নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
গলাচিপায় একই পরিবারের ৪ জন খুনের রহস্য অনুদঘাটিত
পটুয়াখালী ( গলাচিপা) থেকে মো. হাফিজ
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ছৈলাবুনিয়া গ্রামে একই পরিবারের ট্রিপল মার্ডারের রহস্য দীর্ঘ ছয় মাসেও উদঘাটন হয়নি। উপরন্তু পরিবারের আরেক সদস্য ট্রিপল মার্ডারের পর থেকে নিখোঁজ হয়ে গেছে। ফলে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। এরআগেও এ পরিবারেরই আরেক সদস্য সবার চোখের সামনে খুন হয়। সে ঘটনাও অনুদঘাটিত রয়েছে। একই পরিবারে একের পর এক এভাবে নৃশংস খুন ও নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা যেমন আতঙ্কে রয়েছেন তেমনি এলাকাবাসীর কাঁধেও ভর করেছে আতঙ্ক।

আমখোলা ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনাটি ঘটেছে এ বছরের ১ আগস্ট রাতে। ওই রাতে কৃষক দেলোয়ার মোল্লা (৬৫), তার স্ত্রী পারভীন বেগম (৫৫) ও তাদের পালিত মেয়ে কাজলী বেগম (১৫) খুন হয়। অজ্ঞাত খুনীরা তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংস পন্থায় কুপিয়ে শরীর ছিন্নভিন্ন করে। কাজলী বেগমের মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। নিকট অতীতে এ ধরনের নির্মম খুনের ঘটনা এলাকাবাসী দেখেনি। এ ঘটনার ৬ মাস আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি দিনের বেলা পরিবারের সবার চোখের সামনে নিহত দেলোয়ার মোল্লার বড় ভাই ইদ্রিছ মোল্লার (৭০) এসএসসি পরীক্ষার্থী ছেলে শফি মোল্লা ওরফে মাহিনকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন কুপিয়ে পিটিয়ে খুন করে। এদিকে, ট্রিপল মার্ডারের পর থেকেই ইদ্রিছ মোল্লার বড় ছেলে শহীদ মোল্লার (৪০) খোঁজ মিলছে না। দু'টি খুনের ঘটনাতেই থানায় পৃথক মামলা হয়। এর মধ্যে শফি হত্যা মামলাটি বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি তদন্ত করছে। ট্রিপল মার্ডারের তদন্ত করছে গলাচিপা পুলিশ। কিন্তু এ যাবত কোন ঘটনারই রহস্যের কিনারা হয়নি। ফলে আতঙ্কে আছে ভুক্তভোগী পরিবারসহ এলাকার লোকজন। উভয় মামলার বাদি নিহত শফি মোল্লার বাবা ইদ্রিছ মোল্লা অভিযোগ করেন, এসব খুনের ঘটনার কোন আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় তিনি আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। আসামিরা তাকে অব্যাহতভাবে হুমকি দিচ্ছে। যে কারণে নিজের বাড়িঘর ছেড়ে পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুরে শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু সেখানেও তিনি নিরাপদ বোধ করছেন না। অপর একমাত্র ছেলে শহিদ মোল্লাও খুন হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এদিকে, তদন্তকারী কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, ট্রিপল মার্ডারের তিনজনেরই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থানায় পৌঁছেছে। তবে কাজলী বেগমের ভিসেরা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সে রিপোর্ট এখনও আসেনি। মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তদন্তকারী কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সাহিদুল ইসলাম জানান, তদন্তের স্বার্থে সবকিছু প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে সহসাই মামলার রহস্য উন্মোচিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ২৩
ফজর৩:৪৭
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৪
মাগরিব৬:৪০
এশা৮:০২
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৬৬৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.