নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০১৯, ১ চৈত্র ১৪২৫, ৭ রজব ১৪৪০
প্রসঙ্গ : ডাক্তারদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস
চিকিৎসা পেশাকে ব্রত হিসেবে নিয়ে যাঁরা এই ক্ষেত্রে কাজ করতে আসেন, তাঁদের নিষ্ঠা নিয়ে কখনো প্রশ্ন ওঠার কথা নয়। কিন্তু সরকারি হাসপাতালের বেশির ভাগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা প্রাইভেট প্র্যাকটিসের ব্যাপারে এত বেশি মনোযোগী যে হাসপাতালের রোগীদের ব্যাপারে তাঁদের কোনো মনঃসংযোগ নেই। অন্যদিকে কেউ কেউ নিয়ম মেনে অফিস সময় শেষ করে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে বাইরে চলে যান। অনেকেই একাধিক চেম্বার করেন_এমন অভিযোগ আছে। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর অব্যবস্থাপনা নিয়ে এর আগে সংবাদমাধ্যেমে প্রকাশিত ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। চিকিৎসকরা যে নিজেদের কর্মস্থলের চেয়ে ক্লিনিক কিংবা প্রাইভেট প্র্যাকটিসের ব্যাপারে বেশি মনোযোগী, পছন্দের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা, পছন্দের ক্লিনিক বা বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের ব্যাপারে তাঁদের বেশির ভাগের আগ্রহ বেশি_এমন খবর সেসব প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়েছে বলে মনে হয় না। হাতে গোনা কয়েকটি বাদ দিলে দেশের বেশির ভাগ সরকারি হাসপাতালে কোনো শৃঙ্খলা আছে বলে মনে হয় না। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে এই চিত্র সবার চোখেই ধরা পড়ে। গ্রামে থাকার ব্যাপারে চিকিৎসকদের অনীহা, ঢাকা কিংবা শহরাঞ্চলে থাকার প্রবণতাও লক্ষণীয়। এ অবস্থার অবসান হওয়া দরকার। চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসমুখী নয়, হাসপাতালমুখী হতে হবে।

চিকিৎসাসেবা আর দশটি পেশার মতো নয়। মহৎ পেশা হিসেবে গণ্য এই পেশাটি সার্বিক অর্থেই ব্রতসাধনার মতো। কিন্তু বাজার অর্থনীতির সস্তা সময়ে এই মহৎ পেশাটিকেও অনেকাংশে বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত করা হয়েছে। ফলে সেবা নয়, বাণিজ্যই যেন চিকিৎসকদের কাছে প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে। এর সুযোগ নিয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও গড়ে উঠেছে প্রচুর ক্লিনিক। এসব বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের কোনো নিজস্ব ডাক্তার-নার্স নেই। সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরাই সেখানে কাজ করেন। একনেকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিকিৎসকদের বাইরে গিয়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারি হাসপাতালে বসেই যেন চিকিৎসকরা প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারেন, সে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের ব্যবস্থা থাকলে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের প্রতিও চিকিৎসকরা দৃষ্টি দিতে পারবেন। ঢাকার দুটি বড় হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসের ব্যবস্থা আছে। তার ইতিবাচক ফলও পাওয়া গেছে। আমরা আশা করব, দেশের সব সরকারি হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে জরুরি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমার্চ - ২৫
ফজর৪:৪২
যোহর১২:০৫
আসর৪:২৯
মাগরিব৬:১৫
এশা৭:২৭
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৬:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩০৭৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.