নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ১ বৈশাখ ১৪২৬, ৭ শাবান ১৪৪০
পহেলা বৈশাখ স্বার্থক করুন
মো. ইয়ামিন খান
পহেলা বৈশাখ। বাংলা সনের প্রথম দিন। ১৪২৫ বঙ্গাব্দ অতিক্রম করে ১৪২৬ বঙ্গাব্দে পদার্পণ করল বাঙালি জাতি। এইদিনটি বরণ করার জন্য চলছে নানা আয়োজন। কবিগুরুর লেখা, 'এসো হে বৈশাখ, এসো হে' এই গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে বাঙালি পহেলা বৈশাখ উদযাপনের যাত্রা শুরু করে। এদিন বহি:প্রকাশ ঘটবে পুরোনো দু:খ-দুর্দশা, হতাশা আর অশুভ ছায়া বিনাশের মধ্য দিয়ে সুখ-শান্তি কামনায়। বাংলাদেশ ৪৮ বছর আগে জন্ম নিলেও এদেশ হাজার হাজার বছর ধরে ভারতবর্ষেরই অংশ ছিল বিধায় এই অঞ্চলের মানুষ একই সংস্কৃতির ধারক-বাহক ছিল। প্রতিটি অঞ্চলের সংস্কৃতি নির্মাণে ধর্মের পর সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে সেই এলাকার অর্থনীতি। এদিক দিয়ে বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি বলতে কৃষি সংস্কৃতিই বুঝায়। পলিগঠিত জমির কৃষি নির্ভর বাংলার কৃষক ধর্মে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান যাই হোক না কেন, তার জীবনের আনন্দ, বেদনা, আশা-নিরাশার সঙ্গে কৃষি ফসলের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। নতুন ধান ঘরে তোলার আনন্দ এ অঞ্চলের মানুষের প্রাণের সাথে যুক্ত। বাংলার ফসলি বছরের সাথে এদের ভাত-কাপড়ের সম্পর্ক। তাই চৈত্র সংক্রান্তি, নবান্ন আর পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনবিধানের মানদন্ড। বর্তমানে পহেলা বৈশাখ যেভাবে উদযাপন করা হয় তা অনেকটা বাণিজ্যিকভাবে। এদিন ৫০০ টাকার ইলিশ মাছ হয়ে দাঁড়ায় ৫০০০ টাকায় বা কখনো বিক্রি হয় ১৬০০০ টাকায়। যারা সারাবছর পাশ্চাত্য ধারায় চলাফেরা করেন তারা বছরের একটি দিন বাঙালি পোষাক পরিধান করে, মাটির বাসনে শুকনো মরিচ আর পান্তা ইলিশ খান। একদিনের বাঙালিয়ানা যেন একদিনের মাতৃভক্তি, দিন শেষ, ভক্তি শেষ। একদিকে ধর্মান্ধ স্বার্থান্বেষী ধর্ম ব্যবসায়ী একটি শ্রেণি পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে ব্রাহ্মণ্যবাদী, হিন্দুয়ানি সংস্কৃতি বলে ফতোয়া দিচ্ছে পক্ষান্তরে বৈশাখ ব্যবসায়ীরা বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি তাদের চরম অবজ্ঞা, অবমাননার বহি:প্রকাশ ঘটাচ্ছে, এই উৎসবকে কেন্দ্র করে অপসংস্কৃতির বিস্তার ঘটাচ্ছে। আজ নববর্ষের নামে যে নিদারুণ অপচয় করা হচ্ছে, বাঙালির প্রাণের উৎসবকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে বাণিজ্যিক স্বার্থ হাসিল করা হচ্ছে যার কারণে আজ এর প্রকৃত উদ্দেশ্য, রূপ হারিয়ে যেতে বসেছে। আজ যদি অর্থ গরিব অসহায় মানুষের মধ্যে বন্টন করা হয়, শস্য, ফলমূল সবার মধ্যে ভাগাভাগি করা হয় তাহলে পহেলা বৈশাখের প্রকৃত উদ্দেশ্য স্বার্থক হবে।

মো. ইয়ামিন খান : লেখক

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ১৭
ফজর৪:৩০
যোহর১১:৫৪
আসর৪:১৮
মাগরিব৬:০৪
এশা৭:১৭
সূর্যোদয় - ৫:৪৫সূর্যাস্ত - ০৫:৫৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৬৮৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.