নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, সোমবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৯ মাঘ ১৪২৫, ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪০
নদী রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ দরকার
নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদে আগেও অনেক অভিযান চালানো হয়েছে। কিছু স্থাপনা ভেঙেই অভিযান শেষ। ভাঙা স্থাপনার অবশিষ্টাংশও সরানো হয়নি। অভিযান শেষ হতেই অবৈধ দখলকারীরা আবার স্থাপনা তৈরি করেছে। এর ফলে সেসব অভিযানে কিছু অর্থের গচ্চা যাওয়া ছাড়া কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এ অবস্থায় গত ২৯ জানুয়ারি থেকে বুড়িগঙ্গার তীরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। চিহ্নিত করা ৯০৬টি অবৈধ স্থাপনার বেশির ভাগই গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। অভিযান চলবে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের অভিযানের চরিত্র আগের অভিযানগুলো থেকে আলাদা। অনেক হোমরাচোমরা ব্যক্তির স্থাপনা, এমনকি সরকারি স্থাপনাও ভেঙে দেয়া হচ্ছে। স্থাপনার ভাঙা অংশ, রাবিশ ইত্যাদি একই সঙ্গে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। একইভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে কর্ণফুলী নদীর দুই তীরেও। ফলে এবারের অভিযানকে নদী দখলের বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দখলমুক্ত করার পরপরই নদী খনন, তীর সংরক্ষণ, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, বনায়নসহ নানামুখী উদ্যোগ নেয়া হবে, যাতে আবার নদী দখলের সুযোগ না থাকে।

বললে অত্যুক্তি হবে না যে বাংলাদেশে নদী দখলের হিড়িক শুরু হয়েছিল। বিশেষ করে, বড় শহরগুলোর পাশে থাকা নদীগুলোর জমি দখল হয়েছে সবচেয়ে বেশি। দখল ও ভরাটের কারণে বাস্তবে অনেক নদী মরে গেছে, অনেক মৃতপ্রায়। শুধু শহর নয়, গ্রামাঞ্চলেও ভরাট হয়ে আসা নদীর জায়গা এখন আবাদি জমি। কলকারখানা, ইটভাটা এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকা-ও হচ্ছে নদীর জায়গায়। প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, শুধু খুলনার পাঁচটি উপজেলায় নদীর জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে ২৭টি ইটভাটা। এমন চিত্র কমবেশি সারা দেশেরই। ফলে নদীগুলো নাব্যতা হারাচ্ছে। বর্ষার পানি নামতে পারে না। বন্যা ও জলাবদ্ধতায় প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার ফসল নষ্ট হয়। নদী শুকিয়ে যায় বলে ভূগর্ভে পর্যাপ্ত পানি প্রবেশ করতে পারে না, পানির স্তর ক্রমেই নিচে নেমে যাচ্ছে এবং দেখা দিচ্ছে মরুকরণ প্রক্রিয়া। এমনই আরো অনেক ক্ষতি হচ্ছে। এসব কারণে বলা হয়, নদী না বাঁচলে বাংলাদেশও বাঁচবে না। তা সত্ত্বেও ব্রিটিশ আমলের পর থেকে আমাদের নদীগুলো খননের প্রক্রিয়া নেই বললেই চলে। এর অন্যতম কারণ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

জানা যায়, বুড়িগঙ্গায় উচ্ছেদ অভিযানের মধ্যেই সিটি করপোরেশনের ট্রাক ও ভ্যান থেকে নদীতে ময়লা ফেলা হচ্ছে। ঢাকার চারপাশের নদীগুলো ভরাট হওয়ার পেছনে এই গৃহস্থালি বর্জ্যও একটি অন্যতম কারণ। সিটি করপোরেশনকে অবিলম্বে এই আত্মঘাতী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বন্ধ করতে হবে। নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, সবার সম্মিলিত প্রয়াসই শুধু পারে আমাদের নদীগুলোকে রক্ষা করতে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ৬
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫০
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৬২২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.