নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১
বদলগাছী'র ফাটাকেষ্টোর প্রচেষ্টায় পাল্টে যাচ্ছে শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বেহাল চিত্র
বদলগাছী (নওগাঁ) থেকে মোশারফ হোসেন পিন্টু
নওগাঁর বদলগাছী'র শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য ফাটাকেষ্ট আব্দুল মজিদের প্রচেষ্টায় দিন দিন পাল্টে যাচ্ছে স্কুলের চিত্র।

জানা যায়, উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনয়িনের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শিবপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। এই ইউনিয়নের উচ্চ বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এটি ছিল এক সময় সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সবার কাছে সুপরচিতি। ঐতিহ্যবাহী হলুদবিহার দ্বীপ সংলগ্ন সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে নিয়মিত পাঠদানসহ পাবলিক পরীক্ষা জেএসসি ও এসএসসিতে শিক্ষার্থীরা বৃত্তিসহ গোল্ডেন প্লাস, প্লাস ও ভাল ফলাফল করে থাকে। মনোরম পরিবেশ হওয়ায় ছাত্র ছাত্রীরা কোলাহলে মুখরতি ছিল। কয়েক বছর ধরে সাবেক স্কুল পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষকদের অব্যবস্থাপনার কারণে বিদ্যালয়টিতে ধীরে ধীরে মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে একাধিক অভিভাবকরা।

নতুন ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনের পর ওই স্কুল পরিচালনা কমিটির সহযোগিতায় অভিভাবক সদস্য আব্দুল মজিদ শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যেমন সময়মত স্কুলে শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা। এতে করে আবারও স্কুলের চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। নতুন ম্যানেজিং কমিটির তৎপরতায় সুষ্ঠু সুন্দর শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, স্কুলের নতুন পরিচালনা কমিটি আসার পরে দিন দিন স্কুলের শিক্ষাব্যবস্থা ভালো হচ্ছে। শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা বলনে, নতুন কমিটি আসার পরে স্কুলের চিত্র পাল্টে যাচ্ছে, নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন, শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদানের বিষয়ে নানা পরামর্শ দিচ্ছেন। বিশেষ করে আব্দুল মজিদের কর্মকা-ে ওই স্কুলের শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা অত্যন্ত খুশি। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল মজিদ (ফাটাকেষ্ট) বলেন, আমি স্কুলের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর দেখি এই স্কুলের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকরা সময় মত বিদ্যালয়ে আসত না। স্কুল চলাকালীন সময়ে অনেক শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা নিজের ইচ্ছামত বাড়িতে চলে যতে। ধরাবাধা কোন নিয়ম ছিল না।

আমি সদস্য হওয়ার পর কড়াকড়ি নির্দেশ দিয়েছি ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকদের সময় মতো স্কুলে আসতে হবে এবং স্কুল ছুটি হলে বাড়িতে যাবে। স্কুল চলাকালীন সময়ে কেউ বিশেষ কাজ ছাড়া বাহিরে যেতে পারবেনা। স্কুলে শিক্ষকরা যদি দেরিতে আসে তাহলে নির্দিষ্ট কারণ দর্শানোর পর হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে পারবেন। কারণ দর্শানো না পারলে ওই শিক্ষককে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিতি দেখানো হবে। ছাত্র-ছাত্রীরা যদি দেরিতে স্কুলে আসে এবং স্কুল চলাকালীন সময়ে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বাহিরে যদি কোন দোকানে আড্ডা দেয় বা ঘোরাঘুরি করে তাহলে তাদের স্কুলের গেটে দাঁড়িয়ে রেখে অভিভাবককে ডেকে আনার পর বিষয়টি ওই ছাত্রের অভিভাবককে জানানোর পরে ভিতরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়। প্রতিদিন আমি (ফাটাকেষ্ট আব্দুল মজিদ) সকাল ৯টায় স্কুলের মেইন গেটের সামনে দাঁড়ায় এবং বিকেল ৪টায় বাড়িতে যাই। সকাল ১০.২০ মিনিটের পর কোন ছাত্র-ছাত্রী কিংবা কোন শিক্ষক-শিক্ষিকা স্কুলে আসলে আমি তাদের কাছে দেরিতে স্কুলে আসার নির্দিষ্ট কারণ জানার পর ভিতরে প্রবেশ করতে দেই। আমি যতদিন এই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য থাকবো স্কুলের নিয়ম-কানুন সকলকে যথাযথভাবে পালন করতে হবে এর কোন ব্যতয় ঘটলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ১৯
ফজর৪:৩০
যোহর১১:৫৩
আসর৪:১৭
মাগরিব৬:০২
এশা৭:১৫
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫০৪৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.