নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১২ জুন ২০১৯, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৮ শাওয়াল ১৪৪০
ভোমরা ও ঘোজাডাঙ্গা বন্দর পরিদর্শনে রিভা গাঙ্গুলি 'সমস্যা সমাধানে কাজ করবো'
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার ভোমরা ও ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বন্দর আকস্মিক পরিদর্শন করে গেলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ। এ সময় তার সাথে ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার সুরেশ রায়না।

ভোমরা বন্দর ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা জুয়েল হাসান জানান, গণ সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় ভারতীয় হাইকমিশনার ভোমরা বন্দরে আসেন। কয়েক মিনিট পর তিনি ওপারে ঘোজাডাঙ্গা বন্দরও পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি কর্মকর্তা যাত্রী সাধারণ ও ব্যবসায়ীদের কাছে সমস্যার কথা জানতে চান। এ সময় তাকে জানানো হয়, বাংলাদেশের রোগীরা চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। কিন্তু ফিরবার সময় তাদের কাছে ওষুধপত্র ও ব্যবহৃত লাগেজ বিএসএফ আনতে বাধা দেয়। এমনকি তাদের পায়ে হেঁটে আসার অক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনা করে কোনো সাধারণ যানবাহনও তাকে ব্যবহার করতে দেয়া হয় না। অভিযোগ করে তারা আরও বলেন, বিএসএফ ভারতীয় এবং বাংলাদেশি শ্রমিকদের আসা যাওয়ার পথেও নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। প্রকৃতপক্ষে আমদানি রফতানি বাণিজ্যের স্বার্থে এসব শ্রমিকদের প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন কর্মকর্তারা। ভারতীয় এলাকা থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাক শ্রমিকরা ভোমরা ট্রাক টার্মিনালে প্রবেশ করলেই শৌচাগার ব্যবহার বাবদ তাদের টাকা গুনতে হয়। প্রতিদিন তাদের কাছ থেকে পাঁচ শ' গাড়ি থেকে ২০ টাকা হিসাবে দশ হাজার টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়। ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা জুয়েল হাসান আরও জানান, ভারতের দেয়া বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসায় নির্দিষ্ট রুট উল্লেখ করা হয়। অথচ বাংলাদেশের দেয়া ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের ভিসায় কোনো রুট উল্লেখ থাকে না। এই বৈষম্য দূর না হওয়ায় যাত্রীসাধারণ নানা সমস্যায় পড়েন বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া ভারত ভ্রমণে যাত্রীসাধারণের কিছু ব্যবহার্য মালামাল এবং আত্মীয় স্বজনদের দেয়া উপহার সামগ্রী বহনে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বিশেষ করে বিএসএফ বাধা দেয়। এতে বাংলাদেশি রোগী এবং দুই দেশের ভিজিটররা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যান।

ভারতীয় হাই কমিশনার ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা প্রশান্ত ঘোষ ও পাসপোর্ট যাত্রীদের সাথে তাদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। তিনি দুই বন্দরের সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের জন্য কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ৩১
ফজর৩:৪৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৬
মাগরিব৬:৪৪
এশা৮:০৭
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৮৮৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.