নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৬ মে ২০১৮, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৯ শাবান ১৪৩৯
অভয়নগর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দাতা সদস্য নিয়োগে অনিয়ম
আদালতে মামলা দায়ের
অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
অভয়নগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ অভয়নগর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়। আগামী ১৭ মে ঐ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন। প্রধান শিক্ষক তার পক্ষের লোককে সভাপতি পদে নির্বাচিত করার জন্য

নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। যার ফলশ্রুতিতে একমাত্র দাতা সদস্যকে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। এ ঘটনায় গত রোববার অভয়নগর থানার বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং- ৮০/ ১৮। এলাবাসী ও আদালতে দাখিলকৃত মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিদ্যালয়ে দাতা সদস্য সংগ্রহ করার জন্য এলাকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর নিয়মতান্ত্রিকভাবে স্থানীয় বাণিপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলমের ছেলে আছাদুল ইসলাম (৩৭) বিশ হাজার টাকা বিদ্যালয়ের একাউন্টে জমা দেন। আছাদুল ইসলামের টাকার রশিদ বুঝে নিয়ে প্রধান শিক্ষক তাকে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেন। প্রত্যয়নপত্রে প্রধান শিক্ষক উল্লেখ করেন দাতা সদস্য হিসাবে আর কেউ অর্থ প্রদান করেন নাই। নিয়মতান্ত্রিকভাবে আছাদুল ইসলাম হবেন ঐ বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তিনি ভোটার হবেন। পরে তিনি নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য হবেন। যার পদ থাকবে পরিচালনা পর্ষদের দাতা সদস্য।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ক্ষমতা বলে আসন্ন নির্বাচনে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করেন। যার ফলে দাতা সদস্য আছাদুল ইসলামকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আছাদুল ইসলামের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কী না তা জানার জন্য আছাদুল ইসলাম তিনশ টাকার বিনিময়ে দশ পৃষ্ঠার এক সেট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ক্রয় করেন। তাতে তিনি দেখতে পান তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ফলে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মলি্লক আরাফাত হোসেন বলেন, আছাদুল ইসলাম বিশ হাজার টাকা দান করে দাতা সদস্য হয়েছেন। আর কেউ ওই পদের জন্য অর্থ জমা দেয়নি। আমি তাকে দাতা সদস্য হিসাবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছি। কিন্তু আমার ভুলক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আসন্ন নির্বাচনের জন্য তার মনোনয়নপত্র ক্রয় করা হয়নি। যার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্তকর্তা তাকে দাতা সদস্য হিসাবে নির্বাচিত করেননি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও নির্বাচন পরিচালনা করার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার ফিরোজ আহমেদ জানান, আমি নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছি। তফষিল অনুযায়ী আছাদুল ইসলাম মনোনয়নপত্র ক্রয় করেননি। যার দরুন তার দাতা সদস্য পদ বাতিল হয়েছে।

এ ব্যাপারে সংশোধনের আর কোনো সুযোগ নেই। ভুক্তভোগী আছাদুল ইসলাম জানান, আমি নিয়মতান্ত্রিকভাবে দাতা সদস্য হয়েছি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাকে চক্রান্ত করে দাতা সদস্যের পদ থেকে বাদ দিয়েছে। যাতে করে তার পছন্দের লোককে সভাপতি পদে নির্বাচন করতে কোনো অসুবিধা না হয়।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৯
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৫সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫১৩৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.