নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০১৯, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১০ রমজান ১৪৪০
জনতার মত
সাহরি খাওয়ায় বরকত রয়েছে-১
মোহাম্মদ আবু নোমান
রোজা বা সিয়াম পালন করার উদ্দেশ্যে শেষ রাতে পানাহার করাকে সাহরি বলা হয়। সাহরি খাওয়া সুন্নত। বিলম্বে সাহরি খাওয়া উত্তম। পেটে ক্ষুধা না থাকলেও দু-একটি খেজুর, চা, পানি অথবা অন্য কোনো জিনিস খেলেও সাহরির ফজিলত অর্জিত হবে। (হেদায়া-১/১৮৬) ইসলামি বিধানমতে, এটি সুন্নত হলেও প্রকৃতপক্ষে তাকওয়া অর্জন এবং আধ্যাত্মিক উন্নয়নের জন্য এর গুরুত্ব ও ফজিলত অপরিসীম। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) বলেন, তোমরা সাহরি খাও, কেননা সাহরিতে বরকত রয়েছে। (বুখারি-১৮০১) আমর ইবনুল আস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'আমাদের রোজা আর আহলে কিতাবদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া আর না খাওয়া। (মুসলিম শরিফ- ১৩১)

হাদিসে এসেছে, 'সাহরি হলো বরকতময় খাবার। তাই কখনো সাহরি খাওয়া বাদ দিয়ো না। এক ঢোক পানি পান করে হলেও সাহরি খেয়ে নাও। কেননা সাহরির খাবার গ্রহণকারীকে আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর ফেরেশতারা স্মরণ করে থাকেন।' (মুসনাদ আহমাদ)

সাহরি খাওয়া বিলম্বিত করার জন্য রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকিদ করেছেন। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি রোজা রাখতে সংকল্প করে, তার জন্য শেষ রাত্রে কিছু পানাহার করে সাহরি পালন করা কর্তব্য। অপর এক হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, মুসলমানদের ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের রোজা পালন করার মধ্যে পার্থক্য হলো 'সাহরি' খাওয়া। অর্থাৎ মুসলমানগণ সাহরি গ্রহণ করে রোজা রাখে। আর অমুসলিমরা সাহরি না খেয়ে রোজা পালন করে। এটাই উভয়ের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য। সাহরি গ্রহণ করার শেষ সময় হলো সুবহে সাদিক উদয় হওয়া। অর্থাৎ, রাতের শেষাংশে সুবহে সাদিক উদয় হওয়ার আগ পর্যন্ত সাহরি গ্রহণ করা যায়। এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সা.) সাহরি খাওয়া বিলম্বিত করতে উৎসাহ প্রদান করেছেন। বস্তুত : সাহরি বিলম্বে গ্রহণ করলে আল্লাহ পাকের সন্তোষ লাভ ও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অনরুসৃত নীতির পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন সাধিত হয়। তিনি সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ করেছেন যে, 'তোমরা রাত্রির শেষাংশে সাহরি গ্রহণ কর।' (তাবরানি) এই হাদিসে রাতের শেষাংশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং এর ব্যতিক্রম না করাই বিধেয়।

অনেক রোজাদার এমনও আছে যারা মধ্য রাতেই সাহরি গ্রহণ করে থাকে। আবার এমন লোকও আছে যারা রাতের প্রথমাংশেই সাহরি গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা পূর্ণ করে নেয়। এ ধরনের সাহরি খাওয়া ইসলামে পছন্দনীয় কাজ নয়। বরং যেভাবে কর্ম সম্পাদন করলে আল্লাহ পাক খুশী হন, সে পন্থা অবলম্বন করাই শ্রেয়।

কুরআনুল কারিমে মহান রাব্বুল আলামিন সাহরি খাওয়ার শেষ সময়ও রোজা শুরু করার প্রথম সময় বুঝাবার জন্য ইরশাদ করেছেন, 'আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ রাত্রির কৃষ্ণ রেখা হতে ঊষার শুভ্র রেখা স্পষ্ট রূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়'। (সূরা বাকারাহ : ১৮৭)। এই আয়াতে কারিমায় কৃষ্ণরেখা বলতে সুবহে কাজেবকে বুঝানো হয়েছে এবং শুভ্র রেখা বলতে সুবহে সাদেককে নির্দেশ করা হয়েছে। সুতরাং সুবহে কাজেব অর্থাৎ রাত্রের কালো অন্ধকার অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত সাহরি গ্রহণ করা যাবে এবং সুবহে সাদেক অর্থাৎ দিনের শ্বেত শুভ্র আলো স্পষ্ট হয়ে উঠলেই রোজা শুরু হয়ে যাবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২২
ফজর৩:৫৮
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১১
সূর্যোদয় - ৫:২৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩২৫১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.