নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১
রূপগঞ্জে পোল্ট্রি শিল্পে ধস বার্ড ফ্লু আতঙ্ক
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অজ্ঞাত রোগে হাজার হাজার মুরগি মরে সাবার হচ্ছে। সকাল হলেই খামারে মুরগি মরা দেখা নিয়মিত দৃশ্যে পরিণত হয়েছে। প্রাণি সম্পদ বিভাগও রোগ সনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়ে রানীক্ষেত হিসেবে শান্তনা দিচ্ছেন। তবু চিকিৎসায় মিলছে না প্রতিকার। এদিকে অজ্ঞাত রোগকে বার্ড ফ্লু ধারনায় লোকসানের ভয়ে খামারিরা রোগ গোপন করে এসব মুরগি কম মূল্যে বিক্রি করছে স্থানীয়দের কাছে। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে রূপগঞ্জের খামারিরা। এতে করে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি উপজেলার তারাবো পৌরসভার হাটিপাড়া এলাকার দেলোয়ার হোসেন জানান, তার মালিকানায় ৪ হাজার ব্রয়লার মুরগি রয়েছে। গত সোমবার সকালে ঘুম থেকে দেখতে পান তার খামারে একই স্থানে ৭শ মুরগি মরে পড়ে আছে। এর আগে মুরগির কোন ধরা পড়েনি। পরে তিনি ৬টি মরা মুরগি উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কাছে রোগ সনাক্তের জন্য নিয়ে আসেন। প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার জাহাঙ্গীর রতন ময়না তদন্ত করে ৩টি মুরগির আমাশয় রোগ সনাক্ত করেন। কিন্তু বাকি মুরগিগুলো কেন মরলো তা বলতে পারেনি। এ সময় খামারি দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, কেউ শত্রুতাবশত বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেছে। কিন্তু বিষ খাইয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করার ব্যবস্থা নেই উপজেলা প্রাণী কার্যালয়ে। তারা এ মুরগিগুলোকে নিয়ে ঢাকায় যেতে বলেন।

এভাবে কাঞ্চন পৌরসভার বিরাবো এলাকার খামারি রাকিবুল, তানভীরসহ ২০ জনের খামারে বিগত ১ সপ্তাহে ২ হাজারের অধিক মুরগি মারা গেছে। এসব মারা যাওয়া মুরগি উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হয়। কিন্তু এসব মুরগিরও প্রাথমিকভাবে কোন রোগ সনাক্ত করতে পারেননি বলে অভিযোগ করেন তারা। এদিকে রোগ সনাক্ত না করতে পেরে মুরগির বয়স না হতেই শতাধিক খামারি তাদের মুরগি স্থানীয়দের কাছে রোগ গোপন করে বিক্রি করে দিয়েছে। এসব মুরগি কমদামে পেয়ে স্থানীয়রা ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রেখে দিচ্ছেন। এতে করে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বাড়ছে। খামারিদের অভিযোগ, ব্রয়লার বা লেয়ার মুরগির বাচ্চা সরবরাহকারী ডিলারদের অনিয়মের কারণে ভেকসিন না দেয়া, কিংবা এন্টিবায়োটিকের অতিমাত্রায় প্রয়োগে নতুন রোগের দেখা দিয়েছে। যার কারণে উপজেলার ২০৪টি বাণিজ্যিক ব্রয়লার এবং ১২৯টি লেয়ার খামারি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার সাইদ আল মামুন বলেন, ব্রয়লার মুরগি রোগাক্রান্ত হলে তা খাওয়া মোটেই উচিৎ নয়। এসব মুরগি থেকে যে কোন ভয়াবহ রোগ ছড়িয়ে যেতে পারে। সুস্থ সবল পশু ও পাখিই খাওয়া যেতে পারে। এতে প্রাণীজ আমিষ সঠিকমতো পাবে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার জাহাঙ্গীর রতন বলেন, বার্ড ফ্লু আতঙ্কের খবরে কয়েকটি খামার ঘুরে দেখেছি। তবে বার্ড ফ্লু আক্রান্ত পাওয়া যায়নি। তাই এটা নিছক গুজব। শীতের সময় মুরগি কেবল সাধারণত রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত হয়। ধারনা করা হচ্ছে যেসব মুরগি মারা গেছে তা রানীক্ষেত রোগেই মারা গেছে। তবে অন্য কারণও থাকতে পারে। কিছু যন্ত্রাংশের অভাব থাকায় সব রোগ সনাক্ত করা উপজেলা বিভাগের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই উপযুক্তস্থানে সেবা গ্রাহকদের পাঠিয়ে থাকি। এ সময় তিনি বলেন, রানীক্ষেত আক্রান্ত জবাইকৃত মুরগি মানুষ খেলেও কোন ক্ষতি হয় না। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই। তিনি আরো বলেন, খামারিদের খামারের চারপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব রয়েছে। ডিলারদের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন না করিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একই ভ্যান মুরগি পরিবহণের সময় ভ্যান গাড়ি ও কর্মীদের জীবানুনাশক স্প্রে গ্রহণ করতে হবে ।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২৩
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৯
মাগরিব৫:২৯
এশা৬:৪২
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩৯৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.