নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ১ বৈশাখ ১৪২৬, ৭ শাবান ১৪৪০
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চিফ কমান্ড্যান্ট ইকবালের নিয়োগ বাণিজ্য ১৫ কোটি টাকার দুর্নীতি
পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চিফ কমান্ড্যান্ট (নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান) ইকবাল হোসেনর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের ১৫ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ পেয়েছে দুদক। এ ১৫ কোটি টাকা ছাড়াও অর্থপাচারের অভিযোগও মিলছে তার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন দদুকের একটি টিম ইকবাল হোসেনের বিভিন্ন দুর্নীতি তদন্তে মাঠে কাজ করেছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটির ঊর্দ্বতন কর্মকর্তারা। এর আগে ২০১৮ সালের আগস্টে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সিপাহী পদে ১৮৫ পদের নিয়োগ নিয়ে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এরপর এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৮ সালের ৫ নভেম্বর ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। দুদক ছাড়া ও ইকবাল হোসেনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে রেল মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয় এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছে। দুদকের তদন্তে রেলের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে বেশ কিছু তথ্য ওঠে এসেছে। এর মধ্যে ইকবাল হোসেনে ২০১৮ সালের আগস্টে সিপাহী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে টাকার বিনিময়ে পছন্দকৃত প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়েছেন বলে দুদকের তদন্তে ওঠে আসে। এসব সিপাহীদেও প্রতিজনের কাছ থেকে ১০/১২ লাখ টাকা নিয়েছে এমন প্রমাণও মিলেছে তদন্তে।

জানা যায়, ১৮৫ সিপাহী নিয়োগ দিতে রেলওয়ে থেকে ইকবাল হোসেনকে আহ্বায়ক করে পাচঁ সদস্যের একটি নিয়োগ কমিটি করা হয়। এ কমিটিতে কমান্ড্যান্ট আশরাফুল ইসলামকে সদস্য সচিব, কমান্ড্যান্ট জহিরুল ইসলাম, ফুয়াদ হোসন পরাগ ও এসপিও সিরাজুল্লাহকে সদস্য করা হয়। দুদক সূত্র জানায়, ইকবাল হোসেন নিয়োগের পাঁচ সদস্যের কমিটির প্রধান ছিলেন বলে নিজেই ১৫ কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে এসব টাকা তিনি ব্যক্তিগত কোনো হিসাবের নম্বরে লেনদেন করেননি। সব টাকাই সরাসরি ইকবাল হোসেনের বোন ও বোনের জামাইয়ের ব্যাংক একাউন্ডে লেনদেন করেছেন।এসব বিষয়ে জানতে চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক একাধিকবার চিঠি দিয়েছে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি। তবে সর্বশেষ ফোন করলে তিনি দুদক কার্যালয়ে এসে রেকর্ডপত্র জমা দেন এবং দুদক কর্মকর্তারা তাকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদও করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক কর্মকর্তা জানান, ইকবাল হোসেনের যে সকল রেকর্ডপত্র জামা দিয়েছেন তার সাথে বর্তমানের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। তিনি বিভন্ন কৌশলে দুর্নীতিতে লিপ্ত ছিলেন। নিয়োগ বাণিজ্য ছাড়াও তার বিরুদ্ধে অন্যান্য বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে বোন ও বোনের জামাইয়ের নামে জমি ক্রয়ও করেছেন তিনি। তাছাড়া স্ত্রী ফারজানা ইকবালের নামে একাধিক জায়গাও ক্রয় করেন তিনি। আর নগদ কোন টাকা তিনি স্ত্রী কিংবা নিজের নামে একাউন্টে না রেখে আমেরিকান প্রবাসী বোন ও তার জামাইয়ের একাউন্টে জামা রাখছেন। এসব টাকা তারা (বোন ও জামাই) না থাকা সত্ত্বেও একাধিকবার লেনদেন করা হয়েছে এমন প্রমাণও পাওয়া গেছে। তারা ছাড়া নিয়োগ বাণিজ্যের টাকা তিনি আমেরিকায় পাচায় করেছেন বলেও জানান এ কর্মকর্তা। নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে দুদক সূত্র বলেন, ১৮৫ জন সিপাহী নিয়োগের মধ্যে ১৪ নম্বর সিরিয়ালে থাকা শাহাদাত হোসেন নামে একব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ দেন ইকবাল হোসেন। কিন্তু নিয়োগ পাওয়া পর উল্লেখিত ব্যক্তি এখনো চাকরিতে প্রবেশ করতে পারেননি। তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যায়, সে ব্যক্তির বাবা কোনো মুক্তিযোদ্ধাই ছিলেন না। অথচ ৮ লাখ টাকা দিয়ে নিয়োগ পাওয়ার জন্য তদবির করেন। সর্বশেষ মু্ক্তিযুদ্ধেও সার্টিফিকেট জমা দিতে না পারায় তার নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে বলেও জানায় সূত্রটি এসবা বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন পূর্বকোণকে বলেন, ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর আমরা বিভিন্নভাবে তদন্তে করেছে। তথ্য যাচাইয়ের জন্য ৭০ থেকে ৭৫টি প্রতিষ্ঠানে ইকবাল হোসেনের বিষয়ে তথ্য চেয়ে চিঠিও দিয়েছি। ইতোমধ্যে আমাদের পক্ষ থেকে প্রায় সকল সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন এসব বিষয়ে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতিবেদন জমা দেব। এরপর যদি কোনো ব্যবস্থা নিতে বলেন তারপর আমরা ব্যবস্থা নেব।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ১৫
ফজর৪:৪০
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৫৫
মাগরিব৫:৩৬
এশা৬:৪৮
সূর্যোদয় - ৫:৫৬সূর্যাস্ত - ০৫:৩১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৭৯১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.