নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
কোটচাঁদপুর বলুহর বাঁওড় ম্যানেজারের লাগামহীন দুর্নীতি
কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
কোটচাঁদপুর বলুহর বাওরে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে মাছ আহরণের শুরু থেকেই চলছে দুর্নীতি, অনিয়ম ও লুটপাটের মহোৎসব । আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ২০০ টন নির্ধারিত থাকলেও তা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থ বছরেও বাওর ম্যানেজার সিদ্দিকুজ্জামানের দুর্নীতির কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। আবারও চলতি অর্থ বছরে দুর্নীতিবাজ ম্যানেজার মাছ আহরণের নামে সবাইকে ম্যনেজ করে লুটপাটের মহৎসবে মেতে উঠেছেন। ২৮৬ হেক্টর আয়াতনের বাওরটিতে প্রতি অর্থ বছরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে মাছ আহরনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং বাওরের কচাল ও কোমর থেকে মাছ আহরণ করে অফিসে এনে স্থানীয় ভোক্তাদের সরকারি দামে মাছের চাহিদা মিটিয়ে অবশিষ্ট মাছ গ্রেড অনুপাতে ওজন দিয়ে অফিসের আইচ ভ্যানে করে বাইরের বাজারে বিক্রয় করার নিয়ম থাকলেও তা না করে বাওড় ম্যানেজার সম্পূর্ণ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাতের আধারে গোপন স্থানে বাওরের বড় বড় রুই ,কাতলা, গ্লাসকার্প , ফেন্সীকার্প , সিলভারকার্প সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উঠিয়ে কোন গ্রেড অনুপাতে ওজন ছাড়ায় পিকআপে ও ইঞ্জিনচালিত আলমসাধুতে ভরে কুষ্টিয়া , চুয়াডাঙ্গা , বারবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে নিয়ে সরকারি রেটের তিনগুন দামে বিক্রয় করছেন । মাছ বিক্রয়ের ৪০ শতাংস টাকা মৎস্যজীবীদের মিটিয়ে দিলেও , সুকৌশলে বিক্রয় ভাউচারে দেখানো হচ্ছে মৎস্য অধিদফতর কর্তৃক নির্ধারিত সর্বনিম্ন ছিলভার কার্প মাছের রেট ৭০ টাকা কেজি । আর বাওর ম্যানেজার সরকারি ভলিউম খাতায় মাছের সর্বনিম্ন গড় রেট ৭০ টাকা দেখিয়ে অতিরিক্ত লাখ লাখ টাকা লুটপাটের মহোৎসবে মেতে উঠেছেন বলে সূত্রটি জানিয়েছেন । সুত্রটি আরও জানায় এ লুটপাটের সহযোগিতায় আছেন আওয়ামী লীগ নামধারী কিছু নেতা । অন্যদিকে স্থানীয় ভোক্তারা বাওরে যেয়ে সারাদিন ধর্না দিয়ে সরকারি দরে মাছ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন যারা হাত গোটাতে পারবে আর আওয়ামী লীগের নেতা হতে পারবে তারাই বাওড়ের মাছ খেতে পারবে । স্থানীয় কিছু ভোক্তাদের ছোট ছোট মাছ দিলেও তার কোন ভাউচার দেয়া হয়না । এব্যাপারে কথা হয় বলুহর বাওড় মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রঞ্জিত হালদারের সাথে তিনি জানান আমাদের কিছুই করার নেই , সবকিছু হয় বাওর ম্যানেজারের নির্দেশে। এ বাওড়ে ২০০ টনের জায়গায় ৩০০ টনও লক্ষমাত্রা অর্জন করা সম্ভব যদি বাওরে সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকে। কথা হয় বাওর ম্যানেজার ছিদ্দিকুজ্জামানের সাথে , তিনি জানান ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে এ বাওরে মাছ উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ২০০ মে.টন। লক্ষ্যমাত্রা পূরন হবে বলে আশা করছি , গত অর্থ বছরে বাওরের পানি খারাপ হয়ে যাওয়ায় অনেক মাছ মরে যায় , এজন্য লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। আর কোনো অনিয়ম হচ্ছে না , মাছ ল্যা-িং করে সব গড় ওজন দিয়ে পিকাপে ভোরে বাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। এজন্য এবছর একটি বিক্রয় কমিটি করা হয়েছে , তাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারও আছেন। আর ভোক্তাদেরও সরকারি দরে মাছ দেয়া হচ্ছে। এলাকার সচেতন মহল বলছেন ২০০ হেক্টর জলকর এ বাও বছরে ৩০০ টনের বেশী মাছ উৎপাদন করা সম্ভব । কিন্তু বওর ম্যানেজারের অনিয়ম , দুর্নীতি, লুটপাটের কারণে এবছর ২০০ টনের লক্ষ্যমাত্রাও পুরন হবেনা । গেল অর্থ বছরে একইভাবে দুর্নীতি কারণে ১৯০ টনের লক্ষ্যমাত্রার স্থলে মাত্র ১৬০ টন অর্জিত হয়। লাভজনক বাওরটিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে না পারলে সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবেন ।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ২৩
ফজর৩:৪৭
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৪
মাগরিব৬:৪০
এশা৮:০২
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৬৮৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.