নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, সোমবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৯ মাঘ ১৪২৫, ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪০
সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ
যুদ্ধাপরাধ মামলা থেকে নাম বাদ দেয়ার আশ্বাস দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতার অর্থ আত্মসাৎ
স্টাফ রিপোর্টার
হবিগঞ্জে যুদ্ধাপরাধ মামলা থেকে নাম বাদ দেয়ার কথা বলে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার মামদপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল খায়ের গোলাপের স্ত্রী মিনারা বেগম সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ

করে বলেন, তার স্বামী আবুল খায়ের গোলাপ দীর্ঘ ২৫ বছর নবীগঞ্জের ১১নং গজনাইপুর ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ঐ ইউনিয়নের তিনবারের চেয়ারম্যান তিনি। তারই চাচাতো ভাই শাহনেওয়াজ একসময় ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। পরবর্তীতে তার স্বামী আবুল খায়ের গোলাপ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার স্বামীর কাছে শাহনেওয়াজ বারবার পরাজিত হন। সে থেকে শাহনেওয়াজ গোলাপের সাথে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হন। শেষ পর্যন্ত শাহনেওয়াজ তার স্বামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ মামলা সাজান। ঐ মামলায় তার স্বামী বর্তমানে জেলে রয়েছেন। মিনারা বলেন, আমার স্বামীর নাম ঐ মামলা থেকে বাদ দেয়ার আশ্বাস দিয়ে শাহনেওয়াজের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা ফয়েজ আমিন রাসেল আমাদের পরিবার থেকে ৪৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এই মামলাটি দিয়ে শাহনেওয়াজের পরিবার এবং মামলার বাদী ও সাক্ষীরা স্থানীয় মানুষদের নানাভাবে হয়রানি করছে।

মিনারা বলেন, ১৯৭১ সালে দিনারপুর হাইস্কুল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আমার স্বামী এখনো ঐ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আছেন। তিনি নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি জেলা যুবলীগেরও সদস্য ছিলেন। গোলাপকে গ্রেফতারের পর শাহনেওয়াজ ও তার ছেলে রাসেল নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। এর মূল কারণ ছিল আমাদের পরিবার থেকে অর্থ আত্মসাৎ করা। বছরখানেক আগে সে জানায়, টাকা দিলে এই মামলা থেকে অব্যাহতি পাবেন আমার স্বামী। যে কারণে আমি আমার সারা জীবনের সঞ্চিত সম্পদ স্বর্নালংকার বিক্রি করে এবং আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে মোট ৪৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা রাসেলকে দেই। ঐ টাকা নিয়ে এখন নানা টালবাহানা করছেন। টাকা ফেরত চাইলে বলে ঐ মামলা সাজাতে আমার অনেক টাকা খরচ হয়েছে। সে বাবদ টাকা নিয়েছি। আর এ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে যে-ই কথা বলছেন তাদেরই নানাভাবে হয়রানি করছেন। মিনারা বলেন, শাহনেওয়াজ এর আগেও তার স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা গুম ও অস্ত্রের মামলা দায়ের করেন। কিন্তু ঐ মামলা থেকে তার স্বামী অব্যাহতি পেয়েছেন। সম্প্রতি শাহনেওয়াজ ও তার ছেলের এই কর্মকা-ের বিরুদ্ধে স্থানীয় ৬ গ্রামের বাসিন্দারা এলাকায় একটি সমাবেশ করেন। তারা আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরত চেয়েছেন। এ নিয়েও স্থানীয় বাসিন্দাদের নানাভাবে হয়রানি করছে শাহনেওয়াজ ও তার ছেলে। মিনারা ঐ টাকা ফেরত চেয়েছেন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীএপ্রিল - ২৫
ফজর৪:০৯
যোহর১১:৫৭
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৭
এশা৭:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:২৯সূর্যাস্ত - ০৬:২২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪২৪৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.