নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১
গোপালগঞ্জে সন্তানদের রেখে নদীতে ঝাঁপ দেয়া মায়ের খোঁজ মেলেনি
জনতা ডেস্ক
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সেতুতে দুই সন্তানকে দাঁড় করিয়ে রেখে মধুমতি নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়া গৃহবধূ আফরোজা খানমের সন্ধান মেলেনি দুই দিনেও। মাকে হারিয়ে মুষড়ে পড়েছে দুই ভাই বোন- ছয় বছরের ফাহমিদা ইসলাম আর চার বছরের আবদুস সালাম। ওমানপ্রবাসী বাবা

আলিমুজ্জামানকেও তারা কাছে পাচ্ছে না। সালাম জানতে চাইছে, তার মা বিদেশে বাবার কাছে চলে গিয়েছে কি না; টেলিফোনে তাকে সেই প্রবোধই দিচ্ছেন তার বাবা। কোটালীপাড়ার সোনারগাতী গ্রামের বাসিন্দা আলিমুজ্জামানের স্ত্রী আফরোজা মঙ্গলবার দুপুরে নদীতে লাফ দেন বলে পুলিশের ভাষ্য। খবর পেয়ে টুঙ্গিপাড়া ফায়ার সার্ভিস নদীতে তল্লাশি চালালেও এখনও তার সন্ধান মেলেনি। আফরোজার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে ওসি এএফএম নাসিম জানিয়েছেন। টুঙ্গিপাড়া ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা সরকার শরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা দুটি ট্রলার নিয়ে নদীতে ওই গৃহবধূর সন্ধান করছি। আমাদের ডুবুরি দলের সঙ্গে তার স্বজনরা রয়েছেন। আফরোজা টুঙ্গিপাড়ার গওহরডাঙ্গা গ্রামে ভাড়াবাড়িতে দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতেন। তার মেয়ে ফাহমিদা গওহরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। ছেলেটি এখনও স্কুলে যায় না। তার সন্তানরা টুঙ্গিপাড়ার বাঁশবাড়িয়া গ্রামে তার বাবার বাড়িতে রয়েছে। তারা মায়ের জন্য কান্নাকাটি করছে, খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে বলে তাদের মামী ফাতেমা বেগম জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ফাহমিদা ও আবদুস সালাম ফোনে তার বাবা আলিমুজ্জামানের সাথে কথা বলেছে। তাদের মা বিদেশে তার কাছে গেছে কি না জানতে চাইলে আলিমুজ্জামান তাদের আশ্বস্ত করে বলেছে, তাদের মা তার কাছে আছে, বাড়ি আসার সময় তাকে নিয়ে আসবেন। আফরোজার মেয়ে ফাহমিদা জানায়, তাদেরকে ব্রিজের মাঝখানে নিয়ে গিয়ে তার মা 'নদীতে টাকা পড়ে গেছে, তুলে আনতে যাচ্ছি' বলেই ঝাঁপ দেয়। আফরোজার বড় বোন মাকসুদা বেগম বলেন, আলিমুজ্জামানের সঙ্গে ২০১১ সালে তার বোনের বিয়ে হয়। একটু রাগ হলেই সে ক্ষেপে গিয়ে একাধিকবার 'আত্মহত্যা করতে উদ্যত' হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে আফরোজাকে তিন হাজার টাকা পাঠায় তার স্বামী। এতে বাজার খরচ, ঘরভাড়া ও অন্যান্য ব্যয় মেটানো সম্ভব নয় বলেই ক্ষিপ্ত হয়ে সে এঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পরে বলে ধারণা করছি।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীফেব্রুয়ারী - ২৪
ফজর৫:০৯
যোহর১২:১২
আসর৪:২২
মাগরিব৬:০২
এশা৭:১৫
সূর্যোদয় - ৬:২৫সূর্যাস্ত - ০৫:৫৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৯৭৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.