নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৬ মে ২০১৮, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৯ শাবান ১৪৩৯
ক্ষতিকর ইথোফেন দিয়ে পাকানো হচ্ছে অপরিপক্ব আম
বিশেষ প্রতিনিধি
ফল দোকানে থরে থরে সাজানো পাকা আম। পাকা এই আমের রংটা এমন যে, দেখলেই যে কারওই কিনতে ইচ্ছে করবে। আর মিষ্টি হবে এমন অঙ্গিকার করে কেনার জন্য থেকে থেকে ডাকছেন বিক্রেতা। কিন্তু সেই আম কেটে দেখা গেল আম তো পাকেইনি, এমনকি ভেতরের আঁটিও এখনো পরিপক্ব হয়নি। গতকাল মঙ্গলবার এমন আম জব্দ করেছে র?্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রাজধানীর সবচেয়ে বড় ফল আড়ত বাদামতলীতে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে শত শত মণ ফল ধ্বংসের পর এবার কারওয়ান বাজারের ফল আড়তে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব, বিএসটিআই ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ টিম। গতকাল মঙ্গলবার র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। এ সময় ফলে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক কেমিকেল ইথোফেন থাকার অভিযোগে ৪শ মণ আম ধ্বংস করা হয়।

র?্যাব সূত্রে জানা গেছে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম গতকাল মঙ্গলবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন। পরে সেগুলো নষ্ট করে ফেলা হয়।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম বলেন, কারওয়ান বাজারের মতো ফল বাজারে ভেজালচক্র ক্ষতিকর কেমিকেল মিশিয়ে বাজারজাত করছে। রমজান মাসে এসব খেয়ে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়বে। তা ছাড়া এটি মারাত্মক অপরাধ।

তিনি বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা ফল পাকাতে এখন ব্যবহার করছেন ইথোফেন। ইথোফেন একটি হরমোন স্প্রে। এটি জমিতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তাড়াতাড়ি লাভের আশায় ব্যবসায়ীরা সরাসরি এখন আমে ব্যবহার করছে। এই আম খেলে ডায়রিয়া হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত ইথোফেন মানবদেহে প্রবেশ করলে ক্যান্সার ও কিডনি নষ্টসহ মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে।

কাঁচা আম এই স্প্রে দিয়ে পাকানো হয়। শাস্তি হিসেবে আড়তের ৪শ মণ আম জব্দ করে তা ধ্বংস করে র‌্যাব। পুরো রমজান জুড়েই রাজধানী ও দেশের বিভিন্নস্থানে অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরে সারওয়ার আলম বলেন, দেখতে হলুদ হলেও জব্দ করা আমগুলোর আঁটি পর্যন্ত অপরিপক্ব। অধিক লাভের আশায় অপরিপক্ব আম ক্ষতিকর পদার্থ দিয়ে পাকানোর পর বিক্রি করা হচ্ছিল।

সারওয়ার আরও জানান, অপরিপক্ব আম বিক্রির অভিযোগে ৮ ব্যক্তিকে ২ থেকে ৩ মাসের কারাদ- দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া জব্দ করা আম নষ্ট করে ফেলা হয়।

কারাদ-প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন নূর আলম, মিলন, জাহিদ, মো. মিলন, হাবিব দেওয়ান, টিটু সরদার, কামাল ও হজরত আলী।

সারওয়ার আলম আরও জানান, গতকাল মঙ্গলবার কলার আড়তেও অভিযান চালানো হয়। তবে এ সময় কলাতে ক্ষতিকর কিছু পাওয়া যায়নি। এর আগে এক অভিযানে কলায় ক্ষতিকর পদার্থ পাওয়ায় ২৩ জনকে জরিমানা ও কারাদ- দেয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ২৬
ফজর৩:৪৭
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৫
মাগরিব৬:৪১
এশা৮:০৪
সূর্যোদয় - ৫:১৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭১৪.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.