নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
নবীনগরে ভাইকে অপহরণ ২ লাখ টাকায় মুক্তি। থানায় মামলা আটক ২
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে এক চিহৃিত সন্ত্রাসী নেশাগ্রস্ত যুবক নেশার টাকার জন্য আপন চাচাতো ভাইকে অপহরণ করেছে। দুই লাখ টাকা ও একটি এনডোয়েট মোবাইল ফোন মুক্তিপণের বিনিময়ে ছোট শিশু ভাইকে মুক্তি দিয়েছে অপহারণকারি সন্ত্রাসী নেশাগ্রস্থ ভাই। ঐ অপহরণকারির নেশাগ্রস্ত সন্ত্রাসী ভাই হচ্ছে, খাইরুল আলম পায়েল (২৫) পিতা মো. শাহ্ আলম। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ সন্দেহভাজন দুইজন কে আটক করেছে। আটককৃতরা হচ্ছে অপহরণকারি পায়েলের বড় ভাই মোয়াজ্জেম আলম জুয়েল (৩০) ও মো. আক্তার মিয়ার ছেলে রিফাত (১৮)। এ ঘটনায় অপহৃত শিশুর পিতা ঢাকা মোহাম্মদপুর কলেজের প্রভাষক মো. কামরুজ্জামান বাদী হয়ে গতকাল সোমবার (১২/০২) নবীনগর থানায় আটককৃতসহ ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। অপহরণচক্রের অন্য আসামিরা হলেন, নবীনগর আদালত পাড়ার শাহরিয়ার, উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামে শুভ মিয়া ও মনির হোসেন। মুক্তিপনে উদ্ধাকৃত শিশু আশফিক জামান উদয় (০৮) ঢাকা উত্তরা স্কুল এন্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র। ঘটনাটি ঘটেছে, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা পৌরসদর আদালত পাড়ায় বাদির বসতবাড়ির সম্মুখ রাস্তায়। পুলিশ ও মামলা সুত্র জানায়, মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে ঐ দিন সকালে কামরুল সপরিবারে ঢাকা থেকে নবীগরের বাড়িতে আসে। সন্ধ্যায় উদয় বাড়ির সামনে রাস্তায় খেলা করছিল সেই সময় পায়েল হোন্ডা থামিয়ে ছোট ভাইকে ডেকে তুলে নিয়ে যায়। ছেলেকে না পেয়ে বাবা যখন পাগলপ্রায় তখনই তার মোবাইলে ভাতিজা পায়েলের রিং বেজে উঠে। অপরপ্রান্ত থেকে জানানো হয় ২০ লাখ টাকা মুক্তিপন দিলে তোমার ছেলেকে জীবিত পাবে। না হলে তাকে গুলি করে হত্যা করা হবে। ছেলে হত্যার ভয়ে অপহৃতের বাবা বিভিন্ন মাধ্যমে ভাতিজার সাথে রফাদফায় দুই লাখ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিনিময়ে উপজেলার নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের নরসিংহপুর গোদারা ঘাট সংলগ্ন খোলা মাঠ থেকে ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি শনিবার (১০/০২) থানায় জানানো হলে রাতে ওই সন্দেহভাজন দু'জন আটক করে পুলিশ। এ ব্যাপারে অপহৃতের বাবা মো. কামরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় আমি হতভম্ব, কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না, ভাবনায় আসে আগে আমার ছেলেকে উদ্ধার করি, তারপর আইনের আশ্রয়। রাতের মধ্যে ধার দেনা করে টাকা যোগাড় করে নরসিংপুর ঘাটে যেতে বলা হলে সেখানে গিয়ে আমার ছেলেকে উদ্ধার করি। এ ব্যাপারে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আসলাম শিকদার বলেন, মামলা হয়েছে, আটকৃতদের জিঙ্গাসাবাদ করা হচ্ছে, মূল আসামিকে গ্রেফতারের অভিযান চলছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীআগষ্ট - ১৮
ফজর৪:১৬
যোহর১২:০৩
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৩৩
এশা৭:৪৯
সূর্যোদয় - ৫:৩৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৮
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৭৭১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.