নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, সোমবার ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ৩ বৈশাখ ১৪২৫, ২৮ রজব ১৪৩৯
রাণীশংকৈলে দুই বাংলার মিলনমেলা
রাণীশংকৈল থেকে মো. আনোয়ার হোসেন আকাশ
ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈল জগদল সীমান্তে দুই বাংলার মিলনমেলা বসেছে। বাঙালির প্রাণের উৎসব নববর্ষের আনন্দউৎসবে যেন এপার-ওপার বাংলার হাজারো বাঙালিকে একত্রিত করেছে। একটু দেখতে, মনের দু'টো কথা বলাতেই যেন শত শত মাইল দূর থেকে ছুটে আসা। কারণ একটু দেখতে, মনের দুটো কথা বলতেই যেন ছুটে আসা। মা মেয়েকে, বাবা ছেলেকে বা কেউ

অন্য কাউকে বুকে জড়িয়ে ধরে একটু আত্মতৃপ্তি পাবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সীমানা বিভক্তকারি ভৌগোলিক এলাকা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলা নববর্ষ বৈশাখ উপলক্ষে বিজিবি-বিএসএফ'র বাধা উপেক্ষা করে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার দুই পাশে আবেগের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এ বছরও রাণীশংকৈল জগদল সীমান্তের ৩৭৪, ধর্মগড়ের ৩৭৩, হরিপুরের ৩৭২, ডাবরি ৩৬৯ পিলার সংলগ্ন নোম্যান্স ল্যান্ডের নাগর নদীর পাড়ে দুই বাংলার মিলন মেলা নজর কেড়েছে। মাঝখানে দাঁড়িয়ে কাঁটাতারের বেড়া দুই পাশে দাঁড়িয়ে দুই দেশের কান্না জড়িত কন্ঠে মা-মেয়ে, আত্মীয় স্বজন, জামাই-শাশুড়ি অনেকেই। চোখে অশ্রুধারা মনে হচ্ছিল মাকে একটু ছুয়ে দেখি কিন্তু তা আর হয়না। ভৌগোলিক সীমারেখায় দাঁড়িয়ে থাকা কাঁটাতার পাশানের মতো দাঁড়িয়ে আছে। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ এলেই ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত পিলারের কাছে উভয় দেশের মানুষ তাদের স্বজনদের এক পলক দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন। উভয় দেশের আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে মুঠো ফোনের মাধ্যমেই আসার বিষয়টি নিশ্চিত করে নেন দুই দেশে বসবাসকারি আত্মীয়-স্বজনরা। পাসপোর্ট করতে না পারা বা অভাবের তাড়নায় যারা বাংলাদেশ থেকে ভারত কিংবা ভারত থেকে বাংলাদেশ আসতে পারে না তারা এই দিনটির অপেক্ষায় থাকেন। নোম্যান্সল্যান্ডে হাজির হয়ে কথা বলেন, উপহার সামগ্রী আদান-প্রদান করেন। বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) একমত হয়ে সীমান্তের জিরো ভৌগলিক অবস্থানে দাঁড়িয়ে দুই দেশের মানুষের কথা বলাবলি-চোখে দেখা হয়। যে যেভাবে পারেন কথা সেরে নিতে থাকেন। প্রচন্ড রোদ্রতাপকে উপেক্ষা করেই দেখা করে মানুষ। দেখা-কথা বলার মাঝেই উভয় দেশের আত্মীয় স্বজনদের জন্য উপহারটি কাঁটা তারের বেড়ার উপর দিয়ে চালিয়ে দেন। অনেক সময় দুষ্কৃতি প্রকৃতির লোকেরা এসব উপহার নিয়ে পালিয়ে যায়। বগুড়া থেকে আসা সীতা রাণী বলেন, আমি আমার মেয়েকে দেখতে এসেছি। মেয়ে ভারতের পানিপথে থাকে। দুপুর হয়ে গেল এখনও মেয়ের সাথে দেখা হয়নি। মানুষের ভিড়ে দেখা হচ্ছে না তবে তারা এসেছে দেখা হবে। নাটোরের গৌতম জানান, তার খালার সাথে দেখা করতে এসেছেন। ১৫ বছর থেকে খালাকে দেখেননি বলে তিনি কিছু উপহার নিয়ে এসেছিলেন। খালার সাথে কথা বলার পর উপহারগুলো দিয়েছেন। দিনাজপুরের আনসার আলী জানান, ভারতে থাকা ১৫-২০ জন আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করে কথা বলেছেন অনেকদিন পর। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আফরিদা বলেন, বিজিবি-বিএসএফের উদ্যোগে মিলনমেলায় দুই দেশের মানুষ দেখা করার, কথা বলার সুযোগ পায় এটা প্রশংসনীয়। তাছাড়া এটি সাময়িকভাবে বেদনাদায়ক হলেও অনেক আনন্দের। দুই দেশের মিলনমেলা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা কামনা করছি।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ২৫
ফজর৩:৪৫
যোহর১২:০১
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৭
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৮৩৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.