নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১
চীনে ফ্লাইট যাচ্ছে 'ফাঁকা' আসার যাত্রীও কম
স্টাফ রিপোর্টার
চীনের প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাবে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশ-চীন রুটে আশঙ্কাজনকহারে কমেছে যাত্রী। এয়ারলাইন্সগুলো এরই মধ্যে ফ্লাইট সংখ্যা কমিয়ে এনেছে। এরপরও যাত্রী কম হওয়ার কারণে কম যাত্রী নিয়ে এই রুটে ফ্লাইট চালানো নিয়েই এখন সংশয়ে রয়েছে এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠানগুলো।

বাংলাদেশ থেকে চীনে মোট ৪টি এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনা করে। এদের মধ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স,

চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স অন্যতম। এছাড়াও ড্রাগন এয়ার (ক্যাথে প্যাসিফিক) হংকং হয়ে চীনের বেশ কয়েকটি শহরে ঢাকা থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

বাংলাদেশ থেকে গুয়াঞ্জুতে সরাসরি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের এয়ারক্রাফটি সপ্তাহে ৭ দিন যায়। এতে বিজনেস ক্লাসের ১২টিসহ মোট ১৭৪টি আসন রয়েছে। ২১ জানুয়ারি থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা থেকে গুয়াঞ্জু যাওয়ার ফ্লাইটটির গড় যাত্রী ছিলেন ৪০ জন। আর গুয়াঞ্জু থেকে ঢাকা ফিরেছেন গড়ে ১১৮ জন করে যাত্রী।

বাংলাদেশ থেকে চীনের কুনমিংয়ে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করতো চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স। এই রুটে সপ্তাহে ৭ দিন ফ্লাইট পরিচালনা করলেও বর্তমানে তা কমিয়ে ৩ দিন করেছে। বর্তমানে তারা শনিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এরপরও তাদের যাত্রী সংখ্যা কম। চীনের গুয়াঞ্জুতে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স। যাত্রী সংকটের কারণে সপ্তাহের ৭ দিন থেকে কমিয়ে শুধুমাত্র সোমবার, বুধবার, শুক্রবার ও রোববার ফ্লাইট পরিচালনা করবে তারা। তবুও যাত্রী পাচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটি। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জেনারেল ম্যানেজার (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, 'করোনাভাইরাসের প্রভাবে চীন রুটে যাত্রী অনেকটাই কমেছে। তবে বাংলাদেশি অনেকেই এখনও দেশে ফিরছেন। তাদের স্বার্থে আগের মতো সপ্তাহে ৭ দিনই ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রাখবে ইউএস-বাংলা।

জানুয়ারির শুরুতে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া নতুন এই করোনাভাইরাস ইতোমধ্যে পাড়ি দিয়েছে ইউরোপ-আমেরিকা। সর্বশেষ ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাবিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬০ হাজার ৩৭৪ জন, এর মধ্যে চীনের মূল ভূখ-েই রয়েছেন ৫৯ হাজার ৮০৪ জন। এর মধ্যে চীনে মারা গেছেন ১৩৬৭ জন। মোট মারা গেছেন ১৩৬৯ জন। এ ২ জনের একজন মারা গেছের হংকংয়ে ও আরেকজন ফিলিপাইনে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীফেব্রুয়ারী - ১৭
ফজর৫:১৪
যোহর১২:১৩
আসর৪:১৮
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৬:৩০সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৯২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.