নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৬ মে ২০১৮, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৯ শাবান ১৪৩৯
চলনবিলে বাঙ্গীর বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের চলনবিল এলাকায় রসুনের জমিতে সাথী ফসল হিসাবে বাঙ্গী চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আর এই বাঙ্গী কেনাবেচা করে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। সাথি ফসল হিসাবে এই এলাকায় বাংঙ্গী ও তরমুজের আবাদ হয়ে থাকে।

এসময় কৃষক-কৃষাণীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। মাঠে নেমেছেন পাকা বাঙ্গী তুলতে। বিস্তীর্ণ মাঠের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া সরু পিচঢালা সড়কের দু'পাশে সারি সারি করে রাখা হয়েছে ফল আর ফল। তুলে আনা এসব পাকা বাঙ্গী সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিক্রির জন্য। রসুনে ক্ষতি হলেও সাথি ফসল বাঙ্গীতে বাম্পার ফলনের পাশাপাশি দামও পাচ্ছেন বেশ ভালো। এতে রসুনের ক্ষতি পুষিযে লাভের আশাও করছেন চলনবিলের কৃষকরা। দূরের ফরিয়ারা আগেই আসেন এলাকার বাঙ্গী কিনতে। পাকা বাঙ্গী বিক্রির পর দুপুর থেকে তুলনামূলক কাঁচা ও আধাপাকা বাঙ্গী ট্রাকে লোড শুরু হয়। এগুলো রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নেয়া হয়। এভাবেই প্রতিদিন চলনবিলের বিভিন্ন উপজেলার গ্রামে গ্রামে জমে উঠেছে কাঁচা-পাঁকা বাঙ্গী বেচাকেনা।

রসুনের জমিতে সাথী ফসল বাঙ্গী চাষ করে লাভবান হচ্ছেন এই এলাকার কৃষকরা। বিগত প্রায় ৭ বছর ধরে অনেকটা বিনা খরচে এ আবাদ লাভজনক হওয়ায় বাঙ্গী চাষের প্রতি কৃষকের আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলছে। উৎপাদিত এই বাঙ্গী স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েও যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

বাঙ্গী চাষ করার জন্য আলাদা করে জমির দরকার হয় না। রসুন চাষের জমিতেই বাঙ্গী বীজ বপন করতে হয়। রসুন উঠে যাওয়ার পরই বাঙ্গীর গাছ ছড়িয়ে পড়ে ক্ষেতে। তখন সামান্য সেচ ও কীটনাশক দিয়ে যত্ন নিলেই গাছে গাছে ফুল ও ফল ধরতে শুরু করে। চৈত্র মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ধরে থাকা বাঙ্গী তুলতে শুরু করে কৃষক। কৃষকরা জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে রসুনে ভালো ফলন হলেও আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষক। ফলে অনেকটা বিনা খরচে অধিক লাভজনক হওয়ায় রসুনের লোকসান পোষাতে বাঙ্গী চাষে ঝুঁকছে এ অঞ্চলের কৃষক। তবে এবছর রসুনেও ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বাঙ্গীতে আশানুরুপ দাম পাওয়ায় বেশ খুশি তারা। চলনবিল এলাকায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০-৫০টি ট্র্যাক বাঙ্গী লোড করা হয়। প্রতিটি ট্র্যাকে তিন থেকে চার হাজার পিছ বাঙ্গী লোড করা হয়। এতে ট্র্যাক প্রতি প্রায় ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকার বাঙ্গী নিয়ে যায় ব্যাপারিরা। এ অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ টাকার বাঙ্গী সরবরাহ করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। দূরের ব্যাপারীরা কৃষকের ক্ষেত থেকে ১শ পিস বাঙ্গী ৩৫শ থেকে ৪ হাজার টাকায় কিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করছেন ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকায়। এছাড়া প্রতিদিন সকালে রাস্তার মোড়ে মোড়ে পাকা বাঙ্গী নিয়ে কৃষক বধূরা ফরিয়াদের কাছে খুচরা ও পাইকারিতে ডালি যুক্তিতে বিক্রি করছেন।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলনবিলাঞ্চলে এ বছর ৪৫০ হেক্টর জমিতে বাঙ্গী ও ৫৭০ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন কৃষক। বিগত কয়েক বছর ধরে রসুনে ভাল দাম না পাওয়ায় একই জমিতে বিঘায় ৯-১২ হাজার টাকা ব্যয়ে বাঙ্গী চাষ করছে এ অঞ্চলের কৃষক। এতে করে অল্প খরচে বাঙ্গী চাষে অধিক লাভ হওয়ায় রসুনের লোকসান পুষিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে তারা। তাছাড়া এ মৌসুমে প্রখর রোদ আর গরমের কারণে বাঙ্গীর চাহিদা আগের তুলনায় অনেক বেশি।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ২৬
ফজর৩:৪৭
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৫
মাগরিব৬:৪১
এশা৮:০৪
সূর্যোদয় - ৫:১৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭১৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.