্ট্রের বেসামরিক ও রাজনৈতিক জীবনে অংশগ্রহণ করতে পারে তার নিশ্চয়তা প্রদান করার দায়িত্ব রাষ্ট্রেরই। তাই জাতীয় কোনো দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ভুল মোটেই সমীচীন নয়।

ইচ্ছাকৃত ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ সাময়িক প্রভাব ফেলতে পারলেও তা কখনোই চিরস্থায়ী হয় না। যেমন হয়নি মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কানা হরিদত্তের ক্ষেত্রে। কানাহরি দত্ত ১২-১৩ শতকের উল্লেখযোগ্য কবি। তার কাব্য প্রতিভা সমসাময়িককালে সারা জাগাতে পারলেও সৃষ্টি শৈলীর দুর্বলতাগুলো ধরা পরে ১৫ শতকের কাব্য প্রতিভা বিজয়গুপ্তের সময়ে। কবি বিজয় গুপ্ত কানাহরি দত্তের কাব্যের ত্রুটি-বিচ্যুতি উল্লেখ করেছেন তীর্ষক ভাষায়। বিজয় গুপ্তের ভাষায়,

'মূর্খে রচিল গীত, না জানে বৃত্তান্ত।

প্রথমে রচিল গীত, কানাহরি দত্ত।'

তাই জাতীয় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় সতর্ক থাকতে হবে যাতে পরবর্তীতে তা কানাহরি দত্তের কাব্যের মতো তীর্ষক সমালোচনার মুখোমুখি না হয়। আর তা কোনো জাতি-রাষ্ট্রের জন্যও কল্যাণকর নয়।

সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা : সাংবাদিক
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ৪
ফজর৩:৪৮
যোহর১২:০৩
আসর৪:৪৩
মাগরিব৬:৫৩
এশা৮:১৭
সূর্যোদয় - ৫:১৫সূর্যাস্ত - ০৬:৪৮
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩৩৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.