নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ২৩ মে ২০২০, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ রমজান ১৪৪১
মোবারক মাহে রমজান
মুহম্মদ আলতাফ হোসেন
আজ ২৯ রমজান। আজ বা কালের মধ্যেই আমাদের কাছ থেকে বিদায় নেবে রহমত মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজান। কাজেই কাল বা পরশু পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতরের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হচ্ছে সাদাকাতুল ফিতর বা ফিতরা।

রমজান মাসের রোজা পালনের পর ঈদুল

ফিতরের নামাজের পূর্বে যে সাদকা বা দান করতে হয়, তাকে ফিতরা বলা হয়। হাদীসের পরিভাষা হলো সাদাকাতুল ফিতর বা যাকাতুল ফিতর। যেহেতু রমজান মাসের রোজা শেষে এ সাদকা আবশ্যক হয়, সেহেতু এটিকে সাদাকাতুল ফিতর বা যাকাতুল ফিতর বলা হয়।

হাদীসে ফিতরাকে ফরজ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। ইবন উমার (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) মুসলমানদের দাস, স্বাধীন, পুরুষ, নারী, ছোট, বড় সকলের উপরই যাকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন এবং লোকদের নামাজে বের হওয়ার পূর্বেই তা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। নবী করীম (সা.) মক্কার অলিতে গলিতে ঘোষণা দেয়ার জন্য ঘোষক প্রেরণ করলেন এ ঘোষণা দেয়ার জন্য যে, জেনে রেখো, পুরুষ-নারী, দাস-স্বাধীন, ছোট-বড় প্রতিটি মুসলমানের উপর সাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব। মূলত ফরজ এবং ওয়াজিবের মধ্যে পরিভাষাগত পার্থক্য থাকলেও আমলের দিক দিয়ে এতদোভয়ের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। সুতরাং ফরজ বা ওয়াজিব যাই বলা হোক, ফিতরা দেয়া যে প্রত্যেকের উপর আবশ্যক এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ বা মতভেদ নেই।

দুটি উদ্দেশ্যে ফিতরাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একটি হলো রোজাকে ভুল-ত্রুটি হতে পবিত্র করা এবং অন্যটি হলো দুঃস্থ-দরিদ্রের খাদ্যের সংস্থান করা। ইবন আববাস (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) যাকাতুল ফিতরকে বাধ্যতামূলক করেছেন রোজাকে বেহুদা কাজ ও অশ্লীলতা থেকে পবিত্রকরণ ও দরিদ্রদের খাবার সংস্থানের জন্য। সুতরাং যারা নামাজের পূর্বেই এটি আদায় করবে, তা যাকাত (ফিতরা) হিসেবে গৃহীত হবে। আর যারা নামাজের পর আদায় করবে, তা সাধারণ দান হিসেবে পরিগণিত হবে।

ইসলামের আনন্দ অনুষ্ঠানগুলোও নির্মল ও পবিত্র ভাবধারায় সমৃদ্ধ। মুসলমানদের সর্ববৃহৎ উৎসব হলো ঈদ। ঈদের দিন উত্তম পোশাক, ভালো ভালো খাবার, সুগন্ধি ব্যবহার ইত্যাদির মাধ্যমে মুসলমানগণ আনন্দ উৎসব করে থাকেন। দরিদ্র, দুস্থ ও অনাথরাও যাতে আনন্দ উৎসবে শামিল হতে পারে, এ লক্ষ্যেই প্রতিটি সামর্থ্যমান ব্যক্তির উপর ফিতরাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটি যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে দরিদ্রদের জন্য বোনাস বা উৎসব ভাতার ব্যবস্থা। এখানে একটি কথা স্মরণ রাখা প্রয়োজন যে, যাকাত, ফিতরা প্রভৃতি দরিদ্রদের প্রতি বিত্তবানদের অনুগ্রহের দান নয়। বরং এগুলো তাদের সম্পদে দরিদ্রদের সুনির্দিষ্ট অধিকার।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ৩১
ফজর৩:৪৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৬
মাগরিব৬:৪৪
এশা৮:০৭
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৮২০৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.