নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ১ বৈশাখ ১৪২৬, ৭ শাবান ১৪৪০
কনুই দিয়ে কলম ঘুরিয়ে শিক্ষক হতে চান স্বর্ণা
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) থেকে এস এইচ কাইয়ুম
কনুই দিয়ে কলম ঘুরিয়ে পরীক্ষায় খাতায় লিখে চলছে স্বর্ণা। শিক্ষক হতে স্বপ্নে বিভোর এই স্বর্ণা শত প্রতিবন্ধকতায়ও হার মানেনি। স্বর্ণার দুই হাত নেই কনুই পর্যন্ত। তাতে কি অধ্যক্ষ সাহস নিয়ে এগিয়ে চলছেন সহপাঠীদের সাথে পাল্লা দিয়ে। ছোটবেলায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দুই হাত হারানো স্বর্ণা এবার ভোকেশনাল বিভাগ

থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে।

উপজেলার চরপাড়া গ্রামের দুলাল চন্দ্র সরকারের দুই মেয়ের মধ্যে ছোট স্বর্ণা। রাজিবপুরের ইসলামিয়া টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ থেকে ঈশ্বরগঞ্জ ডিএস কামিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে চলমান এইচএসসি (ভোক) পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে সে। কেন্দ্রের অন্য সব সুস্থ পরীক্ষার্থীর সঙ্গে শারীরিক প্রতিবন্ধী স্বর্ণা রানীও পরীক্ষা দিচ্ছেন। অন্য সহপাঠীদের সঙ্গে বসেই কনুই দিয়ে পরীক্ষার খাতায় লিখছে সে। শনিবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায় স্বর্ণার পরীক্ষা দেয়ার দৃশ্য। মলিন মুখে অন্য সহপাঠীদের সঙ্গে অনবরত লিখে চলেছেন স্বর্ণা। পরীক্ষা শেষে কথা হয় স্বর্ণা রানী সরকারের সঙ্গে। স্বর্ণা জানায়, তার হাত হারানোর গল্প।

দুর্ঘটনার দুঃসহ স্মৃতিতে যখন স্বর্ণা কাতর তখন তাকে ভরসা জোগান মা স্বপ্না রানী সরকার। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর স্বর্ণার কবজিতে কলম ধরিয়ে লেখানোর চেষ্টা শুরু করেন। কিছুদিন চেষ্টার পর স্বর্ণা কনুই দিয়ে লিখতে শুরু করেন। কনুই দিয়ে লিখেই পিএসসি পরীক্ষায় ৩.২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। এরপর গাজীপুরের হরিনাল হাইস্কুল থেকে জেএসসিতে ৪.৬০ এবং এসএসসিতে ৩.৮৯ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও পড়ালেখা বন্ধ করেননি স্বর্ণা। এএসসি পাস করে গ্রামে চলে আসার পর স্থানীয় বিএম কলেজে ভর্তি হন। সে জন্য বাড়িতে ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত শিশুদের প্রাইভেট পড়িয়ে তার সামান্য টাকা দিয়েই নিজের পড়ালেখা চালাচ্ছেন।

স্বর্ণা রানী সরকার জানান, বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে দুটি হাত হারাতে হয়েছে তাকে। কিন্তু তার মায়ের অনুপ্রেরণায় পড়ালেখা করে আলোর পথে হাঁটছে। দুই হাত না থাকলেও কনুই দিয়ে লিখে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। স্বর্ণা বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষক হতে পারলে নতুন প্রজন্ম তাকে দেখে অনুপ্রাণিত হবে। দেশের সকল মানুষের কাছে তিনি আশীর্বাদ প্রার্থী।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীএপ্রিল - ২৫
ফজর৪:০৯
যোহর১১:৫৭
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৭
এশা৭:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:২৯সূর্যাস্ত - ০৬:২২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬৯৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.