নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০১৯, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১০ রমজান ১৪৪০
শিশুখাদ্য দুধও বিষাক্ত!
জানা গেছে, গত ১০ বছর থেকে দেশে দুধের উৎপাদন বেড়েছে চার গুণ। মোট চাহিদার ৭০ শতাংশ এখন দেশেই উৎপাদন হচ্ছে। কর্মসংস্থান হয়েছে কয়েক লাখ যুবকের। দেশে গড়ে উঠেছে ১২ লাখ খামার। উল্লেখযোগ্যভাবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না পেলেও নীরবে শিল্পটির বিকাশ ঘটেছে দেশে। শিক্ষিত যুবকরাও খামার গড়ে তুলছেন। দেশীয় খামারিদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানিগুলো। দুধ দিয়ে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তৈরি হচ্ছে। উৎপাদিত দুধ থেকে তৈরি হচ্ছে উচ্চ মানসম্পন্ন শিশুখাদ্য, পাস্তুরিত তরল দুধ, মাখন, মিষ্টি, দই, পনির, ঘি, লাবাংসহ দুগ্ধজাত পানীয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, দুগ্ধজাত এসব খাদ্যপণ্য তৈরি করতে গিয়ে ভেজাল মেশানো হচ্ছে। শুধু ভেজাল নয়, মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকর এমন উপাদান, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এসব খাবার ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। সংবাদমাধ্যেমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ঢাকাসহ সারা দেশের বাজারগুলো থেকে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যসংক্রান্ত ১৯০টি নমুনা পরীক্ষা করে ক্ষতিকর উপাদান পেয়েছে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো। বিশেষ করে কাঁচা তরল দুধের ৯৬টি নমুনার মধ্যে ৯৩টিতেই ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া গেছে বলে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে। হাইকোর্টে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

দুধ, দই, গোখাদ্যে কীটনাশক, ব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিবায়োটিক, সিসাসহ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন উপাদানের উপস্থিতি নিয়ে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের একটি গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে সংবাদমাধ্যেমসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে গত ১১ ফেব্রুয়ারি একটি খবর প্রকাশিত হয়। ওই খবরের ভিত্তিতেই হাইকোর্ট থেকে কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। আইনগত ব্যবস্থা নিতে দুদককে নির্দেশও দেয়া হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গাভির দুধ ও বিভিন্ন প্যাকেটজাত দুধ, দই ও গোখাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করে তাতে কী পরিমাণ কীটনাশক, ব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিবায়োটিক, রাসায়নিক, সিসাসহ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে, তা নিরূপণ করতে একটি কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। ওই কমিটি গঠন করে কমিটির কর্মপরিকল্পনার তথ্যও আদালতে দাখিল করা হয়েছে। আদালত দুধ, দই ও পশুখাদ্যে ভেজাল মেশানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চেয়েছেন। যেকোনো মূল্যে আমাদের খাদ্যপণ্য ভেজালমুক্ত করতে হবে। খাদ্যে ভেজাল ও বিষ মিশিয়ে জনস্বাস্থ্যকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়া যে অপরাধ, তা সবার জানা দরকার। যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের উপযুক্ত শাস্তির মুখোমুখি করার পাশাপাশি এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামও সবার জানা দরকার। আমরা আশা করব, সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৪
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৪৪০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.