নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
আড়াইহাজারে নিষিদ্ধ গাইড বইয়ের রমরমা ব্যবসা
আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
আড়াইহাজারে নিষিদ্ধ নোট ও গাইড বইয়ের রমরমা ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কিছু অসাধু শিক্ষকের নির্দেশে শিক্ষার্থীরা এসব বই কিনতে বাধ্য হচ্ছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, প্রথম থেকে অস্টম শ্রেণী পর্যন্ত নোট বই মুদ্রণ, বাঁধাই, আমদানি, বিতরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ এবং আইন অমান্যকারীদের সাত বছরের সশ্রম কারাদ- বা ২৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা কিছু বইয়ের দোকানে দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণীর নিষিদ্ধ নোট ও গাইড বইয়ে সয়লাব হয়ে গেছে। এসব দোকানে বিভিন্ন প্রকাশনীর গাইড বিক্রি হচ্ছে।

নাম প্রকাশ করার শর্তে একাধিক অভিভাবক বলেন, 'সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছেলের জন্য স্কুলের স্যারের কথা মতো গাইড বই কিনতে হয়েছে। দাম নিয়েছে ৭৫০ টাকা।

সৃজনশীল ও অনুশীলনমূলক বইয়ের নামে নিষিদ্ধ নোট ও গাইড বই কিনতে অভিভাবকদের বাধ্য করে মুনাফা লুটছে একটি অসাধু চক্র। কয়েকজন বইয়ের দোকানি বলেন, শিক্ষকরা বাধ্য করছে বলেই আমরা বিক্রি করছি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করছে শিক্ষকরা। তারা বলছে কোনো শিক্ষার্থীকের বাধ্য করে দেয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকটি কোম্পানির লোকজন স্কুল চলাকালীন সময়ে স্কুলে গিয়ে পড়ালেখার বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। গাইডগুলোর মধ্য রয়েছে, জননী প্রকাশনা, লেকটার প্রকাশনা, পাঞ্জেরী, অনুপম প্রকাশনা রয়েছে। তবে জননী সকলকে বাধ্যতামূলক করে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

আড়াইহাজার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি লোকমান হোসেন জানান, আমরা কোনো বইয়ের দোকানে বা শিক্ষার্থীদের বাধ্য করি নাই।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস এম আবু তালেব বলেন, 'অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত সব ধরনের নোট বা গাইড বই নিষিদ্ধ। তাই যে কোনো নামেই হোক এ ধরনের গাইড ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। কোনো স্কুল কর্তৃপক্ষ বা শিক্ষক গাইড ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমি প্রতিটি স্কুলে গিয়ে শিক্ষকদের নিকট থেকে লিখিত এনেছি । যাতে গাইড বই না পড়ান। তবে গাইডের কোম্পানির লোকজন স্কুলে গিয়ে সহায়ক বই হিসেবে শিক্ষকদের কিছু বই দেয়া অভিযোগ রয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার রাফেজা খাতুন বলেন, আমরা নোট বা গাইড বই নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। কোথায় যদি পাওয়া যায় শোকজ করা হবে। গত বছর কয়েকজন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছিল। আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া খান বলেন, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অনেকগুলো গাইড জব্দ করা হয়েছে। কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ২৩
ফজর৩:৪৭
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৪
মাগরিব৬:৪০
এশা৮:০২
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৬৯৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.