নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, সোমবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৯ মাঘ ১৪২৫, ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪০
কেন্দুয়ায় পল্লী বিদ্যুতের নতুন লাইন নির্মাণে গ্রাহকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
সরকারের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, আলোর ফেরিওয়ালা বা ভ্রাম্যমাণ বিদ্যুৎ বিতরণের নানা প্রসংশনীয় উদ্যোগের ফলে গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষও আজ বিদ্যুতের সুফল পাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়নের বিদ্যুৎ বঞ্চিত ভূইয়াপাড়া গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের নতুন লাইন নির্মাণের টেন্ডার হয়। যার লট নম্বর-৪২৬১। কাজ পান নেত্রকোণার হাফিজ মিয়া নামে এক ঠিকাদার। এই ঠিকাদারের বিরুদ্ধেই দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার লিখিত অভিযোগ করেছেন ভূইয়াপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারসহ স্বাক্ষরিত ৭৩ জন গ্রাহক। ঢাকা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও নেত্রকোণা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

গত বৃহস্পতিবার কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে গ্রাহক আব্দুস সাত্তারসহ কয়েকজন সাংবাদিকদের জানান, আমাদের ভূইয়াপাড়া গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের নতুন লাইন নির্মাণের টেন্ডার হলে হাফিজ মিয়া নামে এক ঠিকাদার এ কাজ পান। গ্রাহকরা দ্রুত বিদ্যুৎ পেতে ঐ ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মিটার প্রতি ১ হাজার করে টাকা দাবি করেন। পরে গ্রামবাসী বৈঠক করে দ্রুত বিদ্যুৎ পাওয়ার আশায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে খবর দিলে গত আষাঢ় মাসে স্থানীয় বেখৈরহাটী বাজারে আসেন ঠিকাদার হাফিজ মিয়া। পরে গ্রাহক আব্দুস সাত্তার, লিটন, সিরাজুল, বকুল, কাঞ্চন, সোহাগ, সেকুল, বারেক, মোনায়েম, মহসিন, জিয়া, আ. আলী, রসুল মিয়া মিলে দেড় লাখ টাকা ঠিকাদারের হাতে তুলে দেন। এর ৮/১০ পর ঠিকাদার ১৮টি বিদ্যুতের খুঁটি গ্রামে পাঠায়। এরপর কাজের আর কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় ঠিকাদার হাফিজের কাছে গেলে শুরু করেন নানা টালবাহানা। এভাবে ১ মাস যাওয়ার পর জানতে পারেন এ কাজ অন্য এক ঠিকাদারের হাতে চলে গেছে।

গ্রাহকরা যোগাযোগ করলে হাফিজ মিয়া জানান, স্বপন মিয়া নামে অন্য একজনের কাছে এ কাজ বিক্রি করে দিয়েছি তার কাছে যান। পরে স্বপন মিয়ার কাছে গেলে স্বপন মিয়া জানান, আমি তো টাকা নেইনি আপনারা হাফিজের কাছে যান। এই দুইজনের ঠেলাঠেলিতে গ্রাহকরা এখন দিশেহারা হয়ে পরেছেন। অপরদিকে একটি দালালচক্র স্বপন মিয়ার পক্ষে মিটার প্রতি ৪/৫ হাজার টাকা করে নিচ্ছেন বলেও তারা দাবি করেন। এরই প্রেক্ষিতে তারা চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি লিখিত অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে ঠিকাদার হাফিজ মিয়ার বক্তব্য নিতে মোটেফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

পরে নেত্রকোণা পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার মুজিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমাদের এখানে অভিযোগ অনেক আসে আজ বলতে পারব না আগামী শনিবার যোগাযোগ করেন দেখে বলতে পারব।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ১৭
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫৩
মাগরিব৫:৩৪
এশা৬:৪৬
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৮২০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.