নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৩ মার্চ ২০১৮, ২৯ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৩৯
রোহিঙ্গাদের ভূমিতে সেনাস্থাপনা নির্মাণ করছে মায়ানমার
জনতা ডেস্ক
সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মধ্যে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ফেলে আসা জায়গা-জমিতে সেনাস্থাপনা নির্মাণ করছে মায়ানমার। স্যাটেলাইটে ধারণ করা ছবি ও পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে সোমবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা-অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটির বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

মায়ানমারের এমন পদক্ষেপে হাজার হাজার রোহিঙ্গার নিজ ভূমিতে ফিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আরও সংশয় সৃষ্টি হলো।

'রিমার্কিং রাখাইন স্টেট' শিরোনামে প্রকাশিত ঐ প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি বলছে, স্যাটেলাইটে ধারণ করা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ছবি পেয়েছেন তারা। এছাড়া রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা বেশ কয়েকজনের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে। এতে দেখা গেছে, রোহিঙ্গাদের ভূমি দখল করে নেয়া হচ্ছে। তাদের (রোহিঙ্গা)

জমির ওপর চলতি বছরের শুরু থেকে দ্রুত গতিতে সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।

অ্যামনেস্টির ক্রাইসিস রেসপন্স ডিরেক্টর তিরানা হাসান বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানান, 'রোহিঙ্গাদের যে এলাকায় প্রত্যাবাসন করার কথা সেখানে মায়ানমার সেনাবাহিনীর জন্য স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। আমরা সব শেষ গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য পেয়েছি। কিছু কিছু এলাকায় এখনো ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে।'

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সম্পত্তির ওপর নিজেদের জন্য স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি হেলিপ্যাড ও রাস্তা নির্মাণ করছে সেনাবাহিনী।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, রোহিঙ্গাদের জমির একটি অংশে রাখাইনের বসবাসরত আদিবাসী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বসবাসের ব্যবস্থা করা হবে। আরেকটি অংশ অমুসলিম গোষ্ঠীর জন্য ছেড়ে দেয়া হবে। সেনাবাহিনী এসব কাজের তদারকি করছে।

সংস্থাটি স্যাটেলাইট থেকে যেসব গ্রামের ছবি ধারণ করেছে, তার মধ্যে একটি গ্রাম হলো- কান কেয়া। মংডু শহরের কাছের এই গ্রামটিকে জ্বালিয়ে দিয়েছিল মায়ানমারের সেনাবাহিনী। দুই মাস আগেও সেখানে ধ্বংসস্তূপের চিহ্ন ছিল। কিন্তু মার্চের শুরুতে সেখানে পাকা ভবন লক্ষ্য করা গেছে। একই ধরনের ভবন দেখা গেছে ইন দিন গ্রামেও। গত সেপ্টেম্বেরে গ্রামটিতে হত্যাযজ্ঞ চালায় মায়ানমার সেনারা। অভিযানে অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গাকে হত্যা করে তারা।

গত জানুয়ারি থেকে মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে বলে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে চুক্তি হয়। তবে রোহিঙ্গাদের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ার অজুহাতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব হয়নি।

ছয়মাস আগে মায়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনের মুখে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। যাকে জাতিগত নিধন হিসেবে বর্ণনা করেছে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মায়ানমার এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তারা বলছে, গত আগস্টে রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলাকে তারা প্রতিহত করছে মাত্র।

আরসাকে বিদ্রোহী আখ্যা দিয়ে মায়ানমার সেনারা তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে বলে শুরু থেকে দাবি করে আসছে দেশটি। তবে বিদ্রোহীদের বিতাড়নের নামে সংখ্যা লঘু মুসলিমদের মূল উৎপাটনে তাদেরকে হত্যা, ধর্ষণ ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিতে থাকে মায়ানমার। রাখাইন রাজ্যে মানবাধিকার সংস্থা, গণমাধ্যম ও জাতিসংঘের তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ২১
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৭৭০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.