নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ১ বৈশাখ ১৪২৬, ৭ শাবান ১৪৪০
এসো হে বৈশাখ
বাংলা নববর্ষ
মো. আমিরুল ইসলাম
বাংলা নববর্ষ উদযাপনের আধুনিক ও নগরকেন্দ্রিক সূচনা করেছিলেন কবি ইশ্বর গুপ্ত ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দে। অর্থাৎ, বাংলা ১২৫৭ সালের ১ বৈশাখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নগরকেন্দ্রিক বাংলা নববর্ষ উদযাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। তার পূর্বে বিচ্ছিন্নভাবে ঐতিহ্যগত ধারায় পারিবারিক এবং সামাজিক পরিম-লে বাঙালি এ উৎসব পালন করতো। কবি ঈশ্বর গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দের এবং ১২৬০ বঙ্গাব্দের প্রথম মাসিক সংস্করণ বৈশাখ সংখ্যায় নববর্ষের অনুষ্ঠানের বিস্তারিত সংবাদ গুরুত্বসহকারে ছাপা হয়। ১২৬০ বঙ্গাব্দ থেকে তিনি দৈনিক প্রভাকরের দায়িত্ব সহকারী সম্পাদক শ্যামাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে ছেড়ে দেন। নিজে তখন থেকে প্রভাকরের মাসিক সংস্করণ খুবই গুরুত্বসহ সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ঈশ্বর গুপ্ত নামক প্রবন্ধ থেকে জানা যায়, নববর্ষের দিনে সাহিত্যের মহতী সভার আয়োজন করে নতুন অনুষ্ঠানের প্রবর্তন করেন প্রথম ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত। সেখানে নিজের রচনা পাঠের সংগে সংগে নবীনদেরও রচনা পাঠ হতো। উত্তম রচয়িতাদের পুরস্কার দিয়ে উৎসাহিত করার প্রথা তিনিই শুরু করেছিলেন। আমন্ত্রিতদের মহাভোজে তৃপ্ত করতেন। বাঙালি জাতিসত্তার বিনির্মাণ প্রক্রিয়া, মনস্তাত্তি্বক গঠন ও বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার পেছনে কৃষিনির্ভর এবং গ্রামপ্রধান বাংলার মানুষের প্রাত্যহিক জীবনরীতি, উৎসব-অনুষ্ঠান, পালা-পার্বণ, পুণ্যাহ, হালখাতা, খাজনা প্রদানসহ জীবনযাত্রার বহুবিধ উপাদান ও ক্রিয়াসমূহ অতীতকাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। সম্রাট আকবরের সময় হতেই এসব উপাদান সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া বাংলা সনের দিন তারিখ ও তিথি নক্ষত্র অনুযায়ী সম্পন্ন হয়ে আসছে। বাংলা সনের বর্ষপরিক্রমায় সূর্য যখন রাশিচক্রের ওপর দিয়ে মেষ রাশিতে প্রবেশ করে, তখন হতেই বাঙালির বৈশাখ মাসের গণনা শুরু হয় এবং সূর্য বিশাখা নক্ষত্রে প্রবেশের পূর্ব পর্যন্ত বৈশাখ মাস হিসেব করা হয়। মাসের দিন-সংখ্যা নির্ণয় করতে শুরু নক্ষত্র, চন্দ্রদিন, পক্ষ, রাশি, শেষ নক্ষত্র, মাসের শেষ পক্ষ পর্যন্ত জটিল হিসাব খুবই সতর্কতার সাথে করা হয়ে থাকে। প্রকাশ থাকে যে, শকাব্দ থেকেই বাংলা সনের নামগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু শকাব্দের বর্ষ শুরু হয় চৈত্র মাসে আর বঙ্গাব্দের বর্ষ শুরু হয় বৈশাখ মাসে। অগ্রহায়ণ শব্দটির অর্থ বর্ষ শুরুর মাস। যতদূর জানা যায়, আদিতে বাংলা বছরের শুরু হতো অগ্রহায়ণ মাসে। বর্তমানে বাংলা বর্ষপঞ্জিতে অগ্রহায়ণ মাসের অবস্থান অষ্টম। বাংলা বর্ষ প্রবর্তনের প্রাথমিক পর্বে বৈশাখ মাসের অবস্থান ছিল ষষ্ঠ। অর্থাৎ, বাংলা সনের সূচনালগ্নের প্রথম মাসকে বর্তমানে গণনা করা হচ্ছে অষ্টম এবং ষষ্ঠ মাসকে গণনা করা হচ্ছে প্রথম মাস হিসেবে। অপরদিকে শকাব্দে বৈশাখের মর্যাদা দ্বিতীয় এবং অগ্রহায়ণের মর্যাদা নবম। শকাব্দ অতি প্রাচীন সন। আনুমানিক ৭৮ খ্রিস্টাব্দে এ সনের জন্ম হয়। মহারাষ্ট্রের অন্তর্গত শকারি শালিবাহন নামক রাজার স্মৃতিবিজড়িত বলে একে শক, শককলা বা শকাব্দ বলা হয়। শকাব্দ আধুনিক ভারত রাষ্ট্রে জাতীয় সনের মর্যাদা লাভ করেছে। ভারত সরকার ১৯৫৩ সালে শকাব্দকে সংশোধিত আকারে জাতীয় সনরূপে গ্রহণ করেছেন। বাদশাহ আকবর রাজ্যের খেরাজ আদায়ের সুবিধার জন্যে তাঁর রাজসভার রাজজ্যোতিষী ও বিজ্ঞ প-িত আমীর ফতেহ উল্লাহ সিরাজীকে সৌর বছরভিত্তিক 'ফসলি সন' প্রবর্তনের নির্দেশ দেন। নির্দেশ মোতাবেক তিনি ৯৬৩ হিজরির ২৮ রবিউস সানি মোতাবেক (১১ মার্চ ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ) নতুন 'ফসলি সন' প্রবর্তন করেন। বাদশাহ আকবরের সিংহাসন আরোহণের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যে ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ এপ্রিলকে ১ বৈশাখ, ৯৬৩ ফসলি সনরূপে গণ্য করে সৌরবর্ষ ভিত্তিক ফসলি সন গণনা শুরু হয়। প্রকৃতপক্ষে, আকবর ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি সিংহাসনে আরোহণ করেন। কিন্তু ১ বৈশাখকে নববর্ষের প্রথম দিন হিসেবে গণ্য করতে গিয়ে ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ এপ্রিলকে ধরে হিসাব করা হয়। বাদশাহ আকবর তাঁর রাজত্বকালের ২৯তম বর্ষে ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দ হতে সর্বত্র ব্যাপকভাবে ফসলি সন চালুর নির্দেশ প্রদান করেন। পরবর্তীকালে তৎকালীন বাংলায় এই ফসলি সনই বংলা সনে বা বঙ্গাব্দে নামান্তরিত হয়। অতএব, বাদশাহ আকবর প্রবর্তিত ফসলি সন ও বঙ্গাব্দ একই এবং সমসাময়িক। উভয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এক্ষেত্রে ৯৬৩ হিজরি সনকে ৯৬৩ বঙ্গাব্দ ধরে সৌরবর্ষ ভিত্তিক বঙ্গাব্দ বা বাংলা সন গণনা চলতে থাকে। অতএব, প্রথম হিজরি থেকে ৯৬৩ হিজরি পর্যন্ত (৬২২-১৫৫৬) খ্রিস্টাব্দ সময় ছিল চন্দ্রবর্ষভিত্তিক বঙ্গাব্দের প্রথম স্তর। বঙ্গাব্দের দ্বিতীয় স্তর শুরু হয় ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ এপ্রিল হতে সৌরবর্ষের ভিত্তিতে ৩৬৫ দিনে বা ৩৬৬ দিনে বছর গণনার মাধ্যমে। চান্দ্র মাস অনুসারে ২৯ দিন ১২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট হিসেবে ধরে এক চন্দ্রবর্ষ হয় ৩৫৪ দিন ৯ ঘণ্টায়। আর সৌরবর্ষ ভিত্তিক বছর গণনায় এক সৌরবর্ষ হয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে। অতএব, চন্দ্রবর্ষ অপেক্ষা সৌরবর্ষ মোটামুটি ১১ দিন বেশি ধরা হয়। সৌর বছরের ওপর মুখ্যত ২৭টি নক্ষত্রের প্রভাব সরাসরি পড়ে।

বাংলা সনের সাথে চান্দ্র সন, সৌর সন, নাক্ষত্র সন, রাশি, রাশিচক্র, নক্ষত্র, তিথি, দিন, দ-, মুহূর্ত, সপ্তাহ প্রভৃতির সম্পর্ক রয়েছে। কাজেই এ সম্পর্কে আলোচনা প্রয়োজন। চন্দ্রের বর্ষ পরিক্রমণ হিসাব অনুযায়ী চান্দ্র সন প্রতিষ্ঠিত। সাধারণত সাড়ে ঊনত্রিশ দিনে চান্দ্র মাস। এই হিসাবে ৩৫৪ দিন ৯ ঘণ্টায় এক চান্দ্র বছর হয়। বিক্রম সম্বৎ এবং আরবি হিজরি সনও চান্দ্র সনের অন্তর্গত। অপরদিকে সূর্যের বার্ষিক গতি অনুযায়ী সৌর সনের প্রতিষ্ঠা। এই সময় সাধারণত ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টায়। ভারতীয় শকাব্দ এবং বাংলাদেশের বঙ্গাব্দ এবং খ্রিস্টাব্দ সৌরসন অনুযায়ী হিসাব করা হয়। রাশিচক্রের ভিতর দিয়ে চন্দ্রের সাতাশটি নক্ষত্র পরিক্রমণের হিসাব অনুসারে নাক্ষত্র সনের হিসাব করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী কয়েকটি তারার সমবায়ে এক একটি নক্ষত্র পরিকল্পিত। চন্দ্রের নক্ষত্রম-ল পরিক্রমা সমাপ্ত হয় মোট সাড়ে ঊনত্রিশ দিনে। এই সাড়ে ঊনত্রিশ দিনে ত্রিশটি তিথি বা চান্দ্র দিন হিসেব বিবেচনা করা হয়। নক্ষত্র সনে এই ত্রিশ দিনে মাস ধরলে, ৩০ ী ১২ = ৩৬০ দিনে এক বছর হয়। উল্লেখ্য যে, চন্দ্রের রাশি পরিক্রমণে সময় লাগে ত্রিশ দিন, পক্ষান্তরে সূর্যের নিজ রাশিচক্র অতিক্রম করতে সেখানে লাগে ৩৬৫ দিন অর্থাৎ, মাসে সূর্য একটি করে রাশি অতিক্রম করে। তাই চন্দ্রের পরিক্রমের সময়কে বলা হয় মাস, আর সূর্যের পরিক্রমের সময়কে বলা হয় বছর। আমাদের প্রাচীন পূর্বপুরুষেরা প্রথমে সূর্যের গতিবিধি লক্ষ্য করে মাস বছরের হিসাব করতেন না। তাঁরা চাঁদ এবং রাশিচক্রের উপর দিয়ে চাঁদের গতিবিধি দেখে সময় ভাগ করে নিতেন। এই ভাগকেই মাস, তিথি, দ-, বছর ইত্যাদি নামে অভিহিত করতেন। মাস বলতে তারা বুঝতেন চাঁদের এক পূর্ণিমা থেকে আর এক পূর্ণিমায় আসতে যে সময় লাগত, সেই সময়কে। এতে সাধারণত সাড়ে ঊনত্রিশ দিন সময় লাগে। তাই সাড়ে ঊনত্রিশ দিনে এক মাস নির্ধারিত হলো। এই মাসই চান্দ্র মাস নামে অভিহিত হলো। এভাবে বারো মাসে এক বছর ধরা হলো। এতে দিনের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৫৪/৩৫৫। এর পরে সূর্যের গতিবিধি দেখে সময় ভাগ করার ফলে সৌর মাস ও সৌর বছরের সৃষ্টি হলো। আমাদের পঞ্জিকা অনুসারে এক সংক্রান্তি থেকে আর এক সংক্রান্তি সময়কে এক সৌর মাস বলা হয়। এক রাশি থেকে সূর্য, রাশিচক্র বা ক্রান্তি-বৃত্তের উপর দিয়ে চলতে চলতে যেদিন মেষ রাশিতে প্রবেশ করে সেদিন থেকে আমাদের নতুন বছর শুরু হয়। এই দিনটিই পহেলা বৈশাখ। উল্লেখ্য, সংক্রান্তির শুরু হয় মেষ রাশি থেকে এবং তার শেষ হয় মীন রাশিতে। অর্থাৎ, মেষ রাশি থেকে আরম্ভ করে মীন পর্যন্ত বারোটি রাশির প্রত্যেকটিতে চলতে যে সময় লাগে তাকেই এক একটি মাস নামে অভিহিত করা হয়। সে হিসেবে বারো মাসে হয় বছর।

বাংলা নববর্ষের প্রথম ও প্রধান আকর্ষণ বৈশাখী মেলা। একসময় বৈশাখী মেলা গ্রামীণ পরিসরে সীমাবদ্ধ থাকলেও আজ তা বৃহৎ পরিসরে শহর-নগরে প্রসারিত হয়েছে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশের শহরে, গ্রামে-গঞ্জে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসে শত শত বৈশাখী মেলা। একথা অনস্বীকার্য যে, বৈশাখী মেলার মধ্য দিয়ে বাঙালির কৃষ্টি ও সংস্কৃতির এক বিশেষ রূপ খুঁজে পাওয়া যায়। বৈশাখী মেলার কোনোটি এক দিন, কোনোটি দুই দিন, তিন দিন, সাত দিন, দশ দিন আবার কোনো কোনো মেলা এক মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়। এসব মেলায় যেমন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি হয়, তেমনি বিক্রি হয় নানা ধরনের খেলনা, কারু পণ্য ও লোকশিল্পের উপাদান। বৈশাখী মেলাগুলোতে যাত্রা, নাটক, নাচ, গান, ক্রীড়া ও সার্কাসের আসর বসে, ফলে সক্রিয় হয়ে ওঠে অর্থনীতি, নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটে জনজীবনে। মেলা উপলক্ষে যেসব খাবার, খেলনা প্রভৃতি পণ্য তৈরি হয় এবং যেসব ক্রীড়া, নাটক, নাচ, গান লক্ষ্য করা যায়। বৈশাখী মেলাগুলো বাঙালির নিজস্ব কৃষ্টি বিকাশের পাশাপাশি ঐতিহ্য চেতনা, দেশপ্রেম, বহুজাতিক সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন এবং অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনে পালন করে আসছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বৈশাখী মেলা পরবের সবার সাথে দেখাশোনারও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির একটা সামাজিক গুরুত্ব রয়েছে। মেলায় আগত দেশি-বিদেশি বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময়ও এখন আমাদের সংস্কৃতির অংশ। এছাড়া, অধিকাংশ লোকজমেলার মতো বৈশাখী মেলার একটি সর্বজনীন রূপ আছে। সেটা হলো মেলায় অংশগ্রহণে সম্প্রদায় বা ধর্মের ভিন্নতা বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। তাই বাঙালির মৈত্রী-সম্প্রীতির এবং উদার মিলনক্ষেত্র হলো বৈশাখী মেলা। এইভাবে দেখা যায়, বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত বৈশাখী মেলা সমাজের বিভিন্ন দলের মধ্যকার কৃষ্টিগত স্বাতন্ত্র্য নির্মাণে এবং একইসাথে পারস্পরিক সেতুবন্ধন রচনায় হয়ে উঠেছে এক অন্যতম প্রাণের উৎসব।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ১৬
ফজর৪:২৯
যোহর১১:৫৪
আসর৪:১৯
মাগরিব৬:০৫
এশা৭:১৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৫সূর্যাস্ত - ০৬:০০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৬২৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.