নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০ ফাল্গুন ১৪২৭, ১০ রজব ১৪৪২
আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার চুক্তি অনুসমর্থন
পরিবেশ-পরিস্থিতি যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
স্টাফ রিপোর্টার
নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড ১৯) পরিস্থিতির কারণে বন্ধ থাকা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পরিবেশ-পরিস্থিতি যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিন বাংলাদেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন এবং এ সম্পর্কিত গবেষণা কাজে প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা পেতে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট (আইভিআই) প্রতিষ্ঠার চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ পেটেন্ট আইন-২০২১ এর খসড়া, বাংলাদেশ শিল্প নকশা আইনের ২০২১ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদের সভায় বাংলাদেশ পেনটেন্ট আইন ২০২১-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন, বাংলাদেশ শিল্প নকশা আইন ২০২১-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন, বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভস আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন, আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউটের মধ্যে চুক্তির অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন, বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে স্বাক্ষরের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত সংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তির খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাদুঘর ও নয়াদিলি্লস্থ জাদুঘরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ১৯৯৬ সালের ২৮ অক্টোবর ইউনাইটেড ন্যাশন ডেভেলপমেন্টের প্রোগ্রামের উদ্যোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে একটা আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউটের চুক্তি হয়েছিল, সেখানে আমরা স্বাক্ষর করি। কিন্তু এটার পূর্ণ সদস্যের জন্য আমাদের কেবিনেটের অনুমোদনের দরকার, সেজন্য এ প্রস্তাব তোলা হয়েছে। এটা যদি আমরা করি, তাহলে আমাদের বাংলাদেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন এবং এ সম্পর্কিত গবেষণা কাজে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা পাওয়া যাবে। এতে দেশের ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতাও বাড়বে। ভ্যাকসিন উৎপাদন প্রয়োগ ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরো যুগোপযোগী হবে। তিনি বলেন, নতুন আবিষ্কৃত ভ্যাকসিনের প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে দেশে নতুন ভ্যাকসিন উৎপাদন আরো সহজতর হবে। ফলে দেশে স্বল্পমূল্যে ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। আর ভ্যাকসিনের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যোগ্যতা অর্জনের পথও আমাদের সুগম হবে, যা বিদেশে বাংলাদেশের ভ্যাকসিনের বাজার সমপ্রসারণে সহায়ক হবে। আমাদের যেহেতু ফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদন ও মান মোটামুটি মানসম্মত, যা বিশ্বে প্রমাণিত। সুতরাং এক্ষেত্রে আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই বা দ্রুত এগুলো অর্জন করতে পারব। বিশেষ করে বর্তমান অবস্থার পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আরো বেশি প্রয়োজন বলে অনুভূত হয়েছে। আমাদের দেশীয় প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক ভ্যাকসিন তৈরি করছে ও বাজারজাত করতে চাচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গ্লোব বায়োটেক এখনো তো ট্রায়াল শেষ করেনি। এ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে কেবিনেটে। তারা যদি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল মেনে করতে পারে, তাহলে তারা ট্রায়াল করবে তারপর দেখা যাবে। এ চুক্তি না থাকায় কোনো সমস্যা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'না না এতে কোনো সমস্যা হবে না। ধরেন ফাইজারের সঙ্গে যদি কেউ চুক্তি করে, অরিজিনাল চুক্তিতো ফাইজারের। এখন ফাইজার যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে, তাদের সব প্রটোকল অনুযায়ী, তাহলে আমাদের আর চুক্তি লাগবে না। তবে নতুন করে বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠান যেমন বায়োটেক যদি কোনো প্রোডাক্ট এখান থেকে প্রোডিউস করতে চায় তাহলে আমাদের চুক্তির অধীনে শর্ত মানতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার আগে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কবে খুলে দেয়া হবে সে ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার বিষয়ে আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে বৈঠকে 'বাংলাদেশ শিল্প-নকশা আইন, ২০২১' এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, আগের আইনের অধীনে ডিজাইন এবং ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রার অধিদফতর ছিল, সেটা বহাল থাকবে। এ অধিদফতরের অধীনে একটি শিল্প ইউনিট থাকবে। এ আইনের অধীনে শিল্প নকশা নিবন্ধন সংক্রান্ত সব কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। আইনের অধীনে বিধি দিয়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং ফি দেয়ার সাপেক্ষে শিল্প নকশার নিবন্ধনের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। কারো যদি এঙ্ক্লুসিভ এঙ্ট্রাঅর্ডিনারি কোনো রকম থাকে তাহলে সে দরখাস্ত দিলে তাকে আরও পাঁচ বছরের জন্য মেয়াদ বাড়ানো হবে। আগের আইনের মধ্যে এটা ছিল না। এছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে যদি শিল্প নকশা নিবন্ধিত হয় সে নকশা প্রতারণামূলকভাবে যদি কেউ ব্যবহার করে তবে মালিক ক্ষতিপূরণ পাবে। তবে সিভিল আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমার্চ - ৯
ফজর৪:৫৮
যোহর১২:১০
আসর৪:২৬
মাগরিব৬:০৮
এশা৭:২০
সূর্যোদয় - ৬:১৩সূর্যাস্ত - ০৬:০৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৭৮৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.