নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবে না ২০ দল : মির্জা ফখরুল
স্টাফ রিপোর্টার
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচনে যাবে না বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। গতকাল সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব ও জোটের সমন্বয়ক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়েছে। তারা চায়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো একটা ভোটারবিহীন নির্বাচন করতে। কিন্তু দেশে আর কোনো একতরফা ভোট করতে দেওয়া হবে না। বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে। খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তিও দাবি করেন জোটের এ সমন্বয়ক। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া কারাগারে থাকেবন আর দেশে ভোট হবে, এমনটি হবে না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁকে মুক্ত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। মির্জা ফখরুল আরো বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত খালেদা জিয়া কারাগার থেকে মুক্ত না হবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত জনগণের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন থামানো যাবে না। তাই আর কোনো কালক্ষেপণ না করে অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। তিনি বলেন, শত প্রতিকূলতার মধ্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এই কারাবাসের বিরুদ্ধে আপনাদের যে ক্ষোধ, আপনাদের যে হতাশা, আপনাদের বেগম জিয়ার প্রতি যে ভালোবাসা সেটা আপনারা প্রকাশ করেছেন। আজকে এই মানববন্ধনের মধ্য দিয়ে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, বেগম জিয়া এদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তাকে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাজা দিয়েছে। আমরা স্পষ্টভাষায় বলে দিতে চাই, দেশনেত্রীর মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে। মির্জা ফখরুল নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশনেত্রী কারাগারে যাবার আগে বলে গেছেন, আপনাদের ধৈর্য ধরতে, শান্ত হতে এবং শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যেতে। আমাদের এই কর্মসূচি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করবার জন্যে, আমাদের এই কর্মসূচি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্যে। এই মুহূর্তে বেগম জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। তার মুক্তি আমরা চাই। তিনি বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, দেশনেত্রীকে নিয়েই আমরা আগামি নির্বাচনে যাব। দেশনেত্রী ছাড়া এ দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। আমরা সহায়ক সরকার চাই, আমরা একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন চাই। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করে দেশের জনগনের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করতে চাই। তাই আসুন শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে দেশনেত্রীকে কারামুক্ত করি। একইসঙ্গে দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বানও জানান বিএনপি মহাসচিব। স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশনেত্রীকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। এটা দেশের মানুষ গ্রহণ করেনি। অবিলম্বে তাকে মুক্তি দিতে হবে, আমাদের সকল নেতার সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। চার দিন ধরে ডিভিশন না দিয়ে সরকার আমাদের নেত্রীকে একজন অর্ডিনারি প্রিজনার হিসেবে তাকে কষ্ট দিয়েছে। সরকার জেল কোড ভঙ্গ করেছে। আমরা সরকারের এহেন কর্মকা ের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। মির্জা আব্বাস বলেন, 'যত ষড়যন্ত্র হোক, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাংলাদেশে নির্বাচন হবে এবং সেই নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়েই হবে। তাকে ছাড়া কেউ নির্বাচন চিন্তা করলে সেটা হবে দুঃস্বপ্ন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি হয়। তোপখানার মোড় থেকে হাইকোর্টের কদম ফোয়ারা পর্যন্ত পুরো এলাকায় হাজার হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকরা এই মানববন্ধনে অংশ নেয়। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নেতা-কর্মী জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমবেত হয়ে 'খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, মুক্তি চাই', 'খালেদা জিয়ার কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে' ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, কৃষিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতা-কর্মীরা এতে সমবেত হয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন। বিপুলসংখ্যা মহিলা কর্মী-সমর্থকরাও অংশ নেন। মানববন্ধনে স্থায়ী কমিটির নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ ফুটপাতে উঠে মাইক ছাড়া বক্তব্য রাখেন। এই মানববন্ধনে বিএনপির কামাল ইবনে ইউসুফ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, মাহমুদুল হাসান, মিজানুর রহমান মিনু, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, জয়নাল আবেদিন ভিপি, জয়নাল জয়নুল আবদিন ফারুক, গোলাম আকবর খন্দকার, হাবিবুর রহমান হাবিব, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সাখাওয়াত হোসেন জীবন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, শিরিন সুলতানা, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আবদুস সালাম আজাদ, আমিরুল ইসলাম আলিম, শামীমুর রহমান শামীম, নিলোফার চৌধুরী মনি, হেলেন জেরিন খান, শাম্মী আখতার, রাশেদা বেগম হীরা, আবদুল আউয়াল খান, কাদের গনি চৌধুরী, তাবিথ আউয়াল, বেবী নাজনীন, নেওয়াজ হালিমা আরজু, অপর্না রায়, নিপুর রায় চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ। মহানগরের কাজী আবদুল বাশার, মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, আহসানউল্লাহ হাসান, তানজীর আহমেদ রবিন, যুব দলের সাইফুল ইসলাম নিরব, সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, মোরতাজুল করীম বাদরু, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, মুক্তিযোদ্ধা দলের ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাদেক আহমেদ খান, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, জাসাসে অধ্যাপক মামুন আহমেদ, শায়রুল কবির খান, শাহিনুল ইসলাম শায়লা, ছাত্র দলের মামুনুর রশীদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, মৎস্যজীবী দলের রফিকুল ইসলাম মাহতাব, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, উলামা দলের এম এ মালেক, শাহ নেসারুল হক প্রমূখ নেতবৃন্দ ছিলেন। ২০ দলীয় জোটের কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, লেবার পার্টির একাংশের মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, অপর অংশের হামদুল্লাহ মেহেদি, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, সাহাদাত হোসেন সেলিম, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা, জমিয়তে উলামা ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, এনপিপি'র ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এনপিযি'র গোলাম মূর্তজা, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, ডিএল'র সাইফুদ্দিন মনি প্রমূখ নেতৃবৃন্দ ছিলেন।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২০
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫৩
আসর৪:১৬
মাগরিব৬:০১
এশা৭:১৩
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭২৬৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.