নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ৮ এপ্রিল ২০২১, ২৫ চৈত্র ১৪২৭, ২৪ শাবান ১৪৪২
মায়ানমারে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ৭
জনতা ডেস্ক
মায়ানমারের দুটি শহরে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৭ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো। বুধবার দেশটির বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াংগনে একটি চীনা কারখানায় অগি্নসংযোগেরও ঘটনা ঘটেছে; বিক্ষোভকারীরা এদিন চীনের পতাকাও পুড়িয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ক্ষমতাসীন জান্তা সরকারের প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং বুধবার বলেছেন, আইন অমান্য আন্দোলন মায়ানমারকে 'ধ্বংস করে দিচ্ছে'।

গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলের পর থেকে টালমাটাল মায়ানমার বুধবার পর্যন্ত ৫৮০র বেশি বিক্ষোভকারীর মৃত্যু দেখেছে বলে জানিয়েছে এসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিকাল প্রিজনার্স। ১ ফেব্রুয়ারির ওই অভ্যুত্থানের পর সেনাবাহিনীর দমনপীড়ন উপেক্ষা করেই দেশটির বিভিন্ন এলাকায় লাগাতার বিক্ষোভ ও ধর্মঘট হয়েছে। বুধবার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কালেতে নোবেলজয়ী অং সান সু চি নেতৃত্বাধীন বেসামরিক সরকারের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায় বলে সেখানকার এক বাসিন্দা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম কালেতে একাধিকবার গুলিবর্ষণ ও হতাহতের খবর দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম মিজ্জিমা ও ইরাবদী উত্তরপশ্চিমের এ শহরে গুলিতে অন্তত ৫ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে তারা কালেতে বিক্ষোভে গুলি ও হতাহতের সংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে পারেনি। বুধবার ইয়াংগনের কাছে বাগো শহরেও নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ২ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে মায়ানমার নাও। বাণিজ্যিক এ রাজধানীতে চীনা একটি পোশাক কারখানায় আগুন লাগার খবর দিয়েছে মায়ানমারের দমকল বিভাগ। অগি্নকা-ে হতাহতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। ইয়াংগনের আরেক এলাকায় বিক্ষোভকারীদের চীনের পতাকায় আগুন দেওয়ার ছবি ফেইসবুকেও এসেছে।

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এ দেশটির অনেকেই ক্ষমতাসীন জান্তাকে চীনের সমর্থনপুষ্ট মনে করে; গত মাসে ইয়াংগনে চীনের বিনিয়োগ করা ৩২টি কারখানায় অগি্নসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। বুধবার এক বিবৃতিতে সামরিক জান্তার প্রধান জ্যেষ্ঠ জেনারেল মিন অং হ্লাইং বলেছেন, আইন অমান্য আন্দোলনের কারণে হাসপাতাল, স্কুল, সড়ক, বিভিন্ন দপ্তর ও কারখানা স্থবির হয়ে আছে। প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নানা ধরনের বিক্ষোভ হচ্ছে, কিন্তু সেখানে (বিক্ষোভকারীরা) ব্যবসার ক্ষতি করছে না। আইন অমান্য আন্দোলন হচ্ছে দেশ ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত কর্মকা-, বলেছেন তিনি।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীএপ্রিল - ১১
ফজর৪:২৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৩১
মাগরিব৬:২১
এশা৭:৩৬
সূর্যোদয় - ৫:৪০সূর্যাস্ত - ০৬:১৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৫৩৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.