নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৬ মে ২০১৮, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৯ শাবান ১৪৩৯
সফলতার ৩ বছর
রাজধানীর ১১ হাজার মিনি ডাস্টবিনের অধিকাংশই অকেজো
স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের দায়িত্ব গ্রহণের ৩ বছর পূর্তিতে সফলতা ও ব্যর্থতার হিসেব কষছেন নগরবাসী। এই সময়য়ের আলোচিত বিষয় হিসেবে সাধারণ নাগরিকরা নগরীতে মশার উপদ্রব ও বর্জ্য অপসারণে মেয়রের ব্যর্থতাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। অপরদিকে এই ব্যর্থতা ও সফলতার বিষয়ে আজ মেয়র সাঈদ খোকন সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। তিনি এই সময়টাতে নিজেকে সফল হিসেবেই বেশি প্রকাশ করতে যাচ্ছেন। দৈনিক জনতার অনুসন্ধানে দেখা গেছে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে রাজধানীর সড়কগুলোতে প্রায় ১১ হাজার মিনি ডাস্টবিন বসিয়েছিল সিটি কর্পোরেশন। তবে এসব ডাস্টবিনের প্রায় অর্ধেকই উধাও। এরমধ্যে বেশিরভাগ ডাস্টবিন চুরি হয়ে গেছে, আর কিছু ডাস্টবিন ব্যবস্থাপনার অভাবে অকেজো হয়ে পড়েছে। টিকে থাকা বিনগুলোর অবস্থাও জরাজীর্ণ।

জানা গেছে, নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ২০১৬ সালে রাজধানীর সড়কগুলোতে বসানো হয় প্রায় ১১ হাজার মিনি ডাস্টবিন। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে ১০০টি করে মোট ৫ হাজার ৭০০ মিনি বিন বসানো হয়। বসানোর কয়েক দিনের মধ্যেই চুরি, নষ্ট ও অকেজে হয়ে যাওয়া মিনি ডাস্টবিন মেরামত বা পুনঃস্থাপন করলে কয়েকদিন পরই আবার ভেঙে যায় বা চুরি হয়ে যায় এসব ডাস্টবিন। এগুলোতে ফেলা ময়লা পরিষ্কারও করা হয় না। ফলে বিনগুলো কোনও কাজেই আসছে না। বরং মেরামত আর পুনঃস্থাপনে খরচ বেড়েই চলেছে এসব বিনের পেছনে। যদিও কর্তৃপক্ষ বলছেন, মেরামত করে বিনগুলো ব্যবহারের উপযোগী করা হবে।

দুই সিটি কর্পোরেশনে বিনগুলো বসানোর কিছুদিন পরই সেগুলোর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন নগরবাসী। তাদের অভিযোগ, বিনগুলো পরিষ্কার করা হয় না বলেই তারা সেগুলোতে খুব একটা ময়লা ফেলেন না। ফলে অধিকাংশ ওয়েস্ট বিনই খালি পড়ে থাকে অথবা ভরা থাকে। ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে বিনের নিচে ও আশপাশে। নগরবাসীর অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে। অনেক বিনেই কয়েকদিনের ময়লা পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

সম্প্রতি ফুটপাতের এসব মিনি ডাস্টবিন নিয়ে জরিপ চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকদের দিয়ে চালানো এ জরিপে দেখা গেছে, সংস্থার ৫ হাজার ৭০০টি বিনের মধ্যে ৫১ শতাংশ বিন রয়েছে। বাকি ২৭ শতাংশ বিন এখন মেরামতযোগ্য, আর ২২ শতাংশ বিনের কোনও হদিস নেই। সড়কের এসব বিনের বাইরে সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নগরীর বিভিন্ন বস্তিতে বর্জ্য ফেলার জন্য ২০ হাজার ঢাকনাযুক্ত বিন সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু বিনগুলো উন্নতমানের হওয়ায় অনেকেই বর্জ্য না ফেলে ঘরের মালামাল রাখার কাজে ব্যবহার করছেন।

জানতে চাইলে ডিএসসিসির অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম বলেন, যেসব বিন নষ্ট হয়েছে, আমরা সেগুলো মেরামত করেছি ও করছি।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ১৬
ফজর৩:৫৫
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:২০সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৭৪৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.