নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, সোমবার ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ৩ বৈশাখ ১৪২৫, ২৮ রজব ১৪৩৯
বাতিল 'টু ফিঙ্গার টেস্ট'
ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুর শারীরিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে আইনি বা বিজ্ঞানসম্মত কোনো ভিত্তি নেই বিধায় তথাকথিত 'টু ফিঙ্গার টেস্ট' ও 'বায়ো ম্যানুয়াল টেস্ট' নিষিদ্ধ করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী গত বছর বাংলাদেশ সরকার যে হেলথ প্রটোকল করেছে, সেই বিধি মেনে ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুদের পরীক্ষা করতে হবে। অধিকারকর্মীরা দীর্ঘদিন থেকেই এই অযৌক্তিক পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তাঁদের যুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এ পদ্ধতিতে ধর্ষণ প্রমাণের কোনো ভিত্তি নেই। কারণ শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াও নানা কারণে হাইমেন ছিন্ন হতে পারে। তা ছাড়া নারী বিবাহিত হলে টু ফিঙ্গার টেস্টে আদৌ কিছু বোঝা সম্ভব নয়। 'টু ফিঙ্গার টেস্ট' ও 'বায়ো ম্যানুয়াল টেস্ট' এই দুই পরীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পাশাপাশি রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুদের পরীক্ষা করার সময় একজন করে গাইনোকলজিস্ট, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, নারী পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রয়োজনে ভিকটিমের একজন নিকটাত্মীয়কে সেখানে রাখতে হবে। আদালত আরো বলেছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো পক্ষের আইনজীবী যেন ভিকটিমকে মর্যাদাহানিকর কোনো প্রশ্ন না করে। আদালতের এই রায়, নির্দেশনা ও পর্যবেক্ষণ নিঃসন্দেহে যুগান্তকারী। বছর চারেক আগে আদালতের নির্দেশে গঠিত একটি কমিশন ওই পরীক্ষা বন্ধের সুপারিশ করে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকলের সঙ্গে সংগতি রেখে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও একটি নির্দেশিকা তৈরি করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হেলথ প্রটোকল অনুযায়ী বাংলাদেশে যে প্রটোকলটি করা হয়েছে, সেখানে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর পরীক্ষা কিভাবে হবে, তা বিশদভাবে বর্ণনা দেয়া আছে।

বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার যেকোনো নারী ও শিশুর জন্য বিচার চাইতে যাওয়ার পর্যায়টিও কম বিড়ম্বনার নয়। ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর একজন নারী বা শিশু স্বাভাবিকভাবেই ট্রমা ও মানসিক চাপের মধ্যে থাকে। অভিযোগ আছে, থানায় মামলা করতে গেলে তাকে যেভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তা অনেকটাই আরেকবার ধর্ষণের শামিল। আবার মামলা আদালতে গড়ানোর পর ভিকটিমকে প্রতিপক্ষের আইনজীবীর যেসব প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়, সেটাও তার জন্য কম বিড়ম্বনার নয়। অনেক সময় মর্যাদাহানিকর এসব জেরা শালীনতার মাত্রা অতিক্রম করে বলেও শোনা যায়। আমরা আশা করি, আদালতের এই রায়ের পর ধর্ষণের শিকার কোনো নারী বা শিশুকে নতুন করে কোনো ধরনের মানসিক চাপ বা বিড়ম্বনার শিকার হতে হবে না।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৯
ফজর৫:১৫
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬১২৪.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.