নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১
বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন ভাষাসৈনিক খোন্দকার আব্দুল মালেক
ময়মনসিংহ থেকে সিরাজুল হক সরকার
বায়ান্ন'র ভাষা আন্দোলনে ফেরারি আসামি হয়ে ছাত্রত্ব হারিয়েছেন, ৬৬র শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফা, ৬৯র গণআন্দোলনে তুখোর নেতা, ৭০র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সবার জামানত বাজেয়াপ্ত করে দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী গণপরিষদ সদস্য, ৭১ এ মহান মুক্তিযুদ্ধে বলিষ্ঠ সংগঠক এরপর স্বাধীন দেশে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে বরাবরই রাজনৈতিক মাঠে সরব থাকা ভাষাসৈনিক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অতি আদরের খোন্দকার আব্দুল মালেক শহিদুল্লাহ'র আজ বড় দুর্দিন। সারা জীবন সততা আর আদর্শ ধরে রেখে মানুষের জন্য রাজনীতি করে যাওয়া এই তারকা রাজনৈতিক নেতার জীবন কাটছে এখন চরম অসুস্থতা নিয়ে অনেকটাই একাকিত্বে বিছানায় শুয়ে থেকে। কেউ তার খবরও নেন না। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার ভাষা সৈনিক খোন্দকার আব্দুল মালেক শহীদুল্লাহ (৮৬) গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর স্ট্রোক করার পর তার ডান হাত ও পা অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকে পরিষ্কারভাবে কথাও বলতে পারেন না তিনি। কাউকে দেখলে মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন আর হাউমাউ করে কাঁদেন। এছাড়া হার্টের সমস্যাসহ নানা রোগে ভুগছেন তিনি। এখন তার দিন কাটছে বিছানায় শুয়ে থেকে।

১৯৫২ সালের ভাষায় আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে মামলার আসামি হন। ছাত্রত্ব হারান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে তিনি প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তৎকালীন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগে সৈয়দ নজরুল ইসলামের কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। রাজনীতিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখায় বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ হন। ১৯৭০ এর নির্বাচনে অতি অল্প বয়সে মুক্তাগাছা আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে তার ছিল নিয়মিত যাতায়াত। বঙ্গবন্ধু তাকে আদর করে 'আমার প্রিয় মালেক' বলে সম্বোধন করতেন। তার হাত ধরে গড়ে উঠেছেন অনেক নেতা। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খন্দকার মোস্তাক ও জিয়াউর রহমানের আমলে জেলে যান।

এছাড়াও রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্যবার জেল খাটেন তিনি। আরো একবার মুক্তাগাছা পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। সারা জীবন মানুষের জন্য রাজনীতি করতে গিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তি বিলিয়ে দেন। সারা জীবন মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন আব্দুল মালেক। এখন জীবনের শেষ প্রান্তে এসে পড়েছেন চরম অসহায়ত্বে। সন্তান ও পরিবারের কথা ভাবেননি। বেকার ছেলেদেরও সামর্থ্য নেই বাবার চিকিৎসা করানোর। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা ভাতার টাকায় তার খাওয়া-পরা ও চিকিৎসা চলছে। ভাষা সৈনিক আব্দুল মালেক শহিদুল্লাহর সার্বক্ষণিক সঙ্গী স্ত্রী সুরাইয়া মালেক। তিনি জানান, পরিবারের জন্য তার স্বামী জীবনে কিছুই করতে পারেননি। ব্যাংকে জমানো কোনও টাকা নেই। অর্থাভাবে তার সঠিক চিকিৎসা করাতে পারছেন না।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীএপ্রিল - ১০
ফজর৪:২৫
যোহর১২:০০
আসর৪:৩১
মাগরিব৬:২১
এশা৭:৩৫
সূর্যোদয় - ৫:৪২সূর্যাস্ত - ০৬:১৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৪১০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.