নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১২ জুন ২০১৯, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৮ শাওয়াল ১৪৪০
সবার জন্য সুখবর দিতে চেষ্টা করছেন অর্থমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
সবাইকে সুখবর দিতে চেষ্টা করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদ। এর আগে দুই মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেট দিয়ে গেছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। ফলে নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালকে একটি চাপ সামাল দিতে হবে। ধারাবাহিক ব্যয় ও আয়ের সঙ্গে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য নতুন

কী চমক দিতে পারেন সেটি দেখার বিষয়। তবে তাকে সমন্বয় করতে হবে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে। এর মধ্য দিয়েই সবাইকে তুষ্ট করতে চাচ্ছেন মুস্তফা কামাল। তবে কাজটি অনেক কঠিন।

সব ঠিক থাকলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী। এর আগে জাতীয় সংসদে এর অনুমোদন-সংক্রান্ত বৈঠক হবে। আর বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে রোববার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আয়ের নতুন খাত তৈরি করতে হবে। কারণ খরচ বাড়লে তাকে আয় বাড়াতেই হবে। তা ছাড়া সরকারের বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প চলমান। নতুন বাজেটে সেসব প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে।

সূত্রগুলো বলছে, চাপে থাকলেও তা প্রকাশ করবেন না মুস্তফা কামাল। তিনি চেষ্টা করছেন, সবাইকে সুখবর দিতে। অর্থনীতির বড় তিন চালিকা শক্তি হচ্ছে, দেশের কৃষক, তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিক ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকরা। তাদের জন্য অর্থমন্ত্রী ভালো খবর দিতে যাচ্ছেন এবার। অবশ্য কৃষকদের খারাপ সময় যাচ্ছে। বাম্পার ফলন দিয়েছেন এবার তারা। কিন্তু পাচ্ছেন না ন্যায্য মূল্য। কৃষকদের স্বস্তি দিতে হবে আগে।

একইভাবে দেশের ব্যবসায়ী, দিনমজুরসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতে নতুন অর্থমন্ত্রীতে ভরসা পান, সেদিকে সর্তক তুখোড় এই হিসাববিদ। তবে দেশের অর্থনীতিতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ব্যাংকিং খাতে সংকট। শেয়ারবাজারের নাজুক পরিস্থিতি। বিনিয়োগে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না আসা। ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটে কমে গেছে বেসরকারি ঋণের হার। বেড়ে গেছে ঋণের সুদ হার। ১৫-১৭ শতাংশ হার সুদে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। ফলে বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিনিয়োগ না বাড়লে কর্মসংস্থান হবে না। বাড়বে সামাজিক অস্থিরতা।

অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে তিনি বেসরকারি খাতের জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নেবেন। আর এতে সমর্থন রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। আর ব্যবসায়ীরাও চান বেসরকারি খাতে আরো গতি তৈরি হোক। বিনিয়োগে নীতি সহায়তা ও আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে তিনি ব্যবসায়ীদের পাশে চান। এতে করে সরকারের রাজস্ব বাড়বে। ব্যাংক ঋণের সুদ হার যাতে কমে, তার জন্য প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ ঘোষণা আসতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রীর দুই দফা নির্দেশনার পরও ব্যাংক মালিকরা সুদের হার কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেননি। ফলে অর্থমন্ত্রীর উদ্যোগ কতটা সুফল দেবে-সেই প্রশ্ন সামনে আসবে।

সূত্রে জানা গেছে, এবারের বাজেটের ব্যয়ের আকার দাঁড়াবে ৫ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। আর আয় করতে চান পৌনে চার লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ দেড় লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি ঘাটতি থাকবে। এই ঘাটতির জোগান আসবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎসের ঋণ থেকে। তবে এখানেও একটি বিশৃঙ্খলা চলছে। কারণ সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদের কারণে মানুষ ব্যাংকের আমানত তুলে নিয়ে সঞ্চয়পত্র কিনছে।

ফলে অনেকেই বলছেন, সঞ্চয়পত্রের সুদ হার কমাতে হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষের ভোটে নির্বাচিত অর্থমন্ত্রী কী করেন সেটি দেখার বিষয়। অবশ্য সাধারণ মানুষকে মূল্যস্ফীতির জাঁতাকল থেকে বাঁচাতে চান মুস্তফা কামাল। তবে ধারাবাহিকভাবে উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য রয়েছে নতুন বাজেটে। মোট দেশজ উৎপাদন-জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হচ্ছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ২০
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৮৮০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.