নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, সোমবার ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ৩ বৈশাখ ১৪২৫, ২৮ রজব ১৪৩৯
বৃষ্টির অপেক্ষায় হালদা নদীতে মা মাছ
হাটহাজারী থেকে মাহমুদ আল আজাদ
দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী। এ নদীতে চৈত্র-বৈশাখ মাসে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কার্প জাতীয় মা মাছ ডিম ছাড়ে। চৈত্র মাসে হালদা নদীতে ছাড়া ডিম খুবই উৎকৃষ্ট। এ ডিমের পোনা দ্রুত বর্ধনশীল। বাংলা বছরের শেষ মাস থেকে বিশেষ করে ফাল্গুন মাসের শেষ দিকে সাংগু, মাতামুহুরী, কর্ণফুলীসহ বিভিন্ন

শাখা নদী ও খাল থেকে মা মাছ হালদা নদীতে চলে আসে।প্রতি বছরের মতো এবারও মা মাছগুলো হালদা নদীতে এসেছে। মাছের পেট ভর্তি ডিম মা মাছের আনাগোনা বেড়েছে। ডিম দেয়ার পরিবেশ ঠিক তাকলে আগামী জো'তে রুই জাতীয় মাছ ডিম ছাড়বে হালদা নদীতে। ইতোমধ্যে ডিম ধরার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে হাটহাজারী উপজেলার ডিম আহরণকারীরা।প্রজনন মৌসুমে হালাদা নদীতে ড্রেজার ও ইঞ্জিনচালিত মালবাহী বোট চলাচলের উপর নিষিদ্ধ থাকার পরও নদী থেকে বালি উত্তোলন করছে অবাধে। এতে করে মা মাছ ড্রেজারের আঘাতে মারা যেতে পারে এবং মা মাছ চলাচলে বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

ডিম আহরনকারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি ১০ এপ্রিল থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ দিন অমাবস্যার জো রয়েছে। পরিবেশ ঠিক তাকলে যেকোন দিন হালদায় ডিম দিতে পারে রুই জাতীয় মা মাছ।আর যদি এ সময়ে ডিম না দেয় তাহলে আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত পূর্ণিমার জোতে ডিম দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রত্যেক বছর ডিম আহরণকারীরা ফাল্গুন মাস থেকে ডিম আহরণের সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুত থাকে। এবারও ডিম আহরণকারীরা ইতোমধ্যেই তাদের যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। হালদা থেকে ডিম সংগ্রহ করতে মাটির কুয়া, নৌকা, জাল, বড় পাতিলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে ডিম আহরণকারীরা। আহরণকরীরা প্রহর গুনছে আকাশে কখন মেঘের গর্জন ও ভারিবর্ষণ আর পাহড়ি ঢল নামবে ।এগুলো হলে নদীদে রুই জাতীয় মা মাছ ডিম দেবে। হাটহাজারী গড়দুয়ারা এলাকার ডিম আহনকারী কামাল উদ্দিন সওদাগর বলেন,প্রতি বছরের মত এবারও ডিম আহরন করার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি। জোয়ারভাটার এ নদী হালদা যেখান থেকে রুই জাতীয় মাছের ডিম সংগ্রহ করা হয়। হাটহাজারী রাউজান উপজেলার সীমানা দিয়ে বয়ে যাওয়া হালদা নদীতে স্মরণাতীত কাল থেকে প্রতি বছর চৈত্র-বৈশাখ মাসে ডিম ছাড়ে মা মাছ। নদী থেকে বছরের পর বছর ডিম সংগ্রহ করে তা থেকে রেণু ফুটিয়ে বিক্রি করে আর রেণুর আয় দিয়ে পুরো বছর জীবিকা নির্বাহ করে আহরণকারীরা।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৬
ফজর৫:১২
যোহর১১:৫৪
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৫
সূর্যোদয় - ৬:৩৩সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬০০৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.