নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, সোমবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৯ মাঘ ১৪২৫, ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪০
জনতার মত
সেলফি নাকি মানসিক রোগ?
আলী ফজল মোহাম্মদ কাওছার
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্যে জনপ্রিয় এক মাধ্যমের নাম ফেসবুক। যেটি আমাদের দেশসহ সমগ্র বিশ্বে সর্বশ্রেণির মানুষ ব্যবহার করে থাকে। ফেসবুকে ছবি আপলোড করার জন্য তার ব্যবহারকারী বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছবি তুলে থাকেন। বিয়ে কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করা এখন একটি সাধারণ কাজ। এখন যেন ফেসবুকে ছবি আপলোড না করলে অনুষ্ঠানগুলোর পরিপূর্ণতা আসে না। সেই ছবি তোলার অন্যতম হচ্ছে সেলফি তোলা। সেলফি মানে আমি আর 'আমিত্ব' তাই সেলফি মূলত আত্মপ্রচার। 'সেলফি' তে আত্মপ্রচার যেন এখন প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে।

সেলফি তোলাকে কেন্দ্র করে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে। যা আমাদের সমাজে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সেলফি তুলতে গিয়ে অনেকে ট্রেনের নিচে কাটা পড়া কিংবা হাঙ্গরের খাদ্যে পরিণত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এগুলো সত্যি দুঃখজনক ঘটনা। সেলফি তুলতে গিয়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে অনেক তরুণ-তরুণীর মৃত্যু ঘটেছে।

এর থেকে কি পরিত্রাণের সুযোগ নেই? কেন সামান্য সেলফি তোলার জন্য একজন মানুষের প্রাণ চলে যাবে? একটি জীবন থেকে কি সেলফির মূল্য বেশি? সেলফি তুলবেন ভালো কথা কিন্তু কেন সেলফি তোলার জন্য বিপজ্জনক স্থান বেছে নেয়া? সেলফি তোলার জন্য তো অনেক সুন্দর জায়গা আছে, যেগুলো বিপজ্জনকও নয়। সেসব জায়গায় সেলফি তুললে তো আর বিপদের সম্মুখীন হতে হয় না। বর্তমান সমাজে যেভাবে সেলফি তোলার মানসিকতা সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো সেলফি তোলা, নাকি বিকৃত মানসিকতা, নাকি মানসিক রোগ? অনেক সময় দেখা যায় মৃত মানুষের সাথে ছবি তোলা কিংবা একজন মৃত মানুষের দাফন কাফনের সময় কিংবা শেষকৃত্যের সময় সেলফি তোলা এগুলো আমাদের কি রকম মনমানসিকতার পরিচয়? এছাড়া বিভিন্ন ধর্মের কিছু মানুষ তাদের বিভিন্ন ধর্মীয় কাজ করতে গিয়ে সেলফি তোলে। লোক দেখিয়ে ধর্ম কর্ম পালন করা কি ধর্মগুলো সমর্থন করে। এদিকে আমাদের লক্ষ্য দেয়া জরুরি নয় কি? আমরা কি আমাদের সুস্থ মনমানসিকতার পরিচয় দিতে পারি না। একজন মানুষ মারা গেলে তার পরিবার কি রকমের মানসিক আঘাত পায় একমাত্র সেই পরিবার বলতে পারে। আমরা কেন সেই পরিবারের মৃত মানুষটির ছবি তুলতে যাব। এতে তো সেই পরিবারের মানসিক কষ্ট বেড়ে যেতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত সেলফিবাজির কারণে সমাজে তাদের নিয়ে হাসাহাসি করে। আমরা কেন আমাদের বিকৃত মানসিকতার কারণে সমাজের কাছে হাসাহাসির পাত্র হবো। এদিকে কি আমাদের লক্ষ্য রাখা জরুরি নয়? আমাদের ভাববার সময় এসেছে, ভাবুন আমাদের বিকৃত মানসিকতার জন্য আমরা আমাদের জীবন নামের মূল্যবান সম্পদকে যেন হারিয়ে না ফেলি কিংবা মানুষের মনে কষ্ট না দেই। সেলফিকে কেন্দ্র করে যে মৃত্যুগুলো ঘটেছে তার থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া একান্ত জরুরি।

আলী ফজল মোহাম্মদ কাওছার : লেখক

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীআগষ্ট - ২০
ফজর৪:১৬
যোহর১২:০২
আসর৪:৩৬
মাগরিব৬:৩১
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:৩৬সূর্যাস্ত - ০৬:২৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৩০৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.