নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০১৯, ১ চৈত্র ১৪২৫, ৭ রজব ১৪৪০
শাহজালালে সোনা ও মুদ্রা চোরাচালান চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ
স্টাফ রিপোর্টার
হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর কেন্দ্রিক সোনা চোরাচালানী একটি শক্তিশালী চক্র মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও দুবাই থেকে সোনার চালান এনে ভারতে পাচার করে। ঐ চক্রের এক সদস্য প্রায় সাড়ে চার কেজি সোনাসহ ইতিপূর্বে বিমান বন্দরে ধরা পড়ে। সে বিমান বন্দরের নিরাপত্তা শাখার কর্মী আইয়ুব আলীর ছেলে আমিরুল ইসলাম (২৭)। গ্রেফতার হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে জানায় তার ভগি্নপতি ফরিদ আহমেদ মিনা এসব সোনার মালিক। তার নির্দেশে

কয়েক দফায় তিনি সোনার চালান এনে ভারতে পাচার করেছেন। পরে পুলিশ ফরিদ মিনা ওরফে ধলা ও তার শ্যালক আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে চোরাকারবারি হিসেবে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা করে। যার নম্বর ৮২(৭) ২০১৪। আমিরুল ইসলামের কাছ থেকে যে ৮টি সোনার বার উদ্ধার হয় তার ওজন ছিলো ৪ দশমিক ৩৯৫ কেজি।

বিমানবন্দর কাস্টমস হাউসের একজন রাজস্ব কর্মকর্তা জানান, ফরিদ মিনা আন্তর্জাতিক মুদ্রা ও সোনা পাচারকারি দলের অন্যতম গডফাদার। সে ২০১০ সালে তার শ্বশুর বিমান বন্দরের নিরপত্তা কর্মী আইয়ুব আলী মোল্লার সহযোগিতায় সোনা ও মুদ্রা পাচার শুরু করে। চক্রের সদস্যরা ঢাকায় বেশ কয়েকটি একাধিক ঠিকানা ব্যবহার করা হলেও তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসেদপুর থানার পশ্চিম নওখ- গ্রামের সোলায়মান মিনার ছেলে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, গডফাদার ফরিদ মিনার সহযোগী হিসেবে একাধিক আইনজীবী ও পুলিশ সদস্যও জড়িত আছে। চক্রের সদস্যদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আবু বকর মিনা ওরফে আবু (৫৮) ও আবুল হাসান মিনা (৪৭)। তারা দুজনে উকিল হলে তারা মূলত সোনা ও মুদ্রা পাচারকারিদের ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করে। পুলিশের সঙ্গে ফরিদ মিনার চোরাচালানের দ্রব্য ছাড়িয়ে নেয়া ও দেন দরবারের কাজ করে তার বড় ভাইয়ের শ্যালক সিআইডির দারোগা কামাল হোসেন। সে কয়েক দফায় ভুয়া পুলিশ সদস্যদেরকে হাতকড়া ও পোষাক সরবরাহ করেছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে। আর সোনা চোরাচালানে ক্যারিয়ার হিসেবে কাজ করে মুকসুদপুর থানার পূর্ব নওখ-া গ্রামের নুমান মিনা (৩৬), হাফিজুর শেখ (৩৫), পশ্চিম নওখ-ার মামুন সিকাদার (৩২), সালাহউদ্দিন মিনা (২৮), সৌরভ মিনা (২৭), একই এলাকার ইকবাল শেখ (৩২) ও আবুল হোসেন ওরফে উলু। রোমান সম্পর্কে গডফাদার ফরিদের ভাগ্নে। এদের মধ্যে সৌরভ মিনা থাইল্যান্ড থেকে পায়ুপথে সোনা বহন করে আনার সময় বিমানবন্দর কাস্টমস কর্মকর্তাদের হাতে গ্রেপ্তার হয়।

বিমানবন্দর কাস্টমস হাউসের একজন রাজস্ব কর্মকর্তা জানান, এরা সবাই ফ্রিকুয়েন্ট ট্রাভলার। বিদেশ গিয়ে সোনা দেশে এনে ভারতে পাচার করাই তাদের পেশা। তাদের পাসপোর্ট যাচাই করলে সোনা ও মুদ্রা চোরাচালানের আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে। তাদের গ্রেফতারের জন্যও খুঁজছে পুলিশ।

অভিযোগের তদন্তকারি ডিবির একজন কর্মকর্তা জানান, আবু ও ধলা রমনা থানায় ছিনতাই মামলার (নম্বর ৭৫(৯)০৭ আসামি ছিলো। ধলা ও তার শ্যালক আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে চোরাচালান মামলা আছে। যার নম্বর ৮২(৭) ২০১৪। ঐ মামলার প্রধান আসামি আমিরুল ইসলামের কাছে ৮টি সোনার বার উদ্ধার হয়, যার ওজন ছিলো ৪ দশমিক ৩৯৫ কেজি। তাদের বিরুদ্ধে মুকসুদপুর থানায় সন্ত্রাসী কর্মকা-ের কারণে ৫(০২) ২০১৭ নম্বর মামলাসহ বেশ কিছু মামলা হয়েছে। আবুর মামাতো ভাই ঢাকার শ্যামপুরের কুখ্যাত সন্ত্রাসী নাছির শেখ গুলি করে ও ককটেল ফাটিয়ে মিরহাজিরবাগের জনৈক ব্যবসায়ী জামাল মিনাকে হত্যার চেষ্টা করে। যার মামলা নম্বর ০৮(৫)১২। কুমিল্লার মুরাদনগর থানায় একটি প্রতারনার মামলায় এক বছর সশ্রম কারাদ- হয় নাসির শেখের। মুকসুদপুর থানায় জিআর মামলায় তাদেরকে ডাকাত দলের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন থানায় তাদের বিরুদ্ধে এক ডজনের বেশি মামলা ও জিডি আছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২১
ফজর৩:৫৮
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১১
সূর্যোদয় - ৫:২৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৭০২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.