নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১
রাজস্ব আদায় কমেনি
_অর্থমন্ত্রী
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আমাদের রাজস্ব আদায় কমেনি। গত বছরের তুলনায় এ বছর এখন পর্যন্ত ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে আমরা লক্ষ্যমাত্রা বেশি করে ধরি, তাই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অর্জন কিছুটা কম। গতকাল বৃহস্পতিবার সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত

মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রবৃদ্ধি হিসাব হবে গত বছর এই সময়ে আমরা কি অর্জন করেছি এবং এ বছর কেমন অর্জন করলাম তার ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু এ বছর যদি কম হয় তাহলে দ্যাট ইজ নেগেটিভ গ্রোথ। আর যদি গত বছরের তুলনায় বেশি করি তাহলে পজিটিভ গ্রোথ। আমার জানা মতে, এ বছর ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে।

আমাদের রাজস্ব ঘাটতি বাড়ছে-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয় বড় আকারের, যাতে এটি অর্জন করার জন্য সবাই চেষ্টা করে। এ বিষয়ে সারা বিশ্বের অবস্থা দেখবেন, তারপর বলবেন আমরা কেমন আছি। রাজস্ব আহরণ গত বছরের তুলনায় এ বছর কমেনি। আপনারা (সাংবাদিকরা) যে পদ্ধতিতে হিসাব করেন, সেই পদ্ধতিতে হিসাব করা নিয়ম না।ব্যাংক কোম্পানি আইনের খসড়ায় প্রস্তাব করা হয়েছে, প্রাইভেট ব্যাংকের ডাইরেক্টর, এমডি, ডিএমডি নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি নিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে অ্যাপ্রুভ করলে তাদের নিয়োগ দেয়া হবে। নতুন ব্যাংক কোম্পানি আইনে এ-সংক্রান্ত ধারা সংযুক্ত হচ্ছে। এটি কি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে-এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, খসড়া ব্যাংকিং কোম্পানি অ্যাক্টের নতুন ধারা আছে একটি। ব্যাংকিং কোম্পানি আইনের খসড়াটি এখনও আমি পাইনি। আমার কাছে খসড়া এলে বলতে পারব।

তিনি বলেন, যদি এটি বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে ভালো হবে। সরকারি ব্যাংকের ক্ষেত্রে এভাবেই অনুমোদন করা হয়। সুতরাং, বেসরকারি ব্যাংকের ক্ষেত্রেও এভাবে অনুমোদন নিয়ে স্ট্রাকচার বডির আওতায় যদি এটি করা যায় তাহলে ভালো হবে। সেটা ভালো কাজ।

তিনি আরো বলেন, আমাদের ব্যাংকিং কোম্পানি আইন বিদ্যমান আছে। এখানে কিছু অ্যামেন্ডমেন্ট (সংশোধনী) আনতে হবে এই আইনে। পুরো আইন চেঞ্জ করতে হবে না। প্রপোজাল (প্রস্তাব) এলে আমিই নিয়ে যাবো কেবিনেটে। সেখানে আলোচনা করে কেবিনেট যেগুলো গ্রহণ করবে সেগুলোই সংসদে অনুমোদনের জন্য যাবে, সেটাই নিয়ম।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২২
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫০৯৪.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.